দ্বাদশ শ্রেণির তৃতীয় সেমিস্টারে ভূগোল (WB HS Class 12 3rd Semester Geography) পরীক্ষায় নতুন প্রশ্ন কাঠামোতে সাধারণত নির্দিষ্ট কয়েকটা অধ্যায় থেকে বেশি প্রশ্ন আসবে, তাই সেই অংশগুলিকে ভালোভাবে পড়া জরুরি। আবার পরীক্ষার আগে ছোট ছোট One Liner প্রশ্নোত্তর অনুশীলন করলে খুব দ্রুত রিভিশন হয় আর উত্তর দেওয়ার আত্মবিশ্বাসও বাড়ে। এই সাজেশন তোমাদের পড়াশোনাকে সহজ করে তুলবে এবং পরীক্ষায় ভালো করতে সাহায্য করবে।
HS Class 12 Semester-3 Geography Suggestion: উচ্চ মাধ্যমিক তৃতীয় সেমিস্টার ভূগোল সাজেশন
উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণির ভূগোল তৃতীয় সেমিস্টার পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেতে হলে প্রথমেই সিলেবাস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা দরকার। কোন কোন অধ্যায় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে, তা আগে থেকে জানা থাকলে পড়াশোনা অনেক বেশি গুছিয়ে করা যায়। নিচে টেবিল আকারে সম্পূর্ণ সিলেবাস দেওয়া হলো, যাতে ছাত্রছাত্রীরা এক নজরে ভূগোলের প্রতিটি অধ্যায় বুঝে নিতে পারে এবং পরীক্ষার জন্য সঠিকভাবে প্রস্তুতি নিতে পারে।
Unit – অধ্যায় | বিষয়বস্তু |
---|---|
Unit – 1 :প্রাকৃতিক ভূগোলের ধারণা – 15 Marks | |
অধ্যায় ১ | ভূগাঠনিক বিদ্যা |
অধ্যায় ২ | ভূমিরূপ গঠনের শক্তি প্রক্রিয়া |
অধ্যায় ৩ | জলবায়ু |
অধ্যায় ৪ | বারিমন্ডল |
অধ্যায় ৫ | জীবমন্ডল |
Unit – 2 : মানবীয় ভূগোলের প্রাথমিক ধারণা – 10 Marks | |
অধ্যায় ৬ | জনসংখ্যা |
অধ্যায় ৭ | জনবসতি |
Unit – 3 : ভারতের ভূগোল – 10 Marks | |
অধ্যায় ৮ | ভারতের জনসংখ্যা |
অধ্যায় ৯ | ভারতের জলসম্পদ |
অধ্যায় ১০ | ভারতের খনিজ ও শক্তি সম্পদ |
অধ্যায় ১১ | ভারতের কৃষিকাজ |
অধ্যায় ১২ | ভারতের পরিবহন ও যোগাযোগ |
অধ্যায় ১৩ | ভারতের বাণিজ্য ও অর্থনীতি |
অধ্যায় ১: ভূগাঠনিক বিদ্যা
১) ‘The origin of continents and ocean’ গ্রন্থটির লেখক হলেন – ওয়েগনার
২) আদি জলভাগ বলতে বোঝানো হয় – প্যানথালাসা
৩) প্যানজিয়ার দক্ষিণ অংশ পরিচিত হয় – গণ্ডোয়ানাল্যান্ড নামে
৪) আঙ্গারাল্যান্ড ও গণ্ডোয়ানাল্যান্ডের মধ্যে অবস্থিত সংকীর্ণ অগভীর সমুদ্রটির নাম – টেথিস সাগর
৫) প্যানজিয়ার কেন্দ্রে অবস্থান করতো – আফ্রিকা মহাদেশ
৬) যে বলের প্রভাবে মহাদেশ গুলি পশ্চিম দিকে সঞ্চালিত হয়েছিল – জোয়ারী বল
৭) আটলান্টিক মহাসাগরের দুপাশের উপকূল বরাবর মহাদেশ গুলির জোড়া লাগার ঘটনাকে বলা হয় – জিগ-স-ফিট
৮) মহাদেশের অনুভূমিক সঞ্চরণ তত্ত্বের প্রবক্তা ছিলেন – এফ বি টেলর
৯) প্যানজিয়ার মোট ভাঙ্গন ঘটেছে – দুবার
১০) মহীসঞ্চরণ মতবাদ অনুসারে ভারতের সঞ্চরণ ঘটেছে – উত্তর দিকে
১১) মহাদেশীয় ভূখণ্ড গুলি সঞ্চরণ শুরু করেছিল – দক্ষিণ মেরু থেকে
১২) মহীসঞ্চরণের স্বপক্ষে একটি পুরাজীবীয় প্রমাণ হল – উদ্ভিদের জীবাশ্ম
১৩) ওয়েগনারের মতে মহাদেশীয় সঞ্চালনের শক্তি ছিল – প্লবতা ও জোয়ারি শক্তি
১৪) জিগ-স-ফিট হল – বিভিন্ন মহাদেশের প্রান্তভাগের মধ্যে মিলের সমতা
১৫) মহীসঞ্চরণ তত্ত্বের স্বপক্ষে যুক্তির সঙ্গে যুক্ত নয় – সমস্থিতি মতবাদ
১৬) ‘মেসোসরাস’ হল – ক্ষুদ্রাকার কুমিরের জীবাশ্ম
১৭) ‘গ্লসপটেরিস’ হল – ফার্নজাতীয় গাছের জীবাশ্ম
১৮) ওয়েগনারের মতে উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, উত্তর ও মধ্য এশিয়া একত্রে গঠন করেছিল – লরেসিয়া
১৯) আঙ্গারাল্যান্ড ও গন্ডোয়ানাল্যান্ডের মাঝে অবস্থিত টেথিস প্রকৃতপক্ষে ছিল একটি – মহিখাত
২০) মহীসঞ্চরণ তত্ত্বের স্বপক্ষে যুক্তির সঙ্গে যুক্ত নয় – সমস্থিতি মতবাদ
২১) আলফ্রেড ওয়েগনার ‘মেরু থেকে যাত্রা’ বলতে বোঝান – মহাদেশীয় ভূখণ্ডগুলির দক্ষিণ মেরুর থেকে দূরে সঞ্চরণ
২২) মহীসঞ্চরণের কারণ হল – জোয়ারি টান, অভিকর্ষজ বৈষম্য ও গুরুমণ্ডলের তেজস্ক্রিয় পদার্থের পরিচলন স্রোত
২৩) জিগ-স-ফিট হল – বিভিন্ন মহাদেশের প্রান্তভাগের মধ্যে মিলের সমতা
