WBCHSE Semester-3 Accountancy Suggestion: এতদিন আমরা মূলত বিজ্ঞান (Science), বাংলা এবং ইংরেজি বিষয়ের সাজেশন প্রকাশ করছিলাম। সেই কারণে কমার্স বিভাগের বহু ছাত্র-ছাত্রীদের অভিযোগ ছিল—“দাদা, আমাদের বিষয়গুলো নিয়ে কেন কিছু আসছে না?” তাদের এই অপেক্ষার অবসান ঘটাতে অবশেষে আমরা নিয়ে এলাম Accountancy (হিসাব-শাস্ত্র) সাজেশন।
HS 3rd Semester Accountancy Last Minute Suggestion (Last Minute)
কমার্স বিভাগের এই মূল বিষয়টি অনেকটাই হিসাব-নিকাশ নির্ভর, যেখানে বিভিন্ন অঙ্ক ও ক্যালকুলেশন করতে হয়। তবে শুধু অঙ্ক নয়, এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ থিওরি পার্ট-ও রয়েছে, যা পরীক্ষায় সমানভাবে গুরুত্ব বহন করে। তাই লাস্ট মিনিট প্রস্তুতির জন্য আমরা সাজেশন তৈরি করেছি—যা দেখে গেলে পরীক্ষার হলে নিঃসন্দেহে উপকার পাবে।
Accounting for Partnership Firm – I (অংশীদারি কারবারের হিসাবনিকাশ)
1. সকলের দ্বারা মিলিতভাবে কিংবা সকলের পক্ষ থেকে একজনের দ্বারা পরিচালিত কোনো কারবারের মুনাফা বণ্টনের জন্য চুক্তিবদ্ধ ব্যক্তিদের মধ্যে যে সম্পর্ক স্থাপিত হয় তাকে অংশীদারি (Partnership) বলে। এরূপ চুক্তিবদ্ধ ব্যক্তিদের প্রত্যেককে অংশীদার (Partner) বলে এবং তাদের দ্বারা পরিচালিত কারবারকে অংশীদারি কারবার (Partnership Firm) বলে।
2. অংশীদারি আইন (Partnership Act) চালু হয় 1932 সালে।
3. অংশীদারি কারবারে সর্বনিম্ন সংখ্যা 2 জন ও সর্বোচ্চ সংখ্যা 50 জন।
4. অংশীদারি চুক্তিপত্র (Partnership Deed) মৌখিক অথবা লিখিত দুই-ই হতে পারে। তবে লিখিত অংশীদারি চুক্তিপত্র থাকলে এটি একটি আইনগত দলিল (Legal Document) হিসেবে গণ্য করা হয়।
5. অংশীদারগণের চলতি হিসাব (Current Account) তখনই খোলা হয় যখন তাদের মূলধন হিসাব (Capital Account) স্থির থাকে।
6. অংশীদারি চুক্তিপত্র না থাকলে কারবারের লাভ-ক্ষতি সকল অংশীদারদের মধ্যে সমান হারে বণ্টন হবে।
7. অংশীদারি চুক্তিপত্র না থাকলে মূলধনের উপর সুদ (Interest on Capital) প্রদান করা হবে না।
8. অংশীদারি চুক্তিপত্র না থাকলে Loan এর ওপর সুদ প্রদান করতে হবে 6%।
9. অংশীদারি চুক্তিপত্র না থাকলে Drawings এর ওপর কোনো সুদ ধার্য করা হবে না।
10. কোনো অংশীদার কারবার পরিচালনায় অংশগ্রহণ করলে এবং অংশীদারি চুক্তি না থাকলে, তাকে বেতন বা কমিশন (Salary/Commission) দেওয়া হবে না।
11. যে হিসাবের মাধ্যমে কারবারি প্রতিষ্ঠান নেট মুনাফা থেকে বণ্টনযোগ্য মুনাফা নির্ধারণ করে অংশীদারদের মধ্যে বণ্টন করে, তাকে লাভ-ক্ষতি বণ্টন হিসাব (Profit & Loss Appropriation A/c) বলে।
12. লাভ-ক্ষতি বণ্টন হিসাব হলো একটি নামিক হিসাব (Nominal Account)।
13. স্থির মূলধন পদ্ধতি (Fixed Capital Method)-তে মূলধনের পরিমাণ সর্বদা স্থির থাকে, অর্থাৎ এর জের সর্বদা Credit Side-এ থাকে।
14. পরিবর্তনশীল মূলধন পদ্ধতি (Fluctuating Capital Method)-তে মূলধনের জের ডেবিট ও ক্রেডিট উভয়ই হতে পারে।
