দ্বাদশ শ্রেণির তৃতীয় সেমিস্টারের সংস্কৃত (Sanskrit) পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেতে হলে সঠিক প্রস্তুতি আর গুছিয়ে পড়াশোনা করা সবচেয়ে জরুরি। নতুন প্রশ্ন কাঠামোতে পরীক্ষার আগে ছোট ছোট One Liner সংস্কৃত প্রশ্নোত্তর অনুশীলন করলে খুব দ্রুত রিভিশন করা যায় এবং উত্তর দেওয়ার আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায়। এই সাজেশন তোমাদের পরীক্ষার প্রস্তুতিকে আরও সহজ, কার্যকর ও সফল করতে সাহায্য করবে।
HS Class 12 Semester-3 Sanskrit Suggestion: উচ্চ মাধ্যমিক তৃতীয় সেমিস্টার সংস্কৃত সাজেশন
উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণির সংস্কৃত তৃতীয় সেমিস্টার পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেতে হলে আগে সিলেবাসটা ভালোভাবে জেনে রাখা দরকার। কোন কোন অধ্যায় থেকে বেশি প্রশ্ন আসতে পারে সেটা বুঝে পড়লে পড়াশোনা অনেক গুছিয়ে করা যায়। তাই নিচে টেবিল আকারে পুরো সিলেবাস দেওয়া হলো, যাতে তোমরা এক নজরে দেখে নিতে পারো কোন কোন অধ্যায় পড়তে হবে আর সেই অনুযায়ী পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে পারো।
Unit – অধ্যায় | বিষয়বস্তু |
---|---|
Part I :সংস্কৃত সাহিত্য (Sanskrit Literature) – 15 Marks | |
ইউনিট ১ | গদ্য (Prose) – 5 Marks |
ইউনিট ২ | পদ্য (Poetry/Verse) – 5 Marks |
ইউনিট ৩ | দৃশ্য কাব্য (Drama) – 5 Marks |
Part – II : সংস্কৃত ব্যাকরণ ও সংস্কৃত সাহিত্যের ইতিহাস (Sanskrit Grammar & History of Sanskrit Literature) – 25 Marks | |
ইউনিট ৪ | ব্যাকরণ (Grammar) – 15 Marks |
ইউনিট ৫ | পৌরাণিক ও লৌকিক সংস্কৃত সাহিত্যের ইতিহাস (History of Puranic and Classical Sanskrit Literature) – 10 Marks |
গদ্য: (পাঠ্যাংশের নাম- রাজবাহনচরিতম্)
১) রাজবাহনচরিতম্ পাঠ্যাংশটি কোন্ গ্রন্থের অংশ — দশকুমারচরিতম্
২) দশকুমারচরিতম্ এর রচয়িতা — মহাকবি দণ্ডী
৩) রাজবাহনচরিতম্ পাঠ্যাংশটি দশকুমারচরিতম্ এর — প্রথম উচ্ছ্বাস
৪) দশকুমারচরিতম্ হলো — গদ্যকাব্য
৫) রাজবাহনের প্রতিপক্ষের নাম — চণ্ডবর্মা
৬) অবন্তিসুন্দরী রাজবাহনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখান — মৃদু হেসে
৭) স্বপ্নে অবন্তিসুন্দরী ও রাজবাহন দেখেছিলেন — এক বৃদ্ধ রাজহংসকে
৮) অন্তঃপুরিকারা ছিলেন — ভূমিতে লুণ্ঠিতা হয়ে কাঁদছিলেন
৯) রাজকন্যা আতঙ্কিত হয়েছিলেন — রাজপুত্রের অবস্থা দেখে
১০) রাজবাহন বিপদকে মেনেছিলেন — দৈব বা ভাগ্য নির্ধারিত
১১) অন্তঃপুররক্ষীরা প্রবেশ করেছিল — কোলাহল শুনে ঘটনাস্থলে যেতে
১২) চণ্ডবর্মা রেগেছিলেন — রাজবাহন তাঁর অনুজ ভ্রাতার মৃত্যুর কারণ
১৩) রাজবাহন অবন্তিসুন্দরীকে বিরহ যন্ত্রণা সহ্য করতে বলেছিলেন — দুমাস
১৪) চণ্ডবর্মার ভাইয়ের নাম — দারুবর্মা
১৫) রাজবাহনের বন্ধুর নাম — পুষ্পোদ্ভব
১৬) পুষ্পোদ্ভব ছিলেন — বৈদেশিক বণিকের পুত্র
১৭) পুষ্পোদ্ভবের স্ত্রীর নাম — বালচন্দ্রিকা
১৮) “প্রাণসমাম্ সমাশ্বাস্য” বাক্যে ‘প্রাণসমা’ অর্থ — প্রাণের চেয়ে প্রিয়
১৯) রাজবাহন বিপদকে গ্রহণ করেছিলেন — দৈব বা ভাগ্যনির্ধারিত
পদ্য: (পাঠ্যাংশের নাম- যোগঃ কর্মসু কৌশলম্)