২৪) মহীসঞ্চরণ তত্ত্বের যে দুর্বলতাটি সঠিক নয় তা হল – প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ তেলের বণ্টনের অসমতা রয়েছে
২৫) বিভিন্ন যুগে প্যানজিয়ার চলন ও অবস্থার ক্রম হল – প্যানজিয়া নিরক্ষরেখা বরাবর দুটি খণ্ডে বিভক্ত → গন্ডোয়ানাল্যান্ডের গঠন → লরেসিয়ার গঠন → প্যানথালাসার অবশিষ্টাংশ রূপে প্রশান্ত মহাসাগরের জন্ম।
অধ্যায় ২: ভূমিরূপ গঠনের শক্তি প্রক্রিয়া
১) পুঞ্জিত ক্ষয়ের প্রধান চালিকাশক্তি – অভিকর্ষজ বল
২) পুঞ্জিত ক্ষয়ের দ্রুত প্রবাহের অন্তর্গত – ধ্বস
৩) সলিফ্লাকশন সংঘটিত হয় – পরিহিমবাহ অঞ্চলে
৪) পুঞ্জিত ক্ষয়ের প্রথম বিজ্ঞানসম্মত ধারণা দেন – স্টুয়ার্ট শার্প
৫) বহির্জাত প্রক্রিয়ার অন্তর্গত নয় – অগ্নুৎপাত
৬) পুঞ্জিত ক্ষয়ের সর্বাপেক্ষা ধীর প্রক্রিয়া – শিলা বিসর্পণ
৭) অবরোহন ও আরোহণের সম্মিলিত ফল – পর্যায়ণ
৮) ভূপৃষ্ঠের উপরের পদার্থ ধীরে ঢাল বরাবর নামলে তাকে বলে – বিসর্পণ
৯) খাড়া ঢাল থেকে শিলার হঠাৎ পতনকে বলে – শিলা পতন
১০) ভূ-আলোড়ন জনিত শক্তি প্রভাব ফেলে – ধ্বসের উপর
১১) ভারতের বৃহত্তম হিমবাহ – সিয়াচেন
১২) হিমদ্রোণী আকৃতি – U
১৩) নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন বহিঃবিধৌত সমভূমি – ভ্যালিট্রেন
১৪) হিমবাহের সঞ্চয় কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ – এসকার
১৫) মহাদেশীয় হিমবাহের বরফমুক্ত পর্বতশৃঙ্গ – নুনাটাকস
১৬) পৃথিবীর দ্রুততম হিমবাহ – জ্যাকবসন
১৭) যে রেখার নিচে হিমবাহ গলে যায় – হিমরেখা
১৮) ঝুলন্ত উপত্যকায় দেখা যায় – জলপ্রপাত
১৯) ম্যাটারহর্ন একটি উদাহরণ – পিরামিড চূড়া
২০) ভারতের একটি পিরামিড চূড়ার উদাহরণ – ম্যাটারহর্ন
২১) আন্টার্টিকার ওয়ালকট – পৃথিবীর বৃহত্তম সার্ক
২২) দুটি করির মধ্যবর্তী ভূমিরূপ – এরিটি
২৩) হিমশৈল – সমুদ্র জলে ভাসমান বরফের টুকরো
২৪) বহিঃধৌত সমভূমির মাঝে মাঝে সৃষ্ট গর্ত – কেটল
২৫) হিমবাহের সঞ্চয় কার্যের ফলে গঠিত ভূমিরূপ – ড্রামলিন
২৬) ভৌম জলের প্রধান উৎস – আবহিক জল
২৭) চুনাপাথর যুক্ত অঞ্চলে অদ্রবণীয় লাল কর্দমময় স্তর – টেরারোসা
২৮) পৃথিবীর গভীরতম কাস্ট গুহা – গুফ্রে বার্জার।
অধ্যায় ৩: জলবায়ু
১) বায়ুতে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতিকে বলা হয় – আর্দ্রতা
২) ঘনীভবনের অনুকূল শর্ত হল –আপেক্ষিক আর্দ্রতা, শীতলীভবনের হার, জলাকর্ষী কণার উপস্থিতি
৩) পাখির পালকের মতো দেখতে মেঘ হল – সিরাস মেঘ
৪) অধঃক্ষেপণের প্রধান রূপ হল – বৃষ্টিপাত
৫) ভারতের একটি বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলের উদাহরণ হল – শিলং
৬) যে প্রক্রিয়াটি অধঃক্ষেপনের অন্তর্গত নয় – কুয়াশা
৭) চরম বা নিরপেক্ষ আর্দ্রতা পরিমাপের একক হল – গ্রাম প্রতি ঘনমিটার
৮) আপেক্ষিক আর্দ্রতা পরিমাপের একক হল – শতকরা
৯) হড়পা বানের প্রধান কারণ হল – মেঘ ভাঙ্গা বৃষ্টি
১০) যে মেঘযুক্ত আকাশকে ‘ম্যাক্যারেল আকাশ’ বলা হয় – সিরো কিউমুলাস
১১) যে ঋতুতে আপেক্ষিক আর্দ্রতা সবচেয়ে কম হয় – শীত ঋতুতে
১২) ঘনীভবন শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেছিলেন – কির্চার
১৩) সংঘর্ষ সম্মেলন তত্ত্বের প্রবক্তা ছিলেন – বোয়েন
১৪) অ্যাসিড বৃষ্টির pH মান হয় – 5.6
১৫) আপেক্ষিক আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্রের নাম – সাইক্রোমিটার
১৬) বায়ুমণ্ডলের আপেক্ষিক আর্দ্রতা হ্রাস পেলে ঘনীভবনের পরিমাণ – হ্রাস পায়
১৭) আয়তন বৃদ্ধির মাধ্যমে বায়ুর শীতলীকরণকে বলা হয় – অ্যাডিয়াবেটিক পদ্ধতি
১৮) আয়তন অপরিবর্তিত রেখে বায়ুর শীতলীকরণকে বলা হয় – ডায়াবেটিক পদ্ধতি
১৯) শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাতের ক্ষেত্রে যে উক্তিটি সঠিক নয় তা হল – পর্বতের উপরিভাগে বরফ থাকলে, এই বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম হয়