15. অংশীদারদের চলতি হিসাব (Current A/c)-এর জেরও ডেবিট অথবা ক্রেডিট উভয়ই হতে পারে।
16. অংশীদারি প্রতিষ্ঠান লাভ-ক্ষতি বণ্টন হিসাবে লিপিবদ্ধ করা হয় — মূলধনের উপর সুদ, উত্তোলনের উপর সুদ, অংশীদারগণের বেতন সবকটিই
17. অংশীদারি চুক্তিপত্রে কোনো উল্লেখ না থাকলে দুজন অংশীদারের মধ্যে মুনাফা বণ্টনের অনুপাত 1:1 (তিনজন হলে 1:1:1)।
18. লাভ-ক্ষতি বণ্টন হিসাব তৈরি করা হয় Profit and Loss Account-এর পরে এবং Balance Sheet-এর আগে।
19. স্থির মূলধন পদ্ধতিতে মূলধনের পরিমাণ পরিবর্তিত হতে পারে যদি কোনো অংশীদার — নতুন মূলধন নিয়ে আসে (Further Capital), মূলধন থেকে উত্তোলন করে (Drawings from Capital)
20. স্থির মূলধন পদ্ধতিতে প্রত্যেক অংশীদারের নামে খোলা হয় — অংশীদার মূলধন হিসাব (Capital A/c), অংশীদার চলতি হিসাব (Current A/c)
21. অংশীদারদের মূলধন স্থির মূলধন পদ্ধতিতে রাখা হলে অংশীদারদের মুনাফার অংশ ডেবিট করা হবে অংশীদার চলতি হিসাব (Current A/c)-এ।
22. কোনো অংশীদারি কারবারে মূলধনের উপর সুদ দেওয়া হলো একটি ব্যয় (Expense)।
23. অংশীদারি চুক্তির অনুপস্থিতিতে অংশীদারগণ পেতে পারেন শুধুমাত্র Interest on Loan।
24. অংশীদারি চুক্তি না থাকলে বিবেচনা করতে হবে ১৯৩২ সালের অংশীদারি আইন।
25. অংশীদারি কারবারের ঘাটতি (Loss/Deficiency) অংশীদাররা বহন করে প্রত্যেকে এককভাবে ও যৌথভাবে (Individually & Collectively Liable)।
26. কোনো অংশীদার কারবার ছেড়ে দিলে তার অংশ অন্য অংশীদাররা ভাগ করে নেবে চুক্তি অনুসারে।
27. নতুন অংশীদার প্রবেশ করলে তাকে পুরাতন অংশীদাররা শেয়ার দেবে চুক্তি অনুসারে।
28. উত্তোলন হিসাব (Drawings A/c)-এর জের সর্বদা ডেবিট হয়।
29. অংশীদারদের চলতি হিসাব (Current A/c) হলো একটি ব্যক্তিক হিসাব (Personal A/c)।
30. যে অংশীদার সরাসরি প্রতিষ্ঠানের পরিচালনায় যুক্ত থাকে তাকে বলে সক্রিয় অংশীদার (Active Partner)।
31. যে অংশীদার মূলধন দেয় এবং লাভ-ক্ষতিতে অংশ নেয় কিন্তু পরিচালনায় অংশগ্রহণ করে না তাকে বলে নিষ্ক্রিয়/ঘুমন্ত অংশীদার (Sleeping Partner)।
32. সুনাম (Goodwill) একটি অস্পর্শনীয় স্থায়ী সম্পদ (Intangible Fixed Asset)।
33. প্রতিষ্ঠানের মুনাফা অর্জনের যোগ্যতার ওপর সুনামের মূল্যায়ন নির্ভর করে।
34. কোনো চালু কারবার ক্রয়ের সময় প্রতিষ্ঠানের নিট সম্পত্তির মূল্য অপেক্ষা বেশি অর্থ প্রদান করলে যে সুনাম সৃষ্টি হয় তাকে বলে ক্রীত সুনাম (Purchased Goodwill)।
35. দীর্ঘ সময় ধরে দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হয়ে পুরনো ক্রেতাকে ধরে রাখা এবং নতুন ক্রেতাকে আকৃষ্ট করার মাধ্যমে যে সুনাম সৃষ্টি হয় তাকে বলে নিজস্ব সৃষ্ট সুনাম (Self-generated Goodwill)।
36. নতুন করে সুনামের মূল্যায়নের প্রয়োজন হয় অংশীদারি কারবারের পুনর্গঠনের সময় (Reconstitution of Firm)।