১) ‘যোগঃ কর্মসু কৌশলম্’ পাঠ্যাংশটি কোন্ গ্রন্থের অংশ — শ্রীমদ্ভগবদগীতা
২) শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার রচয়িতা — মহর্ষি ব্যাসদেব
৩) শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা কোন্ গ্রন্থের অংশ — মহাভারত
৪) শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা মহাভারতের কোন্ পর্বে আছে — ভীষ্ম পর্বে
৫) শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার অপর নাম — সপ্তশতী
৬) শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার নাম সপ্তশতী কারণ — ৭০০ শ্লোক আছে বলে
৭) শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার শ্লোক সংখ্যা — ৭০০
৮) শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার অধ্যায় সংখ্যা — ১৮ টি
৯) মহাভারতের শ্লোক সংখ্যা — ১,০০,০০০
১০) মহাভারতের পর্ব সংখ্যা — ১৮ টি
১১) কর্মেন্দ্রিয় সংখ্যা — ৫ টি
১২) কর্মেন্দ্রিয়গুলি — বাক্, পাণি, পায়ু, পাদ ও উপস্থ
১৩) কর্ম উৎপন্ন — ব্রহ্ম থেকে
১৪) এখানে ‘ব্রহ্ম’ অর্থ — বেদ
১৫) ‘যোগঃ কর্মসু কৌশলম্’ বাক্যটি শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার — দ্বিতীয় অধ্যায়ে
১৬) ‘যোগঃ কর্মসু কৌশলম্’ শ্লোকটি দ্বিতীয় অধ্যায়ের — ৫০ তম শ্লোক
১৭) এখানে ‘যোগ’ অর্থ — কর্মে নিষ্ঠা, মনোযোগ ও সাম্যবোধ
১৮) ‘বিমূঢ়াত্মা’ অর্থ — মূঢ়চেতা ব্যক্তি
১৯) ‘ইন্দ্রিয়ার্থ’ অর্থ — ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য বিষয়
২০) ‘বিদ্ধি’ শব্দের অর্থ — জানবে
২১) এখানে ‘ব্রহ্ম’ অর্থ — বেদ
২২) সাধারণ মানুষ কী করে — শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিকে অনুসরণ করে
২৩) ‘ইतरঃ জনঃ’ বলতে বোঝানো হয়েছে — সাধারণ ব্যক্তি
২৪) “श्रेष्ठस्तत्तदेवेतरो जनः” — ‘श्रेष्ठस्तत्तदेवेतरो’ এর সন্ধি বিচ্ছেদ — श्रेष्ठः + तत् + तत् + एव + इतरः
২৫) “तमाहुः पण्डितं बुधाः” — ‘तम्’ বলতে বোঝানো হয়েছে — যাঁর সকল কর্মই নিষ্কাম
২৬) “पवित्रमिह विद्यते” — পবিত্র বস্তুটি — জ্ঞান
27) “पवित्रमिह” এর সন্ধি বিচ্ছেদ — पवित्रम् + इह
28) জ্ঞান লাভ করেন — শ্রদ্ধাশীল, যত্নশীল ও ইন্দ্রিয় সংযমী ব্যক্তি
29) জ্ঞান লাভে অর্জিত হয় — পরম শান্তি
30) “परां शान्तिमचिरेणाधिगच्छति” — এর সন্ধি বিচ্ছেদ — शान्तिम् + अचिरेण + अधिगच्छति
দৃশ্য কাব্য: (পাঠ্যাংশের নাম- দুর্বাসসঃ অভিশাপঃ)
১) ‘দুর্বাসসঃ অভিশাপঃ’ পাঠ্যাংশটি কোন্ নাটকের অংশ — অভিজ্ঞানশকুন্তলম্
২) ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম্’ এর রচয়িতা — কালিদাস
৩) ‘দুর্বাসসঃ অভিশাপঃ’ পাঠ্যাংশটি নেওয়া হয়েছে — চতুর্থ অঙ্ক থেকে
৪) ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম্’ এ মোট অঙ্ক সংখ্যা — ৭ টি
৫) ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম্’ নাটকের নায়ক — দুষ্যন্ত
৬) দুষ্যন্ত ছিলেন — হস্তিনাপুরের রাজা
৭) ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম্’ নাটকের নায়িকা — শকুন্তলা
৮) শকুন্তলার সখী ছিল — দুই জন
৯) শকুন্তলার দুই সখীর নাম — অনসূয়া ও প্রিয়ংবদা
১০) “तथाप्येतावच्चिन्तनीयम्” উক্তির বক্তা — অনসূয়া
১১) শকুন্তলার বিবাহ হয়েছিল — গান্ধর্ব মতে