২০) ভারতে সবচেয়ে বেশি যে ধরনের বৃষ্টিপাত পরিলক্ষিত হয় – পরিচলন বৃষ্টিপাত ও শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত।
অধ্যায় ৪: বারিমন্ডল
১) সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়কারী যন্ত্রের নাম – ইকোসাউন্ডার
২) মহীসোপান অঞ্চলের গড় গভীরতা – ২০০ মিটার
৩) আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে ডলফিন উচ্চভূমি ও চ্যালেঞ্জার উচ্চভূমি যে সামুদ্রিক খাত দ্বারা বিচ্ছিন্ন – রোমান্স খাত
৪) সমুদ্র জলের প্রধান লবণ হল – সোডিয়াম ক্লোরাইড
৫) মধ্য সামুদ্রিক শৈলশিরার উত্তর অংশের নাম – ডলফিন
৬) চুন জাতীয় সিন্ধুকর্দের উদাহরণ হল – টেরোপড
৭) সর্বাধিক ফেরো-ম্যাঙ্গানিজ নডিউলস সঞ্চিত আছে – প্রশান্ত মহাসাগরে
৮) সমুদ্রের গড় লবণতার পরিমাণ (সহস্ত্রাংশে) – 35%
৯) সমুদ্রের সমান লবণতা যুক্ত স্থানগুলিকে যে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যোগ করা হয় – আইসোহেলাইন
১০) নিরক্ষরেখায় সমুদ্রপৃষ্ঠে জলের গড় উষ্ণতা – 26.7°C
১১) পৃথিবীর উষ্ণতম মহাসাগর হল – প্রশান্ত মহাসাগর
১২) নিম্নলিখিত সাগরের মধ্যে লবণতা অপেক্ষাকৃত বেশি – লোহিত সাগর
১৩) গভীর সমুদ্রে নিমজ্জিত চ্যাপ্টা শীর্ষ দেশবিশিষ্ট পাহাড়কে বলা হয় – গায়ট
১৪) সমুদ্রের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অঞ্চল হল – মহীসোপান
১৫) ৯০ ডিগ্রী পূর্ব শৈলশিরা অবস্থিত – ভারত মহাসাগরে
১৭) ঢালের অধোঃক্রম – মহিঢাল > সামুদ্রিক ক্যানিয়ন > মহিজাগান > মহিসোপান
১৮) সমুদ্রজলের ঘনত্ব প্রকাশ পায় – gm/cm³
১৯) পিকনোক্লাইন হল – সমুদ্রের অঞ্চল যেখানে দ্রুত ঘনত্বের পরিবর্তন হয়
২০) সমুদ্রের লবণতা মাপার যন্ত্র – স্যালিনোমিটার।
অধ্যায় ৫: জীবমন্ডল
১) মৃত উদ্ভিদ–প্রাণীর দেহাবশেষ খেয়ে বাঁচা জীবকে বলে → ডেট্রিভোর
২) “বাস্তুতন্ত্র” শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন → এ.জি. ট্যান্সলে
৩) বাস্তুতন্ত্রের শক্তির প্রধান উৎস → সূর্য
৪) দুটি ভিন্ন বাস্তুতন্ত্রের মাঝের মিশ্র অঞ্চল → ইকোটন
৫) পৃথিবীর বৃহত্তম বাস্তুতন্ত্র → জীবমন্ডল
৬) বাস্তুতন্ত্রে শক্তি প্রবাহ সর্বদা → একমুখী
৭) ব্যাকটেরিয়া এক প্রকার → বিয়োজক
৮) খাদ্যের যোগান সংক্রান্ত স্তর → ট্রপিক লেভেল
৯) ইকোলজির জনক → হেকেল
১০) একই পুষ্টি স্তরে অবস্থান করে → হরিণ ও গরু
১১) খাদ্যজাল সর্বদা → বহুমুখী
১২) স্থির জলের বাস্তুতন্ত্র → লেনটিক বাস্তুতন্ত্র
১৩) উল্টানো পিরামিড দেখা যায় → পরজীবী বাস্তুতন্ত্রে
১৪) শক্তি স্থানান্তরের পরিমাণ → ১০%
১৫) সমস্ত উদ্ভিদ ও প্রাণীকে একত্রে বলে → সজীব বা জৈব উপাদান
১৬) পুষ্টি সংগ্রহের এলাকা → ইকোলজিক্যাল নিচ
১৭) ১০% সূত্রের প্রবক্তা → লিন্ডেম্যান
১৮) জীবমণ্ডলের গড় বিস্তার → ৩০ কিমি
১৯) এক স্তর থেকে অন্য স্তরে শক্তি প্রবাহ → খাদ্যশৃঙ্খল
২০) নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে → উৎপাদক।
অধ্যায় ৬: জনসংখ্যা
১) মোট জনসংখ্যা ÷ মোট জমির পরিমাণ – জনঘনত্ব
২) কোনো দেশের মানুষ-জমির আদর্শ অনুপাতকে বলা হয় – কাম্য জনসংখ্যা
৩) উন্নয়নশীল দেশগুলির বয়স-লিঙ্গ পিরামিডের আকৃতি – তীক্ষ্ণ শীর্ষ পিরামিড
৪) ভারতের যে রাজ্যে জনঘনত্ব সবচেয়ে বেশি – বিহার
৫) 2011 খ্রিস্টাব্দের আদমশুমারি অনুযায়ী ভারতের গড় জনঘনত্ব – 382 জন/বর্গকিমি
৬) জনবিবর্তন মডেল প্রথম প্রবর্তন করেন – থম্পসন
৭) জনসংখ্যা পিরামিড দ্বারা বোঝানো হয় – বয়স অনুযায়ী নারী-পুরুষ
৮) ব্রেন-ড্রেন (Brain-drain) বলতে বোঝায় – অতি উন্নত মেধার একদেশ থেকে অন্যদেশে গমন
৯) ব্রেন-ড্রেন (মেধা প্রবাহ) কোন্ পরিব্রাজনের অংশ – আন্তর্জাতিক পরিব্রাজন
১০) উপকূল অঞ্চল অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ার কারণ – সবকটি কারণই প্রযোজ্য
১১) সেন্সাস অনুযায়ী শহরের ন্যূনতম অকৃষি কাজে নিয়োজিত মানুষের শতাংশ – 75%
১২) 2011 সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ভারতে প্রতি হাজার পুরুষে নারীর সংখ্যা – 940.
