Madhyamik Geography Suggestion 2024: মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন ২০২৪! এই প্রশ্নগুলো আসার সম্ভাবনা বেশি

WBBSE Madhyamik Geography Suggestion 2024

যে সকল ছাত্র-ছাত্রী ২০২৩-’২৪ শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে চলেছে তাদের জন্য EduTips Bangla-এর তরফ থেকে “মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন ২০২৪” প্রস্তুত করা হয়েছে। যে সকল পার্সোনাল মাধ্যমিক পরীক্ষায় আসার প্রবণতা প্রবল সেই সকল প্রশ্নের উত্তর সহ নিখুঁত সাজেশন মাধ্যমিক ছাত্র ছাত্রীদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে, এই সাজেশন গুলি পড়লে ছাত্রছাত্রীরা মাধ্যমিক পরীক্ষায় ভূগোল বিষয়ে ১০০% সাফল্য পাবে।

   

এই প্রতিবেদনে মাধ্যমিক ভূগোল বিষয়ের সম্পূর্ণ সাজেশন নীচে দেওয়া হয়েছে এবং সর্বশেষে সম্পূর্ণ সাজেশনের PDF টি দেওয়া হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীরা এক ক্লিকেই সমস্ত সাজেশনের PDFটি ডাউনলোড করতে পারবে।

Madhyamik Geography Suggestion 2024
বিষয়ভূগোল
পরীক্ষার তারিখ০৬/০২/২০২৩
পিডিএফ ফাইলনীচে দেওয়া হয়েছে

মাধ্যমিক ভূগোল প্রশ্ন কাঠামো ২০২৪ (Madhyamik Geography Question Pattern 2024)

অধ্যায়MCQ(A)Very Short (B)SAQ (C)Descriptive
(D)
Essay Type
(E)
Total Marks
প্রাকৃতিক ভূগোল (অধ্যায়ঃ- ১-৩)1×6=61×9=92×2=43×1=35×2=1032
পরিবেশ ভূগোল (অধ্যায়ঃ-৪)1×1=11×2=22×1=23×1=38
আঞ্চলিক ভূগোল (অধ্যায়ঃ-৫)1×6=61×9=92×2=43×1=35×2=1032
উপগ্রহ চিত্র ও ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র (অধ্যায়ঃ-৬)1×1=21×2=22×1=23×1=38
মানচিত্র (ভারত)1×10=10
[MAP]
10
মোট নাম্বার142212122090

Madhyamik Geography Suggestion 2024: মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন ২০২৪

মাধ্যমিক ভূগোল ছোট প্রশ্ন ও উত্তর সাজেশন ২০২৪ (Short Questions)

নিচে যেই টিকা ধর্মী প্রশ্ন উত্তর গুলো দেওয়া রয়েছে সেগুলো অবশ্যই ভালো করে প্র্যাকটিস করে এক্ষেত্রে তোমাদের বইয়ের যে সংজ্ঞা বা উত্তর দেওয়া রয়েছে সেখান থেকে খুঁজেও তোমরা পড়তে পারো। এই ধরনের প্রশ্নগুলি ৫ নম্বরের সঙ্গে অংশ হিসাবেও আসতে পারে, আবার সরাসরি দুইবার তিন নম্বরের সঙ্গেও আসতে পারে।

👉 বহির্জাত প্রক্রিয়ায় ক্ষয় ও সঞ্চয় কাজের মাধ্যমে ভূত্বকের উপরিভাগের উচ্চতার পরিবর্তন ঘটে এবং বিভিন্ন উচ্চতাযুক্ত ভূমিরূপের ক্রমশ সমতা এনে একটি সাধারণ তল গঠিত হয়। এজন্য চেম্বারলিন ও সলিসবেরি (১৯০৪) বহির্জাত প্রক্রিয়াগুলিকে পর্যায়ন বা ক্রমায়ন প্রক্রিয়া বলেছেন। ভূবিজ্ঞানী গ্রোভ কার্ল গিলবার্ট (১৮৭৬) সর্বপ্রথম ‘পর্যায়’ বা ‘গ্রেড’ শব্দটি ব্যবহার করেন।

👉 নদীর গতিবেগ (V) দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেলে তার বহন ক্ষমতা (C) 64 গুণ = 2⁶ গুণ বৃদ্ধি পায়। C = V² নদীর গতিবেগের সঙ্গে তার বহন ক্ষমতার এই আনুপাতিক সম্পর্ককে ষষ্ঠঘাতের সূত্র বলে। ১৮৪২ সালে বিজ্ঞানী ডব্লু. হপকিনস এটি উদ্ভাবন করে।

👉 জলপ্রপাতের পাদদেশে প্রবল জলস্রোত ও প্রস্তরখণ্ডের প্রচণ্ড আঘাতে ও জলে ঘূর্ণি সৃষ্টির ফলে বুদবুদ ক্ষয়ের মাধ্যমে যে বিশালাকার হাঁড়ির মতো গর্ত সৃষ্টি হয়, তাকে প্লাঞ্জপুল বা প্রপাত কূপ বলে। উদাহরণ – চেরাপুঞ্জির কাছে নোহকালিকাই জলপ্রপাতে দেখা যায়।