37. সুনামের হিসাবনিকাশের আদর্শ মান হলো AS-26।
38. AS-26 অনুযায়ী শুধুমাত্র Purchased Goodwill হিসাবের বইয়ে দেখানো যায়।
39. Self-generated Goodwill হিসাবের বইয়ে দেখানো যায় না।
40. সুনামের বাস্তব অস্তিত্ব থাকলেও যদি তা হিসাবের বইয়ে না লেখা হয় তবে তাকে বলে গুপ্ত সুনাম (Hidden Goodwill)।
41. কয়েক বছরের মুনাফার গড়কে বলে গড় মুনাফা (Average Profit)।
42. Super Profit = Average Profit – Normal Profit।
43. সুনামকে প্রাণীতত্ত্ববিদ্যার সঙ্গে তুলনা করেছেন Mr. P. D. Leake।
44. উত্তোলনের উপর সুদ গণনার ক্ষেত্রে সময়কাল:
- সময় উল্লেখ না থাকলে = 6/12
- প্রতিমাসের প্রথমে উত্তোলন = 6.5/12
- প্রতিমাসের শেষে উত্তোলন = 5.5/12
- ত্রৈমাসিক প্রথমে উত্তোলন = 7.5/12
- ত্রৈমাসিক শেষে উত্তোলন = 4.5/12
- প্রথম 6 মাস প্রতিমাসের প্রথমে উত্তোলন = 9.5/12
- প্রথম 6 মাস প্রতিমাসের শেষে উত্তোলন = 8.5/12
- শেষ 6 মাস প্রতিমাসের প্রথমে উত্তোলন = 3.5/12
- শেষ 6 মাস প্রতিমাসের শেষে উত্তোলন = 2.5/12
Accounting for Company – I (কোম্পানির হিসাবনিকাশ)
1. কোম্পানির বাহ্যিক সমস্ত বিষয় (যেমন – কোম্পানির নাম, উদ্দেশ্য, অবস্থান, মূলধন, দায়) উল্লেখ থাকে পরিমেল বন্ধ বা মেমোরেন্ডাম অফ অ্যাসোসিয়েশনে (MoA)।
2. কোম্পানির অভ্যন্তরীণ পরিচালনা সংক্রান্ত সমস্ত বিষয় (যেমন – শেয়ার মূলধনের পরিমাণ, তার বিভাগ, আবেদন, আবন্টন, শেয়ার বাজেয়াপ্তকরণ, লভ্যাংশ বন্টন) উল্লেখ থাকে পরিমেল নিয়মাবলি বা আর্টিকেলস অফ অ্যাসোসিয়েশনে (AoA)।
3. সর্বজনীন কোম্পানি যে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জনগণকে শেয়ার কেনার জন্য আহ্বান জানায়, তাকে বলে প্রসপেক্টাস (Prospectus) বা বিবরণপত্র।
4. ন্যূনতম আদায় (Minimum Subscription) হলো বিলিযোগ্য শেয়ারের 90% যা জনগণকে 30 দিনের মধ্যে সাবস্ক্রাইব করতে হয়।
5. ন্যূনতম আদায় না হলে আবেদনের মূল্য 15 দিনের মধ্যে ফেরত দিতে হবে।
6. অগ্রাধিকারযুক্ত শেয়ারহোল্ডাররা (Preference Shareholders) অগ্রাধিকার পেয়ে থাকেন – লভ্যাংশ পাওয়ার ক্ষেত্রে, কোম্পানির অবসায়ণের সময় মূলধন ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে
7. কোনো কোম্পানির পূর্ণ মূল্যে আদায়কৃত শেয়ার মূলধনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশকে বলে স্টক (Stock)।
8. 2013 সালের কোম্পানি আইনের ধারা 2(30) -এ ঋণপত্র বা ডিবেঞ্চার (Debenture) সম্বন্ধে উল্লেখ আছে।
9. কোম্পানির উদ্বর্তপত্রের (Balance Sheet) ছক তৈরি করা হয় 2013 সালের কোম্পানি আইনের III তপশিল অনুযায়ী।
10. বর্তমান ভারতীয় কোম্পানি আইন – 2013 সালের কোম্পানি আইন।
11. সর্বজনীন যৌথ মূলধনি কোম্পানির ন্যূনতম সদস্য সংখ্যা – 7 জন।
12. ঘরোয়া যৌথ মূলধনি কোম্পানির ন্যূনতম সদস্য সংখ্যা – 2 জন।
13. ঘরোয়া কোম্পানির সর্বোচ্চ সদস্য সংখ্যা – 200 জন।