১২) গান্ধর্ব বিবাহ অর্থ — পুষ্পমালা বিনিময়ের মাধ্যমে উভয়ের মিলন (পিতা-মাতার অনুমতির অপেক্ষা নয়)
১৩) বিবাহের প্রকার সংখ্যা — ৮ প্রকার
১৪) শকুন্তলাকে অভিশাপ দিয়েছিলেন — ঋষি দুর্বাসা
১৫) শকুন্তলাকে দুর্বাসা অভিশাপ দিয়েছিলেন — অতিথিকে অবজ্ঞা করার জন্য
১৬) দুর্বাসা আশ্রমে আসার সময় শকুন্তলা করছিল — পতি চিন্তায় নিমগ্না হয়ে কুটিরে বসেছিল
১৭) দুর্বাসার অভিশাপের কথা প্রথম জানে — প্রিয়ংবদা
১৮) কণ্বের আশ্রমে অতিথি ছিলেন — ঋষি দুর্বাসা
১৯) ক্রুদ্ধ দুর্বাসাকে অনুনয় করেছিল — প্রিয়ংবদা
২০) ক্রুদ্ধ দুর্বাসাকে শান্ত করার পরামর্শ দিয়েছিল — অনসূয়া
২১) অনসূয়া ফুল তুলতে গিয়ে শুনেছিল — অতিথির কণ্ঠস্বর
২২) দুর্বাসার অভিশাপ মুক্তি পাবে — স্মারকচিহ্ন (অভিজ্ঞান) দেখালে
২৩) ‘प्रमत्तः’ (প্রমত্তঃ) শব্দের অর্থ — পাগল
২৪) ‘गुणविरोधिनो’ (গুণবিরোধিনো) অর্থ — বিরুদ্ধ গুণের সমাবেশ বা গুণহীন
২৫) অনসূয়ার হাত থেকে পুষ্পপাত্র পড়ে যায় — হোঁচট খেয়ে
২৬) অনসূয়ার হাত থেকে পুষ্পপাত্র পড়ে যায় — হোঁচট খেয়ে
২৭) শকুন্তলা বসেছিল — বাম হাতের উপর মুখমণ্ডল রেখে
২৮) “इप्टिं परिसमाप्य” অর্থ — রাজর্ষি মৃগয়া শেষ করেছেন
২৯) “यथाहं पश्यामि, तथा तस्यानुमतं भवेत्” উক্তি কার — অনসূয়ার
৩০) “यथाहं पश्यामि, तथा तस्यानुमतं भवेत्” এখানে ‘तस्य’ বলতে বোঝানো হয়েছে — পিতা কণ্বকে
৩১) “यथाहं पश्यामि, तथा तस्यानुमतं भवेत्” অনুমত অর্থ — দুষ্যন্ত ও শকুন্তলার বিবাহ
৩২) “अतिथीनामिव निवेदितम्” উক্তি কার — অনসূয়ার
৩৩) “अतिथीनामिव निवेदितम्” এখানে ‘अतिथी’ বলতে বোঝানো হয়েছে — মহর্ষি দুর্বাসা
তোমাদের সেমিস্টারের প্রস্তুতি, মক টেস্ট, প্র্যাকটিস MCQ জন্য অবশ্যই EduTips App – বিনামূল্যে কোর্সে জয়েন করতে পারো।
ব্যাকরণ
উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণীর দ্বিতীয় সেমিস্টারের সংস্কৃত ব্যাকরণের সিলেবাসে নির্দিষ্ট কয়েকটি টপিক রয়েছে। (১) প্রত্যয়: অণ্, মতুপ্, তরপ্, ঈয়সূন্, তরপ্ ও ইষ্ঠন্ (২) নামধাতু প্রত্যয়: কাম্যচ্, ক্যচ্, ক্যঙ্ প্রত্যয় (৩) কারক: বিভক্তি কতৃ, কর্ম ও করণ কারক (৪) সমাস: অব্যয়ীভাব ও তৎপুরুষ
(১) প্রত্যয় ও নামধাতু প্রত্যয়
১) প্রত্যয় যুক্ত হয় — ধাতু বা শব্দের সঙ্গে।
২) প্রত্যয় কয় প্রকার — দুই।
৩) ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয় — কৃৎ প্রত্যয়।
৪) শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয় — তদ্ধিত প্রত্যয়।
৫) শিব + অণ্ = শৈব।
৬) পশুপতি + অণ্ = পাশুপত।
৭) দীর্ঘ + ঈয়সূন্ = দ্রাঘীয়স্।
৮) বহু + ঈয়সূন্ = ভূয়স্।
৯) বহুল + ঈয়সূন্ = বংহীয়স্।
১০) বিপুল + ঈয়সূন্ = জ্যায়স্।
১১) প্রশস্য + ঈয়সূন্ = শ্রেয়স্।
১২) প্রশস্য + ইষ্ঠন্ = জ্যেষ্ঠ।
১৩) প্রশস্য + ইষ্ঠন্ = শ্রেষ্ঠ।
১৪) লঘু + ইষ্ঠন্ = লঘিষ্ঠ।
১৫) উরু + ইষ্ঠন্ = বরিষ্ঠ।
১৬) লক্ষ্মী + মতুপ্ = লক্ষ্মীবৎ।
১৭) “ভূমনিন্দাপ্রশংসাসু” অর্থে ব্যবহৃত প্রত্যয় — মতুপ্।
১৮) নিন্দার্থে মতুপ্ প্রত্যয়ের উদাহরণ — হনুমান্।
১৯) হনুমান্ শব্দে মতুপ্ প্রত্যয়ের অর্থ — নিন্দা।
২০) অনেকের মধ্যে একের উৎকর্ষ বোঝালে হয় — তমপ্।
২১) দুইয়ের মধ্যে একের উৎকর্ষ বোঝালে হয় — ঈয়সূন্।
