পরীক্ষার আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি? কেন, কিন্তু, সুতরাং, অতএব কোনো প্রশ্ন করার সময় এখন নেই। এই মুহূর্তে যা দিচ্ছি, ২০ থেকে ২৫ নম্বর হাসতে হাসতে পকেটে নিয়ে হল থেকে বেরোবি, গ্যারান্টি! এর বেশি যদি কমন পেয়ে যাস, সেটা তোর ভাগ্য, কিন্তু পাস মার্কস আর সম্মানজনক নম্বর নিয়ে তোকে ভাবতে হবে না। জাস্ট পড়ে ফেল আর লিখে আয়!
| বিষয় (Subject) | প্রথম ভাষা* বাংলা (Bengali A) |
| Last Minute PDF | (লাস্টে PDF ডাউনলোড করার জন্য দেওয়া রয়েছে) |
HS Class 12 4th Semester Bengali 2026 Last Minute Common উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন
যেকোনো বড় প্রশ্নের জন্য ‘মাস্টার’ স্টার্টিং (উৎসসহ)
যেকোনো বড় প্রশ্নের উত্তর শুরু করার সময় এই কাঠামোটি ব্যবহার করবে। এতে পরীক্ষক শুরুতেই নম্বর বাড়িয়ে দেবেন:
"বিংশ শতাব্দীর প্রথিতযশা কথাশিল্পী/কবি/নাট্যকার [লেখকের নাম] তাঁর অনন্য সৃষ্টি '[গল্প/কবিতা/নাটকের নাম]' নামক রচনায় সমকালীন সমাজমানস এবং মানুষের অন্তগূঢ় বেদনার যে জীবন্ত আলেখ্য নির্মাণ করেছেন, আলোচ্য উদ্ধৃতিটি/চরিত্রটি তারই এক অনিবার্য ফসল। লেখকের নিপুণ লেখনীতে এখানে এক গভীর জীবনসত্য উন্মোচিত হয়েছে।"
গল্প বা গদ্য
১. হারুন সালেমের মাসি (মহাশ্বেতা দেবী)
“অরণ্যের অধিকার ও হাজার চুরাশির মা খ্যাত প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক মহাশ্বেতা দেবীর লড়াকু লেখনীর এক অনবদ্য সৃষ্টি হলো ‘হারুন সালেমের মাসি’ গল্পটি। আলোচ্য উদ্ধৃতিটিতে লেখিকা শোষিত, লাঞ্ছিত প্রান্তিক মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার এবং তাঁদের মরণপণ সংগ্রামের এক জ্বলন্ত আলেখ্য তুলে ধরেছেন।”
- সারসংক্ষেপ: এটি শোষিত, লাঞ্ছিত মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই। মাসি এখানে কেবল একজন ব্যক্তি নন, তিনি এক অপরাজেয় মাতৃশক্তির প্রতীক।
- কমন উত্তর তৈরির পয়েন্ট: মাসির চারিত্রিক দৃঢ়তা, হারুন সালেমের প্রতি তাঁর মমত্ববোধ এবং ব্যবস্থার বিরুদ্ধে এক নীরব প্রতিবাদ।
২. হলুদ পোড়া (মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়)
“বাংলা সাহিত্যের ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’ ও ‘পদ্মানদীর মাঝি’র স্রষ্টা, প্রখর সমাজসচেতন ও মনস্তাত্ত্বিক শিল্পী মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি তাৎপর্যপূর্ণ গল্প হলো ‘হলুদ পোড়া’। গ্রামবাংলার কুসংস্কারাচ্ছন্ন সমাজব্যবস্থা এবং মানুষের আদিম প্রবৃত্তি ও জটিল মনস্তত্ত্বের পরিচয় এখানে পাওয়া যায়।”