অধ্যায় ৭: জনবসতি
১) পৌরপুঞ্জ বা কনারবেশন কথাটি ব্যবহার করেন – পেট্রিক গ্রেডেস
২) বন্যার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য গড়ে ওঠে – শুষ্ক বিন্দু বসতি
৩) মহানগরের জনসংখ্যা হয় – 10 লক্ষের বেশি
৪) আফ্রিকার জুলু উপজাতিদের বসতির নকশা – বৃত্তাকার
৫) ক্ষুদ্র ও বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ জনবসতিকে বলে – হ্যামলেট
৬) দুটি রাস্তা সমকোণে মিলিত হলে যে আকৃতির বসতি গড়ে ওঠে তা হল – ‘L’-আকৃতির
৭) কার্যাবলির ভিত্তিতে বারাণসী শহরটি হল – ধর্মীয় শহর
৮) C.B.D.-এর পুরো কথা হল – Central Business District
৯) অধিবাসীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সংযোগ বেশি হয় অর্থাৎ সামাজিক নৈকট্য বেশি, যে ধরনের বসতিতে – গোষ্ঠীবদ্ধ বসতি
১০) গ্রামের প্রশাসনিক নাম বা পোশাকি নাম হল – মৌজা।
তোমাদের সেমিস্টারের প্রস্তুতি, মক টেস্ট, প্র্যাকটিস MCQ জন্য অবশ্যই EduTips App – বিনামূল্যে কোর্সে জয়েন করতে পারো।
অধ্যায় ৮: ভারতের জনসংখ্যা
১) 2011 সালের জনগণনা অনুযায়ী ভারতের জনসংখ্যা কত? – 121.0 কোটি
২) ভারতে সবচেয়ে বেশি জনঘনত্বের রাজ্য কোনটি? – বিহার (1102 জন/কিমি², 2011)
৩) ভারতের সবচেয়ে কম জনঘনত্বের রাজ্য কোনটি? – অরুণাচল প্রদেশ (17 জন/কিমি²)
৪) নিচের কোন শহরে জনঘনত্ব সবচেয়ে বেশি? – মুম্বাই (20,692 জন/কিমি²)
৫) গাঙ্গেয় সমভূমিতে জনসংখ্যা ঘন হওয়ার প্রধান কারণ কী? – উর্বর মাটি
৬) 2023 সালে ভারতের আনুমানিক জনসংখ্যা কত? – 142.9 কোটি
৭) ভারতের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত? – 0.98% (2023)
৮) নিচের কোন রাজ্যে জন্মহার সবচেয়ে বেশি? – বিহার
৯) ভারতের লিঙ্গানুপাত (2023) কত? – 1020 (প্রতি 1000 পুরুষে 1020 নারী)
১০) ভারতের কর্মক্ষম জনসংখ্যার (15-64 বছর) শতকরা হার কত? – 65%
১১) ভারতের কোন রাজ্যে নারী-পুরুষ অনুপাত সবচেয়ে বেশি? – কেরালা (1084 নারী প্রতি 1000 পুরুষ)
১২) 2011 সালের জনগণনা অনুযায়ী ভারতের সাক্ষরতার হার কত ছিল? – 74.0%
১৩) ভারতের কোন বয়স গ্রুপকে ‘জনসংখ্যার ভার’ বলা হয়? – 0-14 বছর
১৪) ভারতের মোট প্রজনন হার (TFR) 2023 সালে কত? – 2.0
১৫) ভারতের জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ নয় কোনটি? – বিবাহের গড় বয়স বৃদ্ধি
১৬) ভারতের কোন রাজ্যে জন্মহার সবচেয়ে কম? – তামিলনাড়ু
১৭) জনসংখ্যা স্থিতিশীলতা অর্জনের শর্ত কী? – TFR = 2.1
১৮) ভারতের কোন শহরের জনঘনত্ব সবচেয়ে কম? – ইটানগর
১৯) ভারতের মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ গ্রামে বাস করে? – 65%
২০) ভারতের প্রথম জনগণনা কবে হয়েছিল? – 1872
২১) ভারতের মোট জনসংখ্যা প্রায় কত কোটি? – 139 কোটি
২২) ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য কোনটি? – উত্তরপ্রদেশ
২৩) ভারতের গড় আয়ু কত বছর? – 69 বছর
২৪) ভারতের সাক্ষরতার হার কত শতাংশ? – 74%
২৫) ভারতের জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে কত? – 420
২৬) ভারতে প্রতি 1000 জনে নারী সংখ্যা কত? – 940
২৭) ভারতের জন্মহার প্রতি 1000 জনে কত? – 20
২৮) ভারতের শিশুমৃত্যু হার প্রতি 1000 জীবিত শিশুর মধ্যে কত? – 31
২৯) ভারতে গ্রামীণ জনসংখ্যার হার কত শতাংশ? – 65%
৩০) ভারতের শহুরে জনসংখ্যার হার কত শতাংশ? – 35%
৩১) ভারতের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার গত দশকে কত শতাংশ? – 17.6%
৩২) ভারতের সবচেয়ে কম জনবহুল রাজ্য কোনটি? – সিকিম
৩৩) ভারতের জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি রাজ্য কোনটি? – বিহার
৩৪) ভারতে সবচেয়ে বেশি জনবহুল জেলা কোনটি? – উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদ
৩৫) ভারতের জনসংখ্যা পরিমাপের জন্য প্রতি 10 বছর অন্তর কী হয়? – আদমশুমারি
৩৬) ভারতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রধান কারণ কী? – উচ্চ জন্মহার
৩৭) ভারতের সবচেয়ে বেশি জনবহুল শহর কোনটি? – মুম্বাই
৩৮) ভারতে নারীর গড় আয়ু পুরুষের তুলনায় কেমন? – বেশি
৩৯) ভারতে শিশু মৃত্যুহার কমাতে প্রধান ভূমিকা রাখে কী? – টিকাদান
৪০) ভারতে জনসংখ্যার চাপ কমানোর জন্য সরকার কী প্রচার করে? – পরিবার পরিকল্পনা।
অধ্যায় ৯: ভারতের জলসম্পদ
১) ভারতের মোট ব্যবহারযোগ্য জলসম্পদ কত? – 1,122 বিলিয়ন কিউবিক মিটার (BCM)
২) ভারতের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত কত? – 118 সেমি
৩) কোন নদী ব্যবস্থা ভারতে সর্বাধিক জল সরবরাহ করে? – গঙ্গা
৪) ভারতের ভূগর্ভস্থ জলের শতকরা হার কত? – 40%
৫) ভারতের সবচেয়ে বেশি ভূগর্ভস্থ জল ব্যবহারকারী রাজ্য কোনটি? – পাঞ্জাব
৬) “জলশক্তি মন্ত্রক” কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? – 2019
৭) “জল জীবন মিশন”-এর প্রধান লক্ষ্য কী? – গ্রামীণ এলাকায় পানীয় জল সরবরাহ