২২) লবণ + মতুপ্ = রুমণ্বান্।
(২) কারক:
১) কারক বিধায়ক সূত্রটি হল — ক্রিয়ান্বয়ি কারকম্।
২) কারক — ৬ প্রকার।
৩) বিভক্তি — ৭ টি।
৪) ‘নদ্যাং স্নাতি বালা’ বাক্যে ‘বালা’ পদে বিভক্তি — প্রথমা।
৫) ‘মুনিঃ বনম্ উপবসতি’ বাক্যে ‘বনম্’ পদে বিভক্তি — দ্বিতীয়া।
৬) ‘বিদ্যয়া ঊনঃ’ বাক্যে ‘বিদ্যয়া’ পদে বিভক্তি — তৃতীয়া।
৭) ‘জপম্ অনু প্রাবর্ষৎ’ বাক্যে ‘জপম্’ পদে বিভক্তি — দ্বিতীয়া।
৮) ‘সঃ ব্যাকরণে সাধুঃ’ বাক্যে ‘সঃ’ পদে প্রযোজ্য সূত্র — স্বতন্ত্রঃ কর্তা।
৯) ‘কর্মপ্রবচনীয়’ অর্থে বিভক্তি হয় — দ্বিতীয়া ও পঞ্চমী।
১০) ‘ক্রিয়াবিশেষণে’ বিভক্তি হয় — দ্বিতীয়া।
১১) ‘অকথিত কর্ম’ বলতে বোঝায় — গৌণকর্ম।
১২) ‘কাকেভ্যঃ মোদকং রক্ষ’ বাক্যে ‘মোদকং’ পদে কারকবিধায়ক সূত্র — কর্তুরীপ্সিততমং কর্ম।
১৩) ‘কাকেভ্যঃ মোদকং রক্ষ’ বাক্যে ‘কাকেভ্যঃ’ পদে বিভক্তি — পঞ্চমী।
১৪) ‘সুখেন নৃত্যতি বালিকা’ বাক্যে ‘সুখেন’ পদ — প্রকৃত্যাদিভ্যৎ তৃতীয়া।
১৫) করণকারক বিধায়ক সূত্রটি হল — সাধকতমং করণম্।
১৬) ‘পৃথিবীং পরিতঃ অর্ণবঃ’ বাক্যে ‘অর্ণবঃ’ পদটি — কর্তৃকারক (প্রথমা বিভক্তি)।
১৭) ‘মাতা পুত্রং চন্দ্রং দর্শয়তি’ বাক্যে ‘পুত্রং’ পদটি — কর্তায় দ্বিতীয়া।
১৮) ‘সূর্যম্ অভিতঃ ন তমঃ’ বাক্যে ‘সূর্যম্’ পদটি — অভিতঃ যোগে দ্বিতীয়া।
১৯) ‘গৃহং গচ্ছন্ তৃণং স্পৃশতি’ বাক্যে ‘তৃণং’ পদটি — অনীপ্সিত কর্মে দ্বিতীয়া।
২০) ‘গৃহং গচ্ছন্ তৃণং স্পৃশতি’ বাক্যে ‘গৃহং’ পদটি — ঈপ্সিত কর্মে দ্বিতীয়া।
২১) ‘বিনা’ শব্দ যোগে বিভক্তি — দ্বিতীয়া।
২২) ‘ইতি’ অব্যয় যোগে বিভক্তি — প্রথমা।
২৩) ‘সহ’ শব্দ যোগে বিভক্তি — তৃতীয়া।
২৪) ‘সম্বোধনে’ বিভক্তি — প্রথমা।
২৫) ‘নিকষা’ শব্দ যোগে বিভক্তি — দ্বিতীয়া।
২৬) কর্তৃকারকে সাধারণত বিভক্তি — প্রথমা।
২৭) কর্মকারকে সাধারণত বিভক্তি — দ্বিতীয়া।
২৮) কর্মকারকে সাধারণত বিভক্তি — দ্বিতীয়া।
২৯) করণকারকে সাধারণত বিভক্তি — তৃতীয়া।
৩০) অঙ্গবিকার বোঝালে বিভক্তি — তৃতীয়া।
৩১) ___________ খাদন্তি বালকাঃ — হস্তেন।
৩২) ___________ সরলঃ শিশুঃ — প্রকৃত্যা।
৩৩) বর্ষাসু ___________ ময়ূরাঃ নৃত্যন্তি — হর্ষেণ।
৩৪) ___________ নিকষা নদী অস্তি — গ্রামম্।
৩৫) ___________ অভিতঃ ন তমঃ — সূর্যম্।
৩৬) নিকষা যোগে দ্বিতীয়ার উদাহরণ — গ্রামং নিকষা নদী।
৩৭) প্রতি যোগে দ্বিতীয়ার উদাহরণ — দীনং প্রতি দয়া কুরু।
(৩) সমাস
১) সমাস শব্দের ব্যুৎপত্তি হল — সম্ – অস্ + ঘঞ্।
২) সমাস শব্দের অর্থ হল — সংক্ষেপ।
৩) দুই বা ততোধিক পদের মিলিত রূপকে বলে — সমস্তপদ।
৪) ব্যাসবাক্যের প্রত্যেক পদকে বলে — সমস্যমান পদ।
৫) “সমর্থঃ পদবিধিঃ” সূত্রটি বিধায়ক সূত্র — সমাস।
৬) “সমর্থঃ পদবিধিঃ” সূত্রটি শ্রেণিভুক্ত — পরিভাষাসূত্র।
৭) সমাসের ক্ষেত্রে ঠিক নয় — নামের সঙ্গে ধাতুর সমাস হয়।
৮) পাণিনি মতে সমাস — ৪ প্রকার।
৯) ‘পূর্ব পদের অর্থ প্রধান’ হয় — অব্যয়ীভাব সমাসে।
১০) ‘ভিক্ষায়াঃ অভাবঃ’ এর সমাসবদ্ধ পদ — অব্যয়ীভাব সমাস।
১১) অব্যয়ীভাব সমাস সাধারণত হয় — ক্লীবলিঙ্গ।
১২) অব্যয়ীভাব সমাসে ‘যথা’ শব্দটি প্রযুক্ত হয় — সাদৃশ্য অর্থে।
১৩) অব্যয়ীভাব সমাসে ‘বীপ্সার্থে’ প্রযুক্ত উপসর্গ — প্রতি।