- সারসংক্ষেপ: মানুষের মনের জটিলতা আর কুসংস্কারের বিরুদ্ধে এক মনস্তাত্ত্বিক লড়াই। হলুদ পোড়া এখানে প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত।
- কমন উত্তর তৈরির পয়েন্ট: গ্রামীণ জীবনের অন্ধবিশ্বাস এবং মানুষের আদিম প্রবৃত্তি বনাম মানবিকতা।
কবিতা
৩. প্রার্থনা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
“বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আধ্যাত্মিক চেতনায় ভাস্বর ‘নৈবেদ্য’ পর্যায়ভুক্ত একটি কালজয়ী কবিতা হলো ‘প্রার্থনা’। কবির অন্তরের গভীর ভক্তি এবং নিজেকে বিশ্ববিধাতার চরণে নিঃশর্তভাবে সঁপে দেওয়ার এক চরম আকুতি এখানে প্রকাশিত হয়েছে।”
- সারসংক্ষেপ: সমস্ত ক্ষুদ্রতা থেকে মুক্তি পেয়ে বিশ্ববিধাতার কাছে নিজেকে সমর্পণ করার আকুতি।
- কমন উত্তর তৈরির পয়েন্ট: আধ্যাত্মিক জাগরণ এবং অন্তরের শুদ্ধি কামনাই এই কবিতার মূল সুর।
৪. তিমির হননের গান (জীবনানন্দ দাশ)
“রূপসী বাংলার কবি ও আধুনিক জীবনবেদে বিশ্বাসী জীবনানন্দ দাশের ইতিহাসচেতনা সমৃদ্ধ একটি উল্লেখযোগ্য কবিতা হলো ‘তিমির হননের গান’। সমকালীন বিশুষ্ক ও বিপন্ন সময়ের আঁধার কাটিয়ে এক নতুন আলোর পৃথিবীতে পৌঁছানোর তীব্র বাসনা এই উদ্ধৃতিটির মূল সুর।”
- সারসংক্ষেপ: আধুনিক সভ্যতার অন্ধকার বা ক্লান্তি মুছে ফেলে এক নতুন আলোর প্রত্যাশা।
- কমন উত্তর তৈরির পয়েন্ট: সময়চেতনা, বিপন্নতা আর অন্ধকারের শেষে আলোর আবাহন।
৫. কেন এল না (সুভাষ মুখোপাধ্যায়)
“পদাতিক কবি হিসেবে পরিচিত এবং গণমানুষের কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের জীবনধর্মী সৃষ্টির অন্যতম নিদর্শন হলো ‘কেন এল না’ কবিতাটি। সাধারণ মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের যন্ত্রণা, না-পাওয়া এবং এক গভীর সামাজিক আর্তির প্রতিধ্বনি এখানে ধ্বনিত হয়েছে।”
- সারসংক্ষেপ: অপেক্ষার যন্ত্রণা আর সামাজিক বৈষম্যের প্রেক্ষাপটে এক গভীর আর্তি।
- কমন উত্তর তৈরির পয়েন্ট: সাধারণ মানুষের বঞ্চনা আর না পাওয়ার আক্ষেপ খুব সহজ ভাষায় ফুটে উঠেছে।
নাটক
৬. নানা রঙের দিন (অজিতেশ মুখোপাধ্যায়):
“বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব অজিতেশ মুখোপাধ্যায়ের রূপান্তরধর্মী নাটক ‘নানা রঙের দিন’ থেকে গৃহীত আলোচ্য অংশে একজন প্রবীণ অভিনেতার জীবনের শেষ বিকেলের একাকিত্ব, বিষণ্ণতা এবং স্মৃতিতর্পণের এক করুণ ছবি ফুটে উঠেছে।”
'নানা রঙের দিন' নাটকটি একজন নিঃসঙ্গ অভিনেতার জীবনের ট্র্যাজেডি। এখানে বার্ধক্যের হাহাকার আর শিল্পীসত্তার এক অদ্ভূত লড়াই ফুটে উঠেছে।রজনীকান্ত: ৬৮ বছর বয়স, ৪৫ বছরের অভিনয় জীবন, মদ্যপ কিন্তু প্রতিভাশালী, নিঃসঙ্গ। জরাজীর্ণতা, একাকিত্ব, শিল্পীসত্তা বনাম বাস্তব জীবন, বিফল প্রেমিক।