14. সর্বজনীন কোম্পানির সর্বোচ্চ সদস্য সংখ্যা – সীমাহীন।
15. এক ব্যক্তির কোম্পানির (One Person Company) সদস্য সংখ্যা – 1 জন।
16. সর্বজনীন কোম্পানির পরিচালক সদস্যের সংখ্যা – সর্বনিম্ন 3 জন, সর্বোচ্চ 15 জন
17. কোম্পানি আইন দ্বারা গঠিত। আইনের চোখে কোম্পানি একজন কৃত্রিম ব্যক্তি (Artificial Person)।
18. নিবন্ধনের পর কোম্পানি একটি পৃথক আইনগত সত্তা (Separate Legal Entity) লাভ করে।
19. কোম্পানির মূলধন শেয়ার দ্বারা বিভক্ত।
20. শেয়ার গ্রহীতাদের দ্বারা নির্বাচিত পরিচালকমণ্ডলী (Board of Directors) দ্বারা কোম্পানি পরিচালিত হয়।
21. যে মূলধন নিয়ে কোনো কোম্পানি নিবন্ধিত হয় তাকে বলে – অনুমোদিত মূলধন (Authorised Capital)।
22. অনুমোদিত মূলধনকে বলা হয় – রেজিস্টার্ড ক্যাপিটাল / নমিনাল ক্যাপিটাল (Registered / Nominal Capital)।
23. অনুমোদিত মূলধনের যে অংশ জনসাধারণের কাছে বিক্রির জন্য বিলি করা হয় তাকে বলে – বিলিযোগ্য মূলধন (Issued Capital)।
24. কোম্পানির অনুমোদিত মূলধনের পরিমাণ উল্লেখ থাকে – পরিমেল নিয়মাবলীতে (AoA)।
25. শেয়ার বিলি করে কোম্পানি যে মূলধন সংগ্রহ করে তাকে বলে – নিজস্ব মূলধন (Owned Capital)।
26. ঋণপত্র বিলি করে কোম্পানি যে মূলধন সংগ্রহ করে তাকে বলে – ঋণ মূলধন (Borrowed Capital)।
27. মূলধন জাতীয় মুনাফা থেকে যে সঞ্চিতি সৃষ্টি হয় তাকে বলে – মূলধন সঞ্চিতি (Capital Reserve)।
28. Capital Reserve Account-এর জের হয় – ক্রেডিট।
29. যে শেয়ারের নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশ পাওয়া যায় এবং কোম্পানির অবসায়ণের সময় মূলধন ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার থাকে তাকে বলে – প্রেফারেন্স শেয়ার (Preference Share)।
30. লভ্যাংশের হার স্থির থাকে – প্রেফারেন্স শেয়ারে।
31. কোম্পানির সদস্যদের দায় (Liability) – সীমাবদ্ধ (Limited Liability)।
32. ঋণপত্র গ্রহিতেরা (Debenture holders) হলেন কোম্পানির ঋণ পাওনাদার (Creditors)।
33. ঋণপত্রের মালিকদের নাম ও ঠিকানা নথিতে রেকর্ড করা হলে তৈরি হয় – নিবন্ধীকৃত ঋণপত্র (Registered Debenture)।
34. যেসব ঋণপত্র চুক্তি অনুযায়ী শেয়ারে রূপান্তরিত করা যায় তাকে বলে – রূপান্তরযোগ্য ঋণপত্র (Convertible Debenture)।
35. যেসব ঋণপত্রে নির্দিষ্ট সুদের হার উল্লেখ থাকে তাকে বলে – নির্দিষ্ট কুপন হারের ঋণপত্র (Fixed Coupon Debenture)।
আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণ (Analysis of Financial Statements)
1. আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের মুনাফা অর্জনের ক্ষমতা এবং ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা সম্পর্কে জানা যায়।
2. অনুভূমিক বিশ্লেষণ (Horizontal Analysis) হলো একটি গতিশীল বিশ্লেষণ।
3. উল্লম্ব বিশ্লেষণ (Vertical Analysis) হলো একটি স্থির বিশ্লেষণ।