১৪) অব্যয়ীভাব সমাসে ‘অনু’ উপসর্গ প্রযুক্ত হয় — পশ্চাৎ, যোগ্য ও উত্তরাধিকার — সবকটি অর্থে।
১৫) ‘যোগ্যার্থে’ হয় — অব্যয়ীভাব সমাস।
১৬) ‘নির্মক্ষিকম্’ পদটি — অব্যয়ীভাব সমাস।
১৭) ‘শক্তিম্ অনতিক্রম্য’ এর সমাসবদ্ধ পদ — অব্যয়ীভাব সমাস।
১৮) ‘পর পদের অর্থ প্রধান’ হয় — তৎপুরুষ সমাসে।
১৯) ‘বিভক্তি তৎপুরুষ’ সমাস — ছয় প্রকার।
২০) তৎপুরুষ সমাসের একটি ভাগ — কর্মধারয় সমাস।
২১) ‘রামস্য অনুজঃ’ এর সমাসবদ্ধ পদ — তৎপুরুষ সমাস।
২২) ‘অসুখম্’ পদটি — নঞ্ তৎপুরুষ সমাস।
২৩) ‘কিংসখা’ পদটি — কর্মধারয় সমাস।
২৪) ‘রাজর্ষিঃ’ পদটি — কর্মধারয় সমাস।
২৫) ‘দুগ্ধপানম্’ পদটি — তৎপুরুষ সমাস।
পৌরাণিক ও লৌকিক সংস্কৃত সাহিত্যের ইতিহাস
পৌরাণিক ও লৌকিক সাহিত্যের ইতিহাস ইউনিটের মধ্যে যে টপিকগুলি রয়েছে সেগুলি হল, (১) পুরাণের সংক্ষিপ্ত পরিচয় (২) ভাস, কালিদাস ও ভবভূতির সাহিত্যকৃতির সংক্ষিপ্ত পরিচয় (৩) আর্যভট্ট ও ব্রাহ্মগুপ্তের গ্রন্থ এবং সংক্ষিপ্ত পরিচয়
(১) পুরাণের সংক্ষিপ্ত পরিচয়
১) পুরাণগুলির রচয়িতা কে – মহর্ষি ব্যাস
২) ‘পুরাণ’ শব্দের অর্থ – প্রাচীনকাহিনি
৩) সায়ণ ‘পুরাণ’ শব্দের অর্থে বলেছেন – পুরাতন বৃত্তান্ত কথনরূপ আখ্যান
৪) পুরাণের লক্ষণ কয়টি – ৫ টি
৫) পুরাণের পাঁচটি লক্ষণ হল – সর্গ, প্রতিসর্গ, বংশ, মন্বন্তর ও বংশানুচরিত
৬) মহাপুরাণের সংখ্যা কত – ১৮ টি
৭) উপপুরাণের সংখ্যা কত – ১৮ টি
৮) শৈবপুরাণ কার অপর নাম – বায়ুপুরাণ
৯) সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রসিদ্ধপুরাণের নাম কী – স্কন্দপুরাণ
১০) সর্ববৃহৎ পুরাণের নাম কী – স্কন্দপুরাণ
১১) ক্ষুদ্রতম পুরাণের নাম কী – কূর্মপুরাণ
১২) স্কন্দপুরাণের শ্লোকসংখ্যা কত – ৮১,০০০ টি
১৩) পুরাণে কোন দেবতার প্রাধান্য দেখা যায় – ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর
১৪) কোন পুরাণ ‘পঞ্চমবেদ’ নামে পরিচিত – ভাগবতপুরাণ
১৫) কোন পুরাণকে ‘বিশ্বকোষ’ বলে – অগ্নিপুরাণ
১৬) পদ্মপুরাণে কয়টি খণ্ড পাওয়া যায় – ৯ টি
১৭) মৌর্য বংশের ইতিহাস কোন পুরাণ থেকে পাই – বিষ্ণুপুরাণ
১৮) গুপ্ত বংশের ইতিহাস কোন পুরাণ থেকে পাই – বায়ুপুরাণ
১৯) অন্ধ্র বংশের ইতিহাস কোন পুরাণ থেকে পাই – মৎস্যপুরাণ
২০) অগ্নির প্রাধান্যমূলক পুরাণ কোনটি – অগ্নিপুরাণ
২১) মৎস্যপুরাণে মনুকে রক্ষার কাহিনী বর্ণনা করেছেন – মৎস্য
২২) পুরাণকে বেদের পরিপূরক বলা হয় কেন – বেদের বহু দুর্বোধ্য মন্ত্রের অর্থ এখানে পাওয়া যায়
২৩) ভাগবতপুরাণে কয়টি স্কন্ধ পাওয়া যায় – ১২ টি
(২) ভাস
১) ভাসের নাটকগুলি কে আবিষ্কার করেন – টি. গণপতি শাস্ত্রী
২) টি. জি. শাস্ত্রীর (T. G. Sastri) পুরো নাম কি – তিরুবাগ্রহারম্ গণপতি শাস্ত্রী
৩) ভাসের নাটকগুলি আবিষ্কৃত হয় – ১৯০৯-১৯১১ সালে
৪) ভাস অন্য কি নামে পরিচিত – জ্বলনমিত্র
৫) ভাসকে জ্বলনমিত্র কে বলেছেন – বাক্পতিরাজ
৬) টি. গণপতি শাস্ত্রী ভাসের কতগুলি নাটক আবিষ্কার করেন – ১৩ টি
৭) ভাসের নাটকগুলি আবিষ্কৃত হয় – কেরল থেকে
৮) ভাসের নাটকগুলি কেরলের কোথা থেকে আবিষ্কৃত হয় – পদ্মনাভপুরম্ এর নিকট মনলিক্করনাথম্ থেকে
৯) ভাসের আবিষ্কৃত নাটকগুলির পাণ্ডুলিপি কোন্ হরফে রচিত – মালায়ালম্ হরফে
১০) ভাসের শ্রেষ্ঠ নাটক কোনটি – স্বপ্নবাসবদত্তম্