৮) নিচের কোনটি জল সংরক্ষণের পদ্ধতি নয়? – ফ্লাড ইরিগেশন
৯) “নমামি গঙ্গে” প্রকল্পের উদ্দেশ্য কী? – গঙ্গা নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ
১০) ভারতের প্রথম রাষ্ট্রীয় জল নীতি কবে ঘোষিত হয়? – 1987
১১) অববাহিকা ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য কী? – মাটির ক্ষয় রোধ ও জল সংরক্ষণ
১২) অববাহিকা উন্নয়ন প্রকল্পের উদাহরণ কোনটি? – সুকোমাজরি প্রকল্প (রাজস্থান)
১৩) “হোল্ডিং পন্ড” কী? – বৃষ্টির জল সংরক্ষণ পদ্ধতি
১৪) কোন রাজ্যে “টাঙ্কা” পদ্ধতিতে জল সংরক্ষণ করা হয়? – রাজস্থান
১৫) “জোহড” পদ্ধতি কোন রাজ্যে প্রচলিত? – রাজস্থান
১৬) ভারতের মোট চাষযোগ্য জমির কত শতাংশ সেচের আওতায়? – 48%
১৭) ড্রিপ সেচের সুবিধা কী? – জল অপচয় কম, শস্য উৎপাদন বৃদ্ধি, লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ (সবগুলোই)
১৮) ভারতের সবচেয়ে বেশি সেচিত জমি কোন রাজ্যে? – পাঞ্জাব
১৯) “পেরেনিয়াল ক্যানাল সিস্টেম”-এর প্রবক্তা কে? – স্যার আর্থার কটন
২০) “স্প্রিংকলার সেচ” কোথায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়? – পাঞ্জাব
২১) ভারতের সবচেয়ে দীর্ঘ নদী কোনটি? – গঙ্গা
২২) ভারতের জলসম্পদের প্রায় কত শতাংশ কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়? – 85%
২৩) ভারতে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় কোন অঞ্চলে? – উত্তর-পূর্ব অঞ্চল
২৪) ভারতের বৃহত্তম জলাধার কোনটি? – হিরাকুন্ড বাঁধ
২৫) ভারতের সর্ববৃহৎ নদী জলের সঞ্চয় কোন নদীতে? – নর্মদা নদী
২৬) ভারতের কোন নদী ত্রিপুরা, আসাম ও বাংলাদেশ দিয়ে প্রবাহিত হয়? – ব্রহ্মপুত্র
২৭) ভারতে বর্ষাকালে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত কোন মাসে হয়? – জুলাই
২৮) উত্তর ভারতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নদী কোনটি? – গঙ্গা
২৯) ভারতের জলসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য প্রধান ভূমিকা পালন করে কোন বিভাগ? – সেচ বিভাগ
৩০) ভারতে জলঘাটতি দেখা দেয় প্রধানত কোন অঞ্চলে? – মরুভূমি অঞ্চল
৩১) ভারতের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প কোনটি? – নর্মদা নালা প্রকল্প
৩২) ভারতে নদী দ্বারা সেচের পরিমাণ কত শতাংশ? – 50%
৩৩) ভারতের বৃহত্তম জলাধার কোন বাঁধ? – হিরাকুন্ড বাঁধ
৩৪) ভারতের সবচেয়ে বড় নদী যা বঙ্গোপসাগরে পড়ে – গঙ্গা
৩৫) ভারতে জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রধানত কোন কিছুর উপর নির্ভরশীল? – বর্ষা
৩৬) ভারতে জলের প্রাচুর্য বেশি দেখা যায় কোন অঞ্চলে? – কেরালা
৩৭) তিস্তা বাঁধ অবস্থিত কোন রাজ্যে? – পশ্চিমবঙ্গ
৩৮) ভারতের নদীগুলো প্রধানত কোন উৎস থেকে উৎপন্ন হয়? – হিমালয়
৩৯) মেঘালয়ের কোন অঞ্চলে ভারতের বহু নদীর উৎপত্তি? – চেরাপুঞ্জি
৪০) ভারতের জলসম্পদ রক্ষায় প্রধান চ্যালেঞ্জ কী? – নদীর দূষণ
৪১) জলসম্পদ কাকে বলে? – মানুষের ব্যবহার্য ও উপযোগী উৎস থেকে প্রাপ্ত জলকে জলসম্পদ বলে
৪২) জলসংকট কি? – বার্ষিক মাথাপিছু ব্যবহার্য জলের পরিমাণ যদি 1000 ঘনোমিটারের কম হয় তাকে জলসংকট বলে
৪৩) জোকাভাব কী? – বার্ষিক মাথাপিছু জলের পরিমাণ 1700 ঘনোমিটারের কম হলে তাকে জোকাভাব বলে
৪৪) মোট ব্যবহার্য সাধু জলের পরিমাণ – কৃষি 69%, শিল্প 23%, পানীয় 8%
৪৫) বার্ষিক জলপ্রাপ্তির হিসাবে জলের সর্বাধিক প্রাপ্তি কোথায়? – কানাডা, আলাস্কা, ওশিয়ানিয়া
৪৬) পৃথিবীর পৃষ্ঠীয় জলপ্রবাহের অধিকাংশ দখল করে আছে কোন নদী? – আমাজন নদী
৪৭) কৃপ ও নলকূপের ভিত্তিতে জলসেচে ভারতের প্রথম রাজ্য – উত্তর প্রদেশ
৪৮) ইন্দিরা গান্ধী খাল কোন রাজ্যে গড়ে উঠেছে? – রাজস্থান
৪৯) ভাকরা নাঙ্গাল খাল কোন নদীতে কাটা হয়েছে? – শতদ্রু নদী
৫০) ভারতের ব্যারেজ বা কানাট প্রথা কোন রাজ্যে প্রচলিত? – কর্ণাটক
৫১) ভূপৃষ্ঠের জলের সংরক্ষণে মানুষের সৃষ্ট আঁধার – পুকুর
৫২) বিশ্ব জল দিবস কবে পালিত হয়? – ২২ মার্চ
৫৩) বাউরি কি? – জল সংগ্রহের একটি ঐতিহ্যগত উপায়
৫৪) পানীয় জলের ভূগর্ভস্থ উৎস – প্রস্রবণ ও কূপ
৫৫) দুটি নিত্যবহ নদী – তিস্তা, গঙ্গা; দুটি অনিত্যবহ নদী – অজয়, কোপায়, গন্ধেশ্বরী
৫৬) ভূগর্ভস্থ শিলাস্তরে জলের স্তরকে কি বলে? – সিক্ত স্তর
৫৭) ভারতের নিত্যবহ খাল কোথায় সর্বাধিক? – উত্তর ভারত
৫৮) “প্রতি ফোটা জল ফসলের ঢল” প্রকল্প চালু হয়েছিল কবে? – ১ জুলাই, ২০১০
৫৯) ইউটিফিকেশন কোথায় ব্যবহার হয়? – কৃষিক্ষেত্রে
৬০) ভারতের প্রথম ও দ্বিতীয় বৃহত্তম খাল – প্রথম ইন্দিরা গান্ধী খাল (রাজস্থান), দ্বিতীয় নর্মদা খাল (গুজরাত)
৬১) অ্যানিকাট কি? – প্রাচীন কৌশলে নির্মিত ছোট খাল
৬২) চেক ড্যাম কাকে বলে? – ঢালু জমি বা পাহাড়ের ঢালে আড়াআড়িভাবে তৈরি ছোট বাঁধকে চেক ড্যাম বলে।
অধ্যায় ১০: ভারতের খনিজ ও শক্তি সম্পদ
১) ভারতের লৌহ আকরিকের সর্বাধিক উৎপাদক রাজ্য কোনটি? – ওড়িশা