4. যখন আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যক্তিদের দ্বারা করা হয়, তখন তাকে অভ্যন্তরীণ বিশ্লেষণ (Internal Analysis) বলে।
5. উল্লম্ব বিশ্লেষণ কেবলমাত্র একটি বছরের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে করা হয়।
6. তুলনামূলক বিবরণী (Comparative Statement) প্রস্তুত করা হয় যখন দুই বা ততোধিক হিসাবকালের লাভক্ষতির বিবরণী এবং উদ্বর্তপত্রের মধ্যে তুলনা করতে হয়।
7. একাধিক হিসাবকালের রেভিনিউ ও খরচের হ্রাসবৃদ্ধি বিশ্লেষণের জন্য প্রস্তুত করা হয় তুলনামূলক আয় বিবরণী (Comparative Income Statement)।
8. তুলনামূলক আয় বিবরণীর শতকরা পরিবর্তন নির্ণয়ের সময় পূর্ববর্তী বছরকে ভিত্তি ধরা হয়।
9. সাধারণ আকৃতির বিবরণী (Common-size Statement) দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
10. সাধারণ আকৃতির উদ্বর্তপত্রে মোট সম্পত্তি বা মোট দায়কে 100% ধরে অন্যান্য সম্পত্তি ও দায়ের অঙ্ককে শতকরা হারে প্রকাশ করা হয়।
11. সাধারণ আকৃতির আয় বিবরণীতে Revenue from Operation কে ভিত্তি ধরে অন্যান্য বিষয়গুলির শতকরা হার প্রকাশ করা হয়।
12. তুলনামূলক উদ্বর্তপত্রে (Comparative Balance Sheet) একাধিক হিসাবকালের সম্পত্তি ও দায়গুলির জেরসহ হ্রাস বা বৃদ্ধি দেখানো হয়।
13. সাধারণ আকৃতির লাভক্ষতির বিবরণীতে কার্যনির্বাহের ফলে আগত রেভিনিউ-এর অঙ্ককে 100% ধরে নেওয়া হয়।
14. সাধারণ আকৃতির উদ্বর্তপত্র প্রস্তুতের সময়, উদ্বর্তপত্রের প্রতিটি বিষয়কে মোট সম্পত্তির ওপর শতকরা হারে প্রকাশ করা হয়।
15. একই শিল্পের অন্তর্গত একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অন্য প্রতিষ্ঠানের আর্থিক তথ্যের তুলনাকে বলে আন্তঃপ্রতিষ্ঠান তুলনা (Inter-firm Comparison)।
16. আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণের কৌশল হলো গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ (Trend Analysis)।
17. একই প্রতিষ্ঠানের দুই বা ততোধিক বছরের আর্থিক বিবরণীর বিশ্লেষণকে বলা হয় অন্তঃপ্রতিষ্ঠান বিশ্লেষণ (Intra-firm Analysis)।
18. তুলনামূলক বিবরণীর বিশ্লেষণ পরিচিত অনুভূমিক বিশ্লেষণ নামে।
19. সাধারণ আকৃতির বিবরণী প্রস্তুত করা হয় শতকরা হারে।
20. অভ্যন্তরীণ বিশ্লেষণ (Internal Analysis) – এই বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যক্তিরা, যেমন ব্যবস্থাপনা বা কর্মচারী, করে থাকেন। এর উদ্দেশ্য হলো প্রতিষ্ঠানের কর্মদক্ষতা ও আর্থিক অবস্থার মূল্যায়ন এবং অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা।
21. বাহ্যিক বিশ্লেষণ (External Analysis) – এই বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠানের বাইরের ব্যক্তি বা সংস্থা, যেমন বিনিয়োগকারী, পাওনাদার, সরকার বা শ্রমিক সংগঠন, করে থাকে। এর উদ্দেশ্য হলো বিনিয়োগ, ঋণ প্রদান বা অন্যান্য বাহ্যিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করা।