১১) ভাসের ভাগবতপুরাণ আশ্রিত নাটক কোনটি – বালচরিত
১২) ভাসের অসম্পূর্ণ নাটক কোনটি – চারুদত্ত
১৩) ‘চারুদত্ত’ নাটকে চারুদত্ত কে ছিলেন – দরিদ্র ব্রাহ্মণ
১৪) ভাসের কোন্ নাটকের উৎস বৃহৎকথ – স্বপ্নবাসবদত্তম্
১৫) ভাসের প্রকরণ শ্রেণির রূপক কোনটি – প্রতিজ্ঞাযৌগন্ধরায়ণ
১৬) ‘মৃচছকাটিক’ কোন্ নাটকের অনুকরণ – চারুদত্ত
১৭) ভাসের কোন্ নাটকে যুদ্ধদৃশ্য দেখানো হয়েছে – ঊরুভঙ্গ
১৮) ভাসের কোন্ নাটকে মৃত্যুদৃশ্য দেখানো হয়েছে – ঊরুভঙ্গ
১৯) মহাকবি ভাসের কোন্ নাটকে ভরতবাক্য নেই – দূতঘটোৎকচ
২০) ‘প্রতিমা’ নাটকের অঙ্ক সংখ্যা – ৭ টি
২১) ‘অভিষেক’ নাটকের অঙ্ক সংখ্যা – ৬ টি
২২) ‘পঞ্চরাত্র’ নাটকের অঙ্ক সংখ্যা – ৩ টি
২৩) ‘বালচারিত’ নাটকের অঙ্ক সংখ্যা – ৫ টি
২৪) ‘প্রতিজ্ঞাযৌগন্ধরায়ণ’ নাটকের অঙ্ক সংখ্যা – ৪ টি
২৫) ‘স্বপ্নবাসবদত্তম্’ নাটকের অঙ্ক সংখ্যা – ৬ টি
২৬) ‘অবিমারক’ নাটকের অঙ্ক সংখ্যা – ৬ টি
২৭) ‘অবিমারক’ নাটকে অবিমারক হলেন – বিষ্ণুসেন
২৮) ‘ভাসঃ হাসঃ’ বলেছেন – কবি জয়দেব
২৯) মহাকবি ভাসের একটি রাজনৈতিক নাটক হল – প্রতিজ্ঞাযৌগন্ধরায়ণ
৩০) বৃহৎ কথার কাহিনী অবলম্ব রচিত নাটকের সংখ্যা – ২ টি
৩১) রামায়ণ অবলম্ব রচিত নাটকের সংখ্যা – ২ টি
৩২) ভাসের কোন্ নাটকের উৎস বৃহৎকথা – প্রতিজ্ঞাযৌগন্ধরায়ণ
(৩) কালিদাস
১) কালিদাস কোন্ সময়ের কবি — খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতক থেকে খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতক
২) কালিদাস কোন্ রাজার সভাকবি ছিলেন — বিক্রমাদিত্য
৩) কালিদাস কয়টি নাটক রচনা করেন — ৩ টি
৪) কালিদাস প্রণীত সর্বশ্রেষ্ঠ নাটকের নাম কি — অভিজ্ঞানশকুন্তলম্
৫) ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম্’ কয় অঙ্কের নাটক — ৭ অঙ্কের
৬) ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম্’ নাটকের রস — শৃঙ্গার ও করুণ
৭) ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম্’ নাটকের নায়কের নাম — দুষ্যন্ত
৮) ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম্’ নাটকের নায়িকার নাম — শকুন্তলা
৯) ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম্’ নাটকের বিদূষকের নাম — মাধব্য
১০) ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম্’ নাটকে শিবের কয়টি মূর্তি বর্ণিত হয়েছে — ৮ টি
১১) ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম্’ নাটকটি প্রথম কোন্ ঋতুতে অভিনীত হয়েছিল — গ্রীষ্ম
১২) কালিদাস প্রণীত ‘ত্রোটক’ জাতীয় রূপকের উদাহরণ — বিক্রমোর্বশীয়ম্
১৩) ‘বিক্রমোর্বশীয়ম্’ কয় অঙ্কের নাটক — ৫ অঙ্কের
১৪) ‘বিক্রমোর্বশীয়ম্’ নাটকের মুখ্য রস — শৃঙ্গার
১৫) ‘বিক্রমোর্বশীয়ম্’ নাটকের নায়কের নাম — পুরূরবা
১৬) ‘বিক্রমোর্বশীয়ম্’ নাটকের নায়িকার নাম — ঊর্বশী
১৭) কালিদাস রচিত প্রথম নাটক কোনটি — মালবিকাগ্নিমিত্রম্
১৮) ‘মালবিকাগ্নিমিত্রম্’ কয় অঙ্কের নাটক — ৫ অঙ্কের
১৯) ‘মালবিকাগ্নিমিত্রম্’ নাটকের রস — শৃঙ্গার
২০) ‘মালবিকাগ্নিমিত্রম্’ নাটকের নায়কের নাম — অগ্নিমিত্র
২১) ‘মালবিকাগ্নিমিত্রম্’ নাটকের নায়িকার নাম — মালবিকা
২২) কালিদাস কয়টি মহাকাব্য রচনা করেন — ২ টি