কালীনাথ (প্রম্পটার): রজনীকান্তের একমাত্র শ্রোতা, যাঁর উপস্থিতিতে রজনীকান্ত নিজের মনের অর্গল খুলে দিয়েছেন।
২. উত্তরের মূল অংশ (যেকোনো প্রশ্নের জন্য ৩টি পয়েন্ট):
- অতীত বনাম বর্তমান: রজনীকান্তের অতীতে ছিল হাততালি আর খ্যাতি, কিন্তু বর্তমানে তিনি মেকআপ রুমে পড়ে থাকা এক জরাজীর্ণ বৃদ্ধ।
- শিল্পীর একাকীত্ব: তিনি বুঝেছেন, অভিনয়ের শেষে দর্শক যখন চলে যায়, তখন অভিনেতা একদম একা। তাঁর ব্যক্তিগত জীবন, প্রেম—সবই শিল্পের কাছে বলি হয়েছে।
- শিল্পের অমরতা: শত কষ্টের মাঝেও তিনি বিশ্বাস করেন, “যাদের প্রতিভা আছে, তাদের বয়স নেই”। মৃত্যু তাকে ছুঁতে পারলেও তার প্রতিভাকে ম্লান করতে পারবে না।
কমন উপসংহার (Ending): পরিশেষে বলা যায়, রজনীকান্তের চরিত্রটি আসলে মুখোশের আড়ালে থাকা এক রক্ত-মাংসের মানুষের কান্না, যা নাটকটিকে এক গভীর মানবিক আবেদন দান করেছে।
সহায়ক পাঠ
৭. ডাকঘর (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর):
“বিশ্ববরেণ্য নাট্যকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাংকেতিক নাটক ‘ডাকঘর’ হলো মানুষের আত্মার মুক্তির এক চিরকালীন উপাখ্যান। অমল চরিত্রের মধ্য দিয়ে কবি অজানাকে জানার অদম্য কৌতূহল এবং সীমাবদ্ধ জীবন থেকে অসীমের ডাকে সাড়া দেওয়ার চিরন্তন ব্যাকুলতাকে ফুটিয়ে তুলেছেন।”
অমল (ডাকঘর): মুক্তিকামী আত্মা, কৌতূহলী মন, অজানার পিয়াসী, ঘরবন্দি জীবনের করুণ আর্তি।
ঠাকুরদা (প্রতীকী চরিত্র):
- তিনি নাটকের সবচেয়ে রহস্যময় ও জ্ঞানদীপ্ত চরিত্র।
- তিনি অমলের অজানাকে জানার ইচ্ছাকে উৎসাহ দেন এবং নানা কল্পনা ও রূপকথার গল্পে অমলের মন ভরিয়ে রাখেন।
- তিনি কখনো ‘দাদাঠাকুর’, কখনো ‘ফকির’ বেশে এসে অমলকে আধ্যাত্মিক মুক্তির দিশা দেখান।
চিত্রকলার ইতিহাস
যেকোনো একজন শিল্পীকে নিয়ে প্রশ্ন এলে প্রথমে লিখবে— “বাংলা তথা ভারতের চিত্রকলার ইতিহাসে [শিল্পীর নাম] এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর তুলির অসামান্য টানে বাংলা তথা ভারতের চিত্রকলা এক অনন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।” তারপর উপরের পয়েন্টগুলো দিয়ে শেষ করবে।
পরিশেষে বলা যায়, [শিল্পীর নাম] কেবল একজন চিত্রকর ছিলেন না, তিনি ছিলেন ভারতীয় ঐতিহ্যের একনিষ্ঠ সাধক। তাঁর সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গি এবং মৌলিক শিল্পরীতি পরবর্তী প্রজন্মের শিল্পীদের কাছে আজও ধ্রুবতারার মতো পথপ্রদর্শক হয়ে আছে।১. অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (নব্যবঙ্গীয় চিত্ররীতির জনক)