22. অনুভূমিক বিশ্লেষণ (Horizontal Analysis) – একাধিক হিসাবকালের আর্থিক বিবরণীর মধ্যে তুলনা করা হয়। এটি গতিশীল বিশ্লেষণ নামেও পরিচিত। তুলনামূলক বিবরণী এবং গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ এর প্রধান কৌশল।
23. উল্লম্ব বিশ্লেষণ (Vertical Analysis) – একটি নির্দিষ্ট হিসাবকালের আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণ করা হয়। এটি স্থির বিশ্লেষণ নামেও পরিচিত। সাধারণত, মোট সম্পত্তি বা নিট বিক্রয়কে ভিত্তি ধরে অন্যান্য বিষয় শতকরা হারে প্রকাশ করা হয়।
24. অন্তঃপ্রতিষ্ঠান বিশ্লেষণ (Intra-firm Analysis) – একই প্রতিষ্ঠানের একাধিক সময়ের আর্থিক তথ্যের মধ্যে তুলনা করা হয়। এটি অনুভূমিক বিশ্লেষণের সঙ্গে সম্পর্কিত।
25. আন্তঃপ্রতিষ্ঠান বিশ্লেষণ (Inter-firm Analysis) – একই শিল্পের দুই বা ততোধিক প্রতিষ্ঠানের আর্থিক তথ্যের মধ্যে তুলনা করা হয়। এটি প্রতিষ্ঠানের কর্মদক্ষতা ও আর্থিক অবস্থার তুলনামূলক মূল্যায়ন করতে সাহায্য করে।
26. অনুভূমিক বিশ্লেষণ (Horizontal Analysis) – ব্যবহৃত কৌশল হলো তুলনামূলক বিবরণী (Comparative Statements) এবং গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ (Trend Analysis)।
27. উল্লম্ব বিশ্লেষণ (Vertical Analysis) – ব্যবহৃত কৌশল হলো সাধারণ আকৃতির বিবরণী (Common-size Statements)।
28. অনুপাত বিশ্লেষণ (Ratio Analysis) – এটি উভয় বিশ্লেষণের ক্ষেত্রেই প্রয়োগ করা যায়, তবে সাধারণত এটি উল্লম্ব বিশ্লেষণের অধীনে পড়ে।
অংক সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস
- অংশীদারি কারবারের হিসাব নিকাশ এই অংশ থেকে চার থেকে পাঁচ নম্বরের অংক আসতে পারে।
- কোম্পানির হিসাব নিকাশ এই অংশ থেকে পাঁচ থেকে ছয় নম্বরের অংক আসতে পারে।
- আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণ এই অংশ থেকে প্রায় ১০ নম্বর অংক আসতে পারে।
তোমাদের সুবিধার জন্য ইতিমধ্যেই আমরা সেমিস্টারের শুরুতেই অধ্যায়ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ নোটস MCQ এবং মকটেস্ট সেট রেডি করে দিয়েছিলাম! তোমরা এখনো যদি সেগুলো সংগ্রহ করে না থাকো, শেষ মুহূর্তে নিয়ে একবার রিভিশনের জন্য কাজে লাগবে।
✅ তোমরা সংগ্রহ করতে পারো অধ্যায় ভিত্তিক👇Chapterwise নতুন সেমিস্টার All Types MCQ + Mock Test PDF! [মাত্র 59 টাকা]
সাজেশন | তথ্য |
---|---|
HS 3rd Semester Accountancy Suggestion (অ্যাকাউন্টান্সি তৃতীয় সেমিস্টার) | 10 Pages |
↓ PDF Download | 2 MB |
উচ্চমাধ্যমিক 3rd Sem সমস্ত বিষয়ের সাজেশন | Click Here |
উচ্চমাধ্যমিক Class 12 সেমিস্টার Commerce প্রস্তুতির জন্য অবশ্যই আমাদের “টার্গেট কমার্স” whatsapp গ্রুপ জয়েন করতে পারো: Join Group Now ↗
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হোন -
আরও আপডেট »