রাজ্যে গ্রীষ্মকালের ছুটি পেরিয়ে স্বাভাবিক পঠনপাঠন শুরু হলেও, ফের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে চালু হতে চলেছে ‘মর্নিং স্কুল’। আসন্ন ‘জনগণনা ২০২৭’ কর্মসূচিতে প্রাথমিক শিক্ষকদের ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের পঠনপাঠন ও উপস্থিতি বজায় রাখতেই এই বিশেষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিভিন্ন জেলার ডি.পি.এস.সি। ফলে গরমের ছুটির পর আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও পুনরায় সকালের শিফটেই ক্লাস করতে হবে প্রাথমিক স্তরের ছোট ছোট পড়ুয়াদের।
রাজ্যের প্রাথমিক স্তরে ফের চালু হল ‘মর্নিং স্কুল’
রাজ্যের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পঠনপাঠনের সময়সূচিতে আবারও পরিবর্তন আনা হয়েছে। সম্প্রতি বিভিন্ন জেলার ডিস্ট্রিক্ট প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিল (DPSC) প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে মর্নিং শিফটে পঠনপাঠন চালানোর নির্দেশিকা জারি করেছে। ২৩শে জুলাই ২০২৬ তারিখে উত্তর দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ (DPSC Uttar Dinajpur)-সহ একাধিক জেলার পক্ষ থেকে এই মর্নিং স্কুল চালু করার সংক্রান্ত অফিসিয়াল আদেশনামা (Memo No. 1128/DPSC/UD) প্রকাশ করা হয়েছে।
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
|---|---|
| বিজ্ঞপ্তি জারির তারিখ | ২৩ জুলাই, ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) |
| স্মারক সংখ্যা (Memo No.) | 1128/DPSC/UD |
| কার্যকর সময়সীমা | অবিলম্বে কার্যকর এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত |
| আওতাভুক্ত স্তর | সমস্ত সরকারি ও সরকার পোষিত প্রাথমিক বিদ্যালয় (Primary Schools) |
| প্রধান কারণ | জনগণনা ২০২৭ সংক্রান্ত সরকারি কাজে শিক্ষকদের অংশগ্রহণ |
কেন ডে সেশনে ক্লাস বন্ধ করে মর্নিং স্কুল চালু হলো?
সামনেই ভারতের ‘জনগণনা ২০২৭’ (Census 2027) কর্মসূচির কাজ শুরু হতে চলেছে। রাজ্য সরকারের নির্দেশে বিভিন্ন সরকারি ও সরকার পোষিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপর জনসংখ্যা গণনার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও প্রশিক্ষণ ন্যস্ত করা হয়েছে।
শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ দিনের বেলায় এই সরকারি কাজে যুক্ত থাকার কারণে ডে-সেশনে সাধারণ ক্লাস পরিচালনা করা সমস্যাজনক হয়ে উঠছিল। ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের পঠনপাঠনের ক্ষতি এড়াতে এবং বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতেই ক্লাস সকালে (Morning Session) নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কতদিন চলবে এই ‘মর্নিং স্কুল’?
ডিপিএসসি-র জারি করা নোটিশে জানানো হয়েছে যে, অবিলম্বে কার্যকর হয়ে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত (until further order) প্রাথমিক স্তরে সকালের শিফটে ক্লাস পরিচালিত হবে। শিক্ষা দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, যতদিন পর্যন্ত শিক্ষক-শিক্ষিকারা জনগণনার বিশেষ দায়িত্বে ব্যস্ত থাকবেন, ততদিন পর্যন্ত প্রাথমিক স্তরে মর্নিং স্কুলই বহাল থাকবে।
অবশ্যই দেখুন: Vidyanjali: সরকারি স্কুলের উন্নয়নে ‘বিদ্যাঞ্জলি’ প্রকল্প! শিক্ষা দপ্তরের নতুন নির্দেশ
শিক্ষা দপ্তরের এই সিদ্ধান্তের ফলে একদিকে যেমন শিক্ষকেরা প্রশাসনিক কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন, অন্যদিকে খুদে পড়ুয়াদের পড়াশোনাও ব্যাহত হবে না। সকল অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীদের স্ব-স্ব বিদ্যালয়ের সময়সূচি অনুযায়ী সকালে ক্লাসে উপস্থিত থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হোন -