- অবদান: তিনি পাশ্চাত্য রীতির অন্ধ অনুকরণ ছেড়ে ভারতীয় ঘরানার চিত্রশৈলী পুনরুজ্জীবিত করেন।
- শৈলী: বিখ্যাত ‘ওয়াশ’ (Wash) পদ্ধতির প্রবর্তন করেন।
- বিখ্যাত চিত্র: ‘ভারত মাতা’, ‘শাজাহানের মৃত্যু’, ‘গণেশ জননী’।
- গ্রন্থ: ‘ক্ষীরের পুতুল’, ‘রাজকাহিনী’ (চিত্রকলায় তাঁর সাহিত্যিক গুণও ছিল)।
২. যামিনী রায় (লোকশিল্পের রূপকার)
- অবদান: তিনি ইউরোপীয় তেলরঙ ছেড়ে গ্রামবাংলার সাধারণ ‘পটুয়া শিল্প’ বা লোকজ রীতি বেছে নেন।
- শৈলী: চওড়া রেখা, উজ্জ্বল রঙ (লাল, হলুদ, খড়িমাটি) এবং পটলচেরা চোখ।
- বিখ্যাত চিত্র: ‘মা ও শিশু’, ‘সাঁওতাল জননী’, ‘যিশুখ্রিস্ট’, ‘তিন কন্যা’।
- স্বীকৃতি: ১৯৫৪ সালে পদ্মভূষণ পান।
৩. নন্দলাল বসু (মাস্টার মোশাই)
- অবদান: অবনীন্দ্রনাথের শিষ্য। তিনি শান্তিনিকেতনের শিল্পচর্চাকে সমৃদ্ধ করেন এবং ভারতীয় সংবিধানের পাণ্ডুলিপি অলংকৃত করেন।
- শৈলী: অজন্তা গুহাচিত্র ও ভারতীয় ঐতিহ্যের প্রভাব। সাধারণ মানুষের জীবন ও প্রকৃতি ছিল তাঁর বিষয়।
- বিখ্যাত কাজ: ‘সতীর দেহত্যাগ’, ‘দণ্ডী অভিযানের লিনোকাট (গান্ধীজি)’।
৪. গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর (ব্যঙ্গচিত্র ও আধুনিকতা)
- অবদান: তিনি ভারতের প্রথম সার্থক কার্টুনিস্ট বা ব্যঙ্গচিত্রশিল্পী।
- শৈলী: জ্যামিতিক আকার বা কিউবিজম (Cubism) এবং আলো-ছায়ার রহস্যময় ব্যবহার।
- বিখ্যাত কাজ: তাঁর ব্যঙ্গচিত্র সংকলন ‘অদ্ভুত লোক’, ‘বিরূপ বজ্র’।
৫. রামকিঙ্কর বেজ (ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী)
- অবদান: তিনি আধুনিক ভারতীয় ভাস্কর্যের পথিকৃৎ।
- শৈলী: শান্তিনিকেতনের বাইরের খোলামেলা জায়গায় সিমেন্ট, বালি ও লোহার কাঠামো দিয়ে বিশাল ভাস্কর্য তৈরি করতেন।
- বিখ্যাত ভাস্কর্য: ‘সাঁওতাল পরিবার’, ‘হাটের পথে’, ‘যক্ষ ও যক্ষী’।
বাংলা চলচ্চিত্র
‘মাস্টার স্টার্টিং’
“বিশ্ব চলচ্চিত্রের মানচিত্রে বাংলা সিনেমার স্থান বরাবরই উজ্জ্বল ও স্বকীয়। বিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে যে কয়েকজন প্রতিভাধর চলচ্চিত্রকারের হাত ধরে বাংলা সিনেমা কেবল বিনোদনের গণ্ডি পেরিয়ে এক সার্থক জীবনধর্মী শিল্পে উন্নীত হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ হলেন [পরিচালকের নাম]। তাঁর সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গি এবং প্রখর সমাজসচেতনতা বাংলা চলচ্চিত্রকে এক আন্তর্জাতিক মর্যাদা দান করেছে।”