২৩) রামায়ণের কাহিনী অবলম্বন করে মহাকবি কালিদাস কোন্ মহাকাব্য রচনা করেন — রঘুবংশম্
২৪) ‘রঘুবংশম্’ মহাকাব্যে কয়টি স্বর্গ আছে — ১৯ টি
২৫) ‘রঘুবংশম্’ মহাকাব্যে কয়টি শ্লোক আছে — ১৫৬৯ টি
২৬) ‘রঘুবংশম্’ মহাকাব্যে কতজন রাজার কথা আছে — ২৮ জন
২৭) কুমার কার্তিকের জন্মের সূচনা অবলম্বন করে মহাকবি কালিদাস কোন্ মহাকাব্য রচনা করেন — কুমারসম্ভবম্
২৮) ‘কুমারসম্ভবম্’ মহাকাব্যে কয়টি স্বর্গ আছে — ১৭ টি
২৯) সর্বশ্রেষ্ঠ গীতিকাব্যটির নাম কি — মেঘদূত
৩০) মেঘদূত কোন্ ছন্দে রচিত — মন্দাক্রান্তা
৩১) মেঘদূত কাব্যটি কয়ভাগে রচিত — ২ টি
৩২) মেঘদূত কাব্যের দুটি ভাগের নাম হল — পূর্বমেঘ ও উত্তরমেঘ
৩৩) মেঘদূত কাব্যে শ্লোক আছে — ১১৭ টি
(৪) ভবভূতি
১) কালিদাসোত্তর যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার কে ছিলেন – ভবভূতি
২) ভবভূতির জন্মস্থান কোথায় – পদ্মপুর
৩) ভবভূতির প্রকৃত নাম কি – শ্রীকণ্ঠভট্ট
৪) ভবভূতি কোন্ দেবতার উপাসক ছিলেন – শিবের
৫) ভবভূতি কোন্ ধর্মাবলম্বী ছিলেন – শৈব
৬) ভবভূতি কোন্ গোত্রের পন্ডিত ছিলেন – কশ্যপ
৭) ভবভূতি কোন্ সময়ের কবি ছিলেন – সপ্তম-অষ্টম শতকের
৮) মহাভারত অবলম্বনে নাটক রচনা করেননি – ভবভূতি
৯) রাজশেখর ভবভূতিকে কোন অভিধায় অভিহিত করেছেন – বাল্মীকির অবতার
১০) বিদূষক রহিত নাটক রচনা করেন – ভবভূতি
১১) ভবভূতি কয়টি নাটক রচনা করেন – ৩ টি
১২) ভবভূতির তিনটি নাটক হল – মালতীমাধব, মহাবীরচরিত ও উত্তররামচরিত
১৩) ভবভূতির প্রথম রচনা কোনটি – মালতীমাধব
১৪) ভবভূতির পরিণত বয়সের রচনা কোনটি – উত্তররামচরিত
১৫) ‘মালতীমাধব’ কোন্ জাতীয় দৃশ্যকাব্য – প্রকরণ
১৬) ‘মালতীমাধব’ নাটকের অঙ্ক সংখ্যা কত – ১০ টি
১৭) মালতীমাধব নাটকের মূল রস কি – শৃঙ্গার
১৮) ‘মালতীমাধব’ নাটকের নায়ক কে – মাধব
১৯) ‘মালতীমাধব’ নাটকের নায়িকা কে – মালতী
২০) ‘মহাবীরচরিত’ নাটকের অঙ্ক সংখ্যা কত – ৭ টি
২১) ‘মহাবীরচরিত’ নাটকের মূল রস কি – বীর
২২) ‘মহাবীরচরিত’ নাটকের নায়ক কে – রাম
২৩) ‘মহাবীরচরিত’ নাটকের নায়িকা কে – সীতা
২৪) ‘উত্তররামচরিত’ নাটকের অঙ্ক সংখ্যা কত – ৭ টি
২৫) ‘উত্তররামচরিত’ নাটকের মূল রস কি – করুণ
২৬) উত্তররামচরিত নাটকের উপজীব্য কাহিনী কি – রামায়ণের উত্তরকান্ড
২৭) ‘উত্তররামচরিত’ নাটক রামচন্দ্রের জীবনের কোন ঘটনার অবলম্বনে রচিত – রামচন্দ্রের উত্তর জীবনের ঘটনা অবলম্বনে
২৮) ‘উত্তররামচরিত’ নাটকের নায়ক কে – রামচন্দ্র
২৯) ‘উত্তররামচরিত’ নাটকের নায়িকা কে – সীতা
৩০) কোন নাটকে ছায়াদৃশ্যের অবতারণা করা হয়েছে – উত্তররামচরিত
৩১) ‘গর্ভনাটক’ কোন নাটকে দেখা যায় – উত্তররামচরিত
৩২) ভবভূতির একটি করুণ রসাত্মক নাটক কোনটি – উত্তররামচরিত
(৫) আর্যভট্ট ও ব্রাহ্মগুপ্তের গ্রন্থ এবং সংক্ষিপ্ত পরিচয়
১) গুপ্তযুগের নিউটন বলা হয় — আর্যভট্টকে।
২) প্রাচীন ভারতীয় জ্যোতির্বিদ ও গণিতবিদ আর্যভট্ট জন্মগ্রহণ করেন — ৪৭৬ খ্রিস্টাব্দে।
৩) আর্যভট্ট ছিলেন — জ্যোতির্বিদ।
৪) আর্যভট্টের জন্মস্থান — পাটলিপুত্রের নিকট কুসুমপুর।
৫) আর্যভট্টের গ্রন্থটির নাম — আর্যভট্টীয়ম্।
৬) ‘আর্যভট্টীয়ম্’ গ্রন্থটির বিষয়বস্তু — জ্যোতির্বিজ্ঞান ও গণিত।
৭) ‘গণিত’ শব্দের অর্থ — হিসেবনিকেশ।
৮) ‘আর্যভট্টীয়ম্’ গ্রন্থে শ্লোক আছে — ১২১ টি।