২) বক্সাইট থেকে কোন ধাতু উৎপাদিত হয়? – অ্যালুমিনিয়াম
৩) ম্যাঙ্গানিজের প্রধান ব্যবহার কী? – ইস্পাত শিল্প
৪) ভারতের তামার প্রধান খনি কোন রাজ্যে অবস্থিত? – রাজস্থান
৫) অভ্রের প্রধান উৎপাদক রাজ্য কোনটি? – অন্ধ্রপ্রদেশ
৬) ভারতের কয়লার সর্বাধিক মজুদ কোন রাজ্যে? – ঝাড়খণ্ড
৭) খনিজ তেলের প্রধান উৎপাদক রাজ্য কোনটি? – আসাম
৮) থোরিয়ামের প্রধান উৎস কোন রাজ্যে পাওয়া যায়? – কেরালা
৯) ভারতের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কোনটি? – তারাপুর
১০) সৌরশক্তির সর্বাধিক ব্যবহারকারী রাজ্য কোনটি? – রাজস্থান
১১) ভূ-তাপীয় শক্তির প্রধান স্থান কোনটি? – উপরের সবকয়টি (পুগা উপত্যকা, মানিকরণ, তাতাজল)
১২) জোয়ার-ভাটা শক্তি উৎপাদনের জন্য উপযুক্ত উপকূলীয় অঞ্চল কোনটি? – গুজরাট
১৩) সমুদ্র-তাপীয় শক্তি রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা পার্থক্য কত? – 20°C
১৪) জৈব গ্যাস উৎপাদনের প্রধান উপাদান কী? – গোবর
১৫) ভারতের বায়ু শক্তির সর্বাধিক উৎপাদক রাজ্য কোনটি? – তামিলনাড়ু
১৬) ভারতের প্রধান কয়লা খনি কোন রাজ্যে অবস্থিত? – ঝাড়খণ্ড
১৭) পেট্রোলিয়াম প্রধানত কোন অঞ্চলে পাওয়া যায়? – আসাম
১৮) ভারতের প্রধান লোহার খনি কোথায় অবস্থিত? – ঝাড়খণ্ড
১৯) ভারতের সবচেয়ে বড় চুনাপাথর উৎপাদনকারী রাজ্য কোনটি? – রাজস্থান
২০) ভারত বিশ্বের প্রধান কোন তেল উৎপাদক দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম? – পেট্রোলিয়াম
২১) ভারতের প্রধান হাইড্রোইলেকট্রিক শক্তি উৎপাদনকারী রাজ্য কোনটি? – সিকিম
২২) ভারতের কোন খনিতে সবচেয়ে বেশি কয়লার মজুদ রয়েছে? – ধানবাদ
২৩) ভারতীয় শক্তি উৎপাদনে প্রধান ভূমিকা রাখে কোনটি? – কয়লা
২৪) ভারতে সবচেয়ে বেশি কোন বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়? – জ্বালানী (Thermal power)
২৫) ভারতের প্রধান তামার খনি কোন রাজ্যে অবস্থিত? – ওড়িশা
২৬) ভারতে শক্তি উৎপাদনের জন্য অনেক বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে কোন শক্তির জন্য? – জলবিদ্যুৎ
২৭) ভারতের প্রধান পারমাণবিক কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত? – মুম্বাই
২৮) ভারতে কোন শক্তির উৎস হিসাবে কৃষিজ উৎস ব্যবহার হয়? – জৈবজ্বালানি
২৯) ভারতে কয়লা উৎপাদনে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে কোন রাজ্য? – ঝাড়খণ্ড
৩০) ভারতে প্রধান ভূপাতিত শক্তি উৎস কোনটি? – কয়লা
৩১) ভারতে সবচেয়ে বেশি প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন হয় কোন রাজ্যে? – গুজরাট
৩২) ভারতের প্রধান পেট্রোলিয়াম শোধনাগার কোথায় অবস্থিত? – বিশাখাপত্তনম
৩৩) ভারত কোন উন্নয়নের জন্য নবায়নযোগ্য শক্তির উপর গুরুত্ব দিচ্ছে? – শক্তি উৎপাদন
৩৪) ভারতে বায়ু শক্তি উৎপাদনের সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র কোনটি? – তামিলনাড়ু
৩৫) ভারতে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য কোন প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে? – আধুনিক প্রযুক্তি।
অধ্যায় ১১: ভারতের কৃষিকাজ
১) ভারতের অর্থনীতিতে কৃষির অবদান কত শতাংশ? – 15–17%
২) ভারতের কৃষিতে সবুজ বিপ্লব শুরু হয় কোন দশকে? – 1960-এর দশক
৩) শ্বেত বিপ্লব কোন খাতের উন্নয়নের সাথে যুক্ত? – দুধ উৎপাদন
৪) নীল বিপ্লব কীসের সাথে সম্পর্কিত? – মৎস্য চাষ
৫) ভারতের কোন রাজ্য আখ উৎপাদনে শীর্ষে? – উত্তরপ্রদেশ
৬) খরিফ শস্য কখন চাষ করা হয়? – জুন–সেপ্টেম্বর
৭) রবি শস্যের উদাহরণ কোনটি? – গম
৮) জায়েদ শস্য কোন মৌসুমে চাষ করা হয়? – গ্রীষ্মকাল
৯) শস্যাবর্তনের প্রধান উদ্দেশ্য কী? – মাটির উর্বরতা বজায় রাখা, ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি, কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ (সবগুলোই)
১০) শস্য সমন্বয় বলতে কী বোঝায়? – একই জমিতে একাধিক ফসল চাষ
১১) ভারতের কোন রাজ্য পাট উৎপাদনে শীর্ষে? – পশ্চিমবঙ্গ
১২) কাপাস চাষের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত মাটি কোনটি? – কালো মাটি
১৩) ভারতের সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদনকারী রাজ্য কোনটি? – অসম
১৪) আখ থেকে তৈরি হয় কোনটি? – চিনি, ইথানল, কাগজ (সবগুলোই)
১৫) “গোল্ডেন ফাইবার” বলা হয় কোন ফসলকে? – পাট
১৬) “অপারেশন ফ্লাড” কীসের সাথে সম্পর্কিত? – দুধ উৎপাদন
১৭) ভারতের সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদনকারী রাজ্য কোনটি? – উত্তরপ্রদেশ
১৮) “জৈব কৃষি” বলতে কী বোঝায়? – প্রাকৃতিক উপায়ে ফসল উৎপাদন
১৯) ভারতের সবচেয়ে বেশি মসলা উৎপাদনকারী রাজ্য কোনটি? – কেরালা
২০) “হর্টিকালচার” বলতে কী বোঝায়? – ফুল ও ফল চাষ
২১) ভারতের প্রধান খাদ্য শস্য হল – ধান
২২) বৃষ্টির উপর নির্ভরশীল কৃষিকাজকে বলা হয় – বৃষ্টিসাপেক্ষ কৃষি