উত্তরের শেষে লিখবে— "এই প্রবাদপ্রতিম চলচ্চিত্রকারদের হাত ধরেই বাংলা সিনেমা বিশ্ব চলচ্চিত্রে এক স্বতন্ত্র ও মর্যাদাপূর্ণ আসন লাভ করেছে।"
১. সত্যজিৎ রায় (বিশ্বপথিক পরিচালক):
- বিখ্যাত কাজ: ‘পথের পাঁচালী’ (১৯৫৫), ‘অপু ট্রিলজি’, ‘জলসাঘর’, ‘চারুলতা’, ‘হীরক রাজার দেশে’।
- বৈশিষ্ট্য: তিনি ভারতীয় সিনেমাকে বিশ্বদরবারে পৌঁছে দেন। চিত্রনাট্য, আবহসংগীত, কস্টিউম ডিজাইন—সবই নিজে করতেন। তাঁর ছবিতে ফুটে উঠত গভীর মানবিকতা ও সূক্ষ্ম বাস্তববাদ।
২. ঋত্বিক ঘটক (দেশভাগ ও যন্ত্রণার কবি):
- বিখ্যাত কাজ: ‘মেঘে ঢাকা তারা’, ‘অযান্ত্রিক’, ‘সুবর্ণরেখা’, ‘তিতাস একটি নদীর নাম’।
- বৈশিষ্ট্য: তাঁর ছবির প্রধান উপজীব্য ছিল দেশভাগ ও উদবাস্তু জীবনের যন্ত্রণা। তিনি সিনেমার মাধ্যমে সমাজের রূঢ় বাস্তবতাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতেন। ‘মেঘে ঢাকা তারা’র “দাদা আমি বাঁচতে চাই” সংলাপটি তাঁর অমর সৃষ্টি।
৩. মৃণাল সেন (রাজনৈতিক ও আধুনিক পরিচালক):
- বিখ্যাত কাজ: ‘ভুবন সোম’, ‘কলকাতা ৭১’, ‘পদাতিক’, ‘খারিজ’।
- বৈশিষ্ট্য: তিনি ছিলেন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সচেতন। তাঁর ছবি প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে সমাজ ও ব্যবস্থার সমালোচনা করত। তাঁকে ভারতীয় ‘নিউ ওয়েভ’ বা নতুন ধারার চলচ্চিত্রের অগ্রদূত বলা হয়।
৪. তপন সিংহ (গল্পবলার জাদুকর):
- বিখ্যাত কাজ: ‘কাবুলিওয়ালা’, ‘ক্ষুধিত পাষাণ’, ‘ঝিন্দের বন্দী’, ‘গল্প হলেও সত্যি’।
- বৈশিষ্ট্য: তাঁর ছবি ছিল সাহিত্যধর্মী এবং সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। তিনি খুব সহজে বড় মাপের সাহিত্যকে পর্দায় জীবন্ত করে তুলতেন। তাঁর ছবিতে সংগীত ও কাহিনীর এক অপূর্ব মেলবন্ধন দেখা যায়।
৫. তরুণ মজুমদার (গ্রামবাংলার ঘরোয়া কারিগর):
- বিখ্যাত কাজ: ‘বালিকা বধূ’, ‘দাদার কীর্তি’, ‘গণদেবতা’, ‘ভালোবাসা ভালোবাসা’।
- বৈশিষ্ট্য: তাঁর ছবির মূল প্রাণ ছিল গ্রামবাংলার মাটি ও মানুষের সহজ-সরল জীবন। পারিবারিক সম্পর্ক, নির্মল হাস্যরস এবং শ্রুতিমধুর সংগীত ছিল তাঁর সাফল্যের চাবিকাঠি।
যদি প্রশ্ন কমন না আসে (সারভাইভাল স্ট্র্যাটেজি)
- ঘাবড়াবে না: প্রশ্নটা ২-৩ বার পড়ো। দেখো ওটা কোন চ্যাপ্টারের।
- উৎস লিখো: প্রশ্ন কমন না এলেও লেখক আর চ্যাপ্টারের নাম তোমার জানা। আমাদের দেওয়া ‘মাস্টার স্টার্টিং’ দিয়ে শুরু করো। এতে পরীক্ষক বুঝবেন তুমি অন্তত বিষয়টি জানো।
- কমন বডি ব্যবহার করো: আমি আগে যে ‘কমন উত্তর’ বা ‘সারমর্ম’ দিয়েছি, সেটাকে প্রশ্নের সাথে মিলিয়ে লিখে দাও। প্রশ্ন যেটাই হোক, ওই গল্পের বা কবিতার মূল ভাবের বাইরে তো আর হবে না!