৯) ‘আর্যভট্টীয়ম্’ গ্রন্থটি — শ্লোকে রচিত।
১০) ‘আর্যভট্টীয়ম্’ গ্রন্থটি রচিত হয়েছে — ৪টি অধ্যায়ে।
১১) গীতিকাপাদে শ্লোক আছে — ১৩ টি।
১২) গণিতপাদে শ্লোক আছে — ৩৩ টি।
১৩) কালকক্রিয়াপাদে শ্লোক আছে — ২৫ টি।
১৪) গোলপাদে শ্লোক আছে — ৫০ টি।
১৫) আর্যভট্ট গণিতে প্রবর্তন করেছিলেন — শূন্যের ধারণা।
১৬) আর্যভট্ট প্রথমবার ব্যাখ্যা করেছিলেন — শূন্যের ধারণা।
১৭) প্রাচীন ভারতে গণিতে ‘সাইন’ ধারণাটি প্রবর্তন করেছিলেন — আর্যভট্ট।
১৮) সৌর বছরের দৈর্ঘ্য সঠিকভাবে গণনা করেছিলেন — আর্যভট্ট।
১৯) আর্যভট্ট প্রবর্তন করেছিলেন — সূর্যকেন্দ্রিক তত্ত্ব।
২০) আর্যভট্ট প্রথম বলেন — পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘোরে।
২১) ‘ব্রহ্মস্ফুটসিদ্ধান্ত’ রচনা করেছিলেন — ব্রহ্মগুপ্ত।
২২) ব্রহ্মগুপ্ত জন্মগ্রহণ করেন — ৫৯৮ খ্রিস্টাব্দে।
২৩) ব্রহ্মগুপ্তের জন্মস্থান — রাজস্থানের ভিল্লমল (বর্তমানে ভিনমল)।
২৪) ব্রহ্মগুপ্তের পিতার নাম — জিষ্ণুগুপ্ত।
২৫) ‘ব্রহ্মস্ফুটসিদ্ধান্ত’ রচিত হয়েছে — ২৪টি অধ্যায়ে।
২৬) ‘ব্রহ্মস্ফুটসিদ্ধান্ত’ ছাড়া ব্রহ্মগুপ্তের অন্য গ্রন্থ — খন্ডখাদ্যক।
27) ‘খন্ডখাদ্যক’ গ্রন্থটি বিভক্ত হয়েছে — ২টি অংশে।
28) ‘খন্ডখাদ্যক’-এর দুটি অংশ — মূলখন্ডখাদ্যক ও উত্তরখন্ডখাদ্যক।
29) ব্রহ্মগুপ্ত ‘খন্ডখাদ্যক’ রচনা করেন — ৬৬৫ খ্রিস্টাব্দে।
30) বৈদিক সাহিত্যের যে অংশে প্রাচীন গাণিতিক পদ্ধতির উল্লেখ রয়েছে — শুল্বসুত্রে।
WBCHSE HS 3rd Semester Sanskrit Suggestion 2025 PDF: উচ্চমাধ্যমিক সংস্কৃত সাজেশন ডাউনলোড
সংস্কৃত শুধু মুখস্থ করার বিষয় নয়, আসল ব্যাপার হলো বুঝে পড়া। ভালো নম্বর পেতে হলে বই ভালোভাবে পড়তে হবে, প্রতিটি অধ্যায়ের মূল জিনিসগুলো বুঝতে হবে আর নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে। ছোট ছোট One Liner প্রশ্নোত্তর বারবার করলে সহজে রিভিশন হবে আর আত্মবিশ্বাসও বাড়বে। মনে রেখো—নিয়মিত পড়াশোনা, সময় মেনে অনুশীলন আর একটু অধ্যবসায় থাকলে পরীক্ষায় নিশ্চয়ই ভালো নম্বর পাবে।
সাজেশন | তথ্য |
---|---|
HS 3rd Semester Sanskrit Suggestion (অধ্যায় ভিত্তিক সংস্কৃত তৃতীয় সেমিস্টার প্রশ্ন উত্তর) | 17 Pages |
↓ PDF Download | 1.8 MB |
উচ্চমাধ্যমিক 3rd Sem সমস্ত বিষয়ের সাজেশন | Click Here |
উচ্চমাধ্যমিক Class 12 সেমিস্টার প্রস্তুতির জন্য অবশ্যই আমাদের “টার্গেট” whatsapp গ্রুপ জয়েন করতে পারো: Join Group Now ↗
যারা HS Class 12 3rd Semester Sanskrit Suggestion খুঁজছেন, তাদের জন্য এখানে দেওয়া হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উচ্চ মাধ্যমিক তৃতীয় সেমিস্টার সংস্কৃত সাজেশন 2025। এই সাজেশনে থাকছে MCQ Question Answer, Short Notes এবং Important Topics যা তোমার WBCHSE HS Sanskrit 3rd Semester Exam 2025-এ অত্যন্ত কাজে লাগবে।
- HS 3rd Semester Sanskrit Suggestion 2025
- HS Class 12 Sanskrit MCQ Question Answer
- WBCHSE Sanskrit Suggestion PDF Download
- উচ্চ মাধ্যমিক সংস্কৃত সাজেশন 2025
- HS Sanskrit 3rd Semester Notes PDF.
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হোন -
আরও আপডেট »