২৩) ভারতের প্রধান ফসল চাষ হয় – সমভূমি অঞ্চলে
২৪) ধান চাষে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন – প্রচুর জল
২৫) ভারতের প্রধান তেলজাতীয় ফসল – সরিষা
২৬) ভারতের সবচেয়ে বড় সরিষা উৎপাদনকারী রাজ্য – রাজস্থান
২৭) ভারতের প্রধান সেচ ব্যবস্থা – নদী ও পাম্প সেট
২৮) ধান চাষে সবচেয়ে ভালো মাটি – কাদামাটি
২৯) ভারতের প্রধান ফসল উৎপাদন এলাকা – গঙ্গা–মহানদা তটভূমি
৩০) ভারতের কোন ফসলের জন্য বর্ষার জল সবচেয়ে প্রয়োজন? – ধান
৩১) কৃষির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান – জল
৩২) সেচাধীন কৃষিতে উৎপাদন বাড়াতে সেচ ব্যবস্থার গুরুত্ব অনেক – বেশি
৩৩) ভারতের প্রধান খাদ্যশস্য গম চাষে সবচেয়ে ভালো জলবায়ু – শীতল ও শুষ্ক
৩৪) ভারতের কৃষি প্রধানত কোন অর্থনীতির ওপর নির্ভরশীল? – কৃষি অর্থনীতি
৩৫) তুলা উৎপাদনে সবচেয়ে বিখ্যাত রাজ্য – গুজরাট
৩৬) বহুকালচার কৃষি বলতে বোঝায় – একসাথে একাধিক ফসল চাষ
৩৭) ভারতের কৃষিকে আধুনিকীকরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান – প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি
৩৮) ভারতের প্রধান চা উৎপাদনকারী রাজ্য – অসম
৩৯) ধান চাষের জন্য প্রধানত প্রয়োজনীয় বৃষ্টি – বর্ষাকালীন বৃষ্টি
৪০) ভারতের মৎস্যচাষ প্রধানত কোন অঞ্চলে বেশি? – উপকূলীয় অঞ্চল।
অধ্যায় ১২: ভারতের পরিবহন ও যোগাযোগ
১) ভারতের দীর্ঘতম জাতীয় সড়ক হলো – NH-44 (শ্রীনগর–কন্যাকুমারী, 3,745 কিমি)
২) স্বর্ণ চতুর্ভুজ প্রকল্প যুক্ত করে – দিল্লি, মুম্বাই, চেন্নাই ও কলকাতা
৩) ভারতের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে নির্মিত হয় – দিল্লি–আগ্রা (ইয়ামুনা এক্সপ্রেসওয়ে)
৪) ভারতের প্রথম রেললাইন চালু হয় – মুম্বাই থেকে থানে (1853 সালে)
৫) ভারতের দীর্ঘতম রেলপথ – বিবেক এক্সপ্রেস (ডিব্রুগড়–কন্যাকুমারী, 4,286 কিমি)
৬) ভারতের প্রথম মেট্রো রেল চালু হয় – কলকাতায় (1984 সালে)
৭) ভারতের সবচেয়ে ব্যস্ততম বিমানবন্দর – ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (দিল্লি)
৮) ভারতের প্রথম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর – সান্তাক্রুজ (মুম্বাই)
৯) ভারতের বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর – মুম্বাই বন্দর
১০) ভারতের গভীরতম সমুদ্রবন্দর – বিশাখাপত্তনম বন্দর
১১) ভারতের প্রথম আধুনিক বন্দর – জওহরলাল নেহরু বন্দর (নাভি মুম্বাই)
১২) ভারতের প্রাচীনতম সমুদ্রবন্দর – লথাল (গুজরাট)
১৩) ভারতের দীর্ঘতম নদীপথ – ব্রহ্মপুত্র নদ
১৪) জাতীয় জলপথ নং–১ বিস্তৃত – আল্লাহাবাদ থেকে হলদিয়া পর্যন্ত
১৫) ভারতের প্রথম বিদ্যুতায়িত রেলপথ – বোম্বে ভিটি থেকে কুরলা (1925 সালে)
১৬) ভারতের রেলপথের নিয়ন্ত্রণ করে – ভারতীয় রেলওয়ে বোর্ড
১৭) দেশের দীর্ঘতম রেল সেতু – বোগিবিল সেতু (অসম)
১৮) ভারতের প্রথম উচ্চগতির ট্রেন প্রকল্প – মুম্বাই–আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেন
১৯) ভারতের প্রথম করিডর ভিত্তিক মেট্রো – দিল্লি মেট্রো
২০) দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর – পেট্রাপোল (বাংলাদেশ সীমান্ত)
২১) ভারতের প্রথম কেবল টিভি শহর – দার্জিলিং
২২) ভারতের প্রথম উপগ্রহ যোগাযোগ ব্যবহৃত হয় – APPLE (1981 সালে)
২৩) ভারতের প্রথম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ কেন্দ্র – শ্রীহরিকোটা (আন্ধ্রপ্রদেশ)
২৪) ISRO-র সদর দপ্তর – বেঙ্গালুরু
২৫) ভারতের প্রথম জিওস্টেশনারি যোগাযোগ উপগ্রহ – INSAT-1A
২৬) দেশের প্রথম শিক্ষামূলক টিভি সম্প্রচার – স্যাটেলাইট ইনস্ট্রাকশনাল টেলিভিশন এক্সপেরিমেন্ট (SITE)
২৭) ভারতের প্রথম সংবাদপত্র – হিকি’স বেঙ্গল গেজেট (1780)
২৮) ভারতের প্রথম রেডিও সম্প্রচার শুরু হয় – 1927 সালে, মুম্বাই ও কলকাতা থেকে
২৯) ভারতের প্রথম টেলিভিশন সম্প্রচার – 1959 সালে, দিল্লি থেকে
৩০) ভারতের প্রথম রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচার – 1982 সালে, এশিয়ান গেমস উপলক্ষে
৩১) দেশের বৃহত্তম টেলিকম কোম্পানি – ভারতী এয়ারটেল
৩২) BSNL প্রতিষ্ঠিত হয় – 2000 সালে
৩৩) দেশের সবচেয়ে দীর্ঘতম টানেল – পীর পাঞ্জাল টানেল (জম্মু-কাশ্মীর)
৩৪) দেশের সবচেয়ে দীর্ঘ সমুদ্রসেতু – বন্দ্রা–ওয়ারলি সি লিঙ্ক (মুম্বাই)
৩৫) ভারতের প্রথম মেট্রো রেল চালু শহর – কলকাতা
৩৬) ভারতে সবচেয়ে বেশি প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন হয় – গুজরাটে
৩৭) ভারতের প্রধান পেট্রোলিয়াম শোধনাগার – বিশাখাপত্তনম
৩৮) ভারত নবায়নযোগ্য শক্তির উপর গুরুত্ব দিচ্ছে – শক্তি উৎপাদনের জন্য
৩৯) ভারতে বায়ু শক্তি উৎপাদনের সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র – তামিলনাড়ু
৪০) ভারতে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হচ্ছে – আধুনিক প্রযুক্তি