- কী-ওয়ার্ড দাও: চ্যাপ্টার রিলেটেড যে বিশেষ শব্দগুলো (যেমন- ‘ডাকঘর’ হলে ‘মুক্তি’, ‘নানা রঙের দিন’ হলে ‘একাকিত্ব’) আমি দিয়েছি, সেগুলো উত্তরের মাঝে ঢুকিয়ে দাও।
দুই রঙের কালির ব্যবহার (করতেই হবে)
- নীল ও কালো: উত্তর লিখবে নীল কালিতে (Blue)। আর পয়েন্ট বা হেডিং করবে কালো কালিতে।
- আন্ডারলাইন: উত্তরের ভেতরে লেখকের নাম, গল্পের নাম, বা সিনেমার নামগুলোর নিচে কালো কালি দিয়ে আন্ডারলাইন করে দেবে। এতে পরীক্ষকের চোখে উত্তরটা ঝকঝকে লাগবে।
টাইম ম্যানেজমেন্ট (সবচেয়ে জরুরি)
- বেশি লিখবে না: ৫ নম্বরের জন্য দেড় থেকে দুই পাতার বেশি একদম নয়। মনে রাখবে, বেশি লিখলে বেশি নম্বর পাওয়া যায় না, বরং অন্য প্রশ্নের সময় নষ্ট হয়।
- ঘড়ি ধরো: প্রতিটি ৫ নম্বরের প্রশ্নের জন্য ১০ থেকে ১২ মিনিটের বেশি সময় দেবে না। ১০ নম্বরের প্রবন্ধের জন্য ২৫-৩০ মিনিট রাখবে।
- আগে সহজগুলো: যে প্রশ্নগুলো খুব ভালো পারো, সেগুলো আগে লিখে ফেলো। এতে আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং নম্বর সিকিউর হবে।
পরীক্ষার হলে দুই ঘন্টাটা শুধু তোর এটা মনে রাখবি - "এমন কিছু করবি না যাতে সারা জীবনটা রিগ্রেট করতে হয়.. সেটা প্রশ্ন লেখা হোক কিংবা প্রশ্ন ছাড়া হোক। ব্যাস এটুকুই।"
★★ নিচের PDF নোট গুলো উত্তর সহ ★★ নিয়ে সাপোর্ট করতে পারিস PDF ⇓
| তথ্য | পিডিএফ লিংক |
|---|---|
| HS 4th Semester Bengali Suggestion লাস্ট মিনিট চকলেট FREE PDF Download – 800 KB (6 Pages) | |
| WB HS Semester প্রস্তুতি WhatsApp গ্রুপ |
সংগ্রহ করে নাও: HS 4th Sem Suggestion (All Subject) উচ্চমাধ্যমিক সাজেশন সমস্ত বিষয়!
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হোন -


![HS 4th Semester Bengali 2026 উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি 25+ নম্বর [PDF] 1 WBCHSE HS 4th Semester English Notes Question Answer](https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj-EoLnUJveLn0xrP3abiSuT5b2VC1HwLJnCAGAEsc5XOqY9WjEAn6Xrn9VzsBqt_lti-z_GNC7lbGlsuL9yWk8gffwi15ytVNj5_Ih75ohjrpSHM-XWsFS0RksVmsLHavCPwDHlO1LAtqj5kF6Qpp8P07bXc4LhCkb36HaDE0gWsB2sXBCnNGWAhictFg/s1600/hs-sem4-all.jpg)