অধ্যায় ১৩: ভারতের বাণিজ্য ও অর্থনীতি
১) বিশ্ববাণিজ্য সংস্থা (WTO) প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৯৫ সালে
২) WTO-এর সদর দপ্তর অবস্থিত – জেনেভা (সুইজারল্যান্ড)
৩) WTO-এর পূর্ব নাম ছিল – GATT
৪) WTO-এর প্রধান লক্ষ্য – বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য বাধা হ্রাস
৫) WTO-এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা – ১৬৪টি
৬) ভারতের অর্থনীতির প্রকৃতি – মিশ্র অর্থনীতি
৭) ভারতের অর্থনৈতিক সংস্কার শুরু হয় – ১৯৯১ সালে
৮) LPG সংস্কার বলতে বোঝায় – Liberalization, Privatization, Globalization
৯) ভারতের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা শুরু হয় – ১৯৫১ সালে
১০) ভারতের রিজার্ভ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর ছিলেন – স্যার Osborne Smith
১১) ভারতের প্রথম বিদেশি বিনিয়োগ প্রবাহিত হয় – টেলিকম খাতে
১২) ভারতের প্রথম বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (SEZ) স্থাপিত হয় – কান্ডলা
১৩) ভারতের বাণিজ্যিক আইন সংশোধন করা হয় – ২০১৩ সালে
১৪) ভারতের প্রথম ডিজিটাল মুদ্রা – ডিজিটাল রূপি
১৫) ভারতের প্রথম পাবলিক সেক্টর ব্যাংক – SBI
১৬) ভারতের প্রথম প্রাইভেট সেক্টর ব্যাংক – ICICI
১৭) ভারতের প্রথম বিদেশি মুদ্রা সংরক্ষণ শুরু হয় – ১৯৯১ সালে
১৮) ভারতের প্রথম বিদেশি মুদ্রা সংরক্ষণের পরিমাণ ছিল – ১ বিলিয়ন ডলার
১৯) ভারতের বর্তমান বিদেশি মুদ্রা সংরক্ষণ – ৪০০ বিলিয়ন ডলার
২০) ভারতের বিদেশি মুদ্রা সংরক্ষণের প্রধান উৎস – রপ্তানি, প্রবাসী ভারতীয়দের প্রেরণ ও বিদেশি বিনিয়োগ
২১) উৎপাদনের প্রধান উপাদান – ভূমি, পুঁজি, শ্রম ও উদ্যোগ
২২) মুদ্রার প্রধান বৈশিষ্ট্য – বিনিময়ের মাধ্যম
২৩) অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য পরিচালিত হয় – দেশের মধ্যে
২৪) মুদ্রা ছাড়া পণ্য ও সেবার বিনিময় ব্যবস্থা – পণ্য বিনিময় ব্যবস্থা
২৫) রপ্তানি বাণিজ্যের ফলে দেশে অর্জিত হয় – বৈদেশিক মুদ্রা
২৬) আমদানি হলো – বিদেশ থেকে পণ্য ও সেবা কেনা
২৭) অর্থনীতির মূল লক্ষ্য – মানুষের অসীম চাহিদা পূরণ
২৮) ব্যাংক সঞ্চয় রাখে ও প্রদান করে – ঋণ
২৯) বাজেট হলো – আয় ও ব্যয়ের পূর্ব পরিকল্পনা
৩০) বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য – তৈরি পোশাক
৩১) বাণিজ্য ঘাটতি ঘটে যখন – আমদানি বেশি হয় রপ্তানির চেয়ে
৩২) শ্রম হলো একটি – অর্থনৈতিক উপাদান
৩৩) ব্যাংক চেক হলো – একটি বিকল্প মুদ্রা
৩৪) মুদ্রাস্ফীতি বলতে বোঝায় – পণ্যের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়া
৩৫) অর্থনীতির অন্যতম শাখা হলো – জাতীয় অর্থনীতি
৩৬) (প্রশ্ন অনুপস্থিত, তাই এখানে ফাঁকা রাখা হলো)
৩৭) পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে উৎপাদনের লক্ষ্য – মুনাফা অর্জন
৩৮) জাতীয় আয় হলো – দেশের মোট পণ্য ও সেবা থেকে অর্জিত আয়
৩৯) ব্যাংকিং খাত হলো – অর্থনীতির কেন্দ্রীয় ভিত্তি
৪০) অবকাঠামোগত উন্নয়ন ছাড়া সম্ভব নয় – অর্থনৈতিক উন্নয়ন।
✅ তোমরা সংগ্রহ করতে পারো অধ্যায় ভিত্তিক Chapterwise 👇নতুন সেমিস্টার MCQ স্মার্ট সাজেশন Notes PDF! [মাত্র 49 টাকা]
WBCHSE HS 3rd Semester Geography Suggestion 2025 PDF: উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন ডাউনলোড
ভূগোল একটি প্র্যাকটিক্যাল বিষয়, তাই পাঠ্যবই মনোযোগ দিয়ে পড়া, প্রতিটি অধ্যায়ের মূল ধারণা বোঝা এবং নিয়মিত অনুশীলন করা অত্যন্ত প্রয়োজন। One Liner প্রশ্নোত্তর অনুশীলন দ্রুত রিভিশনে সাহায্য করবে, তবে মনে রাখবে—ভালো নম্বর পেতে সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি হলো অধ্যবসায়, সময়ানুবর্তিতা এবং ধারাবাহিক পড়াশোনা।
সাজেশন | তথ্য |
---|---|
HS 3rd Semester Geography Suggestion (অধ্যায় ভিত্তিক ভূগোল তৃতীয় সেমিস্টার প্রশ্ন উত্তর) | 20 Pages |
↓ PDF Download | 2 MB |
উচ্চমাধ্যমিক 3rd Sem সমস্ত বিষয়ের সাজেশন | Click Here |
উচ্চমাধ্যমিক Class 12 সেমিস্টার প্রস্তুতির জন্য অবশ্যই আমাদের “টার্গেট” whatsapp গ্রুপ জয়েন করতে পারো: Join Group Now ↗
যারা WBCHSE HS 3rd Semester Geography Suggestion 2025 খুঁজছেন, তাদের জন্য এখানে দেওয়া হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2025 PDF। এই সাজেশন বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে Higher Secondary (HS) Class 12 3rd Semester Exam এর জন্য।
- HS Geography 3rd Semester Suggestion 2025
- WBCHSE HS ভূগোল সাজেশন PDF Download
- HS Class 12 3rd Semester Geography MCQ Question Answer
- Higher Secondary Geography Suggestion Notes 2025
- WB HS ভূগোল সাজেশন ২০২৫ PDF.
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হোন -
আরও আপডেট »