👉 নদীর অবঘর্ষ ক্ষয় প্রক্রিয়ায় নদীর তলদেশে যে ছোটো ছোটো গোলাকার ও মসৃণ গর্ত সৃষ্টি হয়, তাকে মন্ত্রকূপ বলে।

উৎপত্তি :– নদী বাহিত শিলাখণ্ড পাক খেতে খেতে নদী তলদেশে নরম শিলায় আঘাত করলে প্রথমে ছোটো ছোটো গর্ত সৃষ্টি হয়। এরপর ছোটো নুড়ি ঘুরতে ঘুরতে ক্ষয় করে গর্তকে আরও গভীর ও মসৃণ করে মন্থকূপ গঠন করে।

👉 উচ্চভূমি বা পার্বত্যভূমিতে উৎস অঞ্চলে অসংখ্য উপনদীসহ প্রধান নদীর অববাহিকাকে ধারণ অববাহিকা (Catchment Basin) বলে।

তাইনদীর উৎস অঞ্চলে নদী অববাহিকার জল সংগ্রহের ক্ষেত্র হল ধারণ অববাহিকা।

👉 ‘লোয়েস’ শব্দটির উৎপত্তি জার্মান শব্দ Loss -থেকে যার অর্থ ‘স্থানচ্যুত বস্তু’। শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন ভন রিকটোফেন। মরুভূমির হলুদ ও ধূসর রঙের কোয়ার্টজ, ফেলসপার, ক্যালসাইট, ডলোমাইট ও অভ্র খনিজ সমৃদ্ধ সূক্ষ্ম (২০-৫০ মাইক্রোমিটার) ধূলি, বালিকণাকে লোয়েস বলে। মরুবামরূপ্রায় অঞ্চলের লোয়েসকণা বায়ু দ্বারা পরিবাহিত হয়ে ও দূরবর্তী কোনো স্থানে সঞ্চিতহয়ে যে সমভূমি সৃষ্টিহয়, তাকে লোয়েস সমভূমি বলে। এটি মরু অঞ্চলের বাইরে আর্দ্র অঞ্চলে বায়ুর সঞ্চয়জাত সমভূমি। অঞ্চলটিতে বালি, শিল্ট কণা একসঙ্গে জমা হওয়ায় ভূভাগ স্তরহীন হয়।

👉 উঁচু পার্বত্য বা মেরু অঞ্চলে যে সীমারেখার ওপর সারা বছর তুষার জমে থাকে এবং যার নীচে তুষার গলে যায়, তাকে হিমরেখা (Snow line) বলে। এর উচ্চতা নিরক্ষরেখা থেকে মেরুর দিকেহ্রাস পায়। যেমন-নিরক্ষীয় আন্দিজ পর্বতে ৫৪০০ মি, উপক্রান্তীয় হিমালয়ে ৪৫০০ মি, নাতিশীতোয় আল্পসে ২৮০০ মি এবং মেরু অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠে অবস্থান করে।

👉 মেরু অঞ্চলে সমুদ্রজলে ভাসমান ও গতিশীল বিশালাকার বরফের স্তূপকে হিমশৈল (Ice berg) বলে। এগুলি মিষ্টি জল দিয়ে তৈরি বিশালাকার বরফস্তূপ। গ্রিনল্যান্ড ও আন্টার্কটিকা সংলগ্ন সমুদ্রে এগুলি দেখা যায়।

উৎপত্তি :– মহাদেশীয় হিমবাহের হিমরেখা সমুদ্র পৃষ্ঠ হওয়ায় বরফের স্তূপ সমুদ্র জলে এসে পড়ে। বরফের নিজ ভারে, জলের ঊর্ধ্বচাপে, বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতের ধাক্কায় অখণ্ড হিমবাহের প্রান্তভাগ ভেঙে যায়। কঠিন বরফের ওজন তরল জলের তুলনায় ১০% কম হওয়ায়

বরফচাঁইগুলির ৮/৯ অংশ বা ৮৯% জলে ডুবে থেকে স্রোতের সঙ্গে ভেসে গতিশীল হয়ে হিমশৈল গড়ে ওঠে।।

👉 বিচ্ছিন্ন ও ক্ষয়প্রাপ্ত বিভিন্ন আয়তনের শিলাখণ্ড উপত্যকা হিমবাহের দুপাশে, মাঝখানে, সামনে একসঙ্গে স্তূপাকারে সঞ্চিত হয়ে যে প্রাচীরের মতো ভূমিরূপ সৃষ্টিহয়, তাকে গ্রাবরেখা বলে। তিস্তা নদীর উচ্চ অববাহিকায় লাংচুও লাচেন অঞ্চলে দেখা যায়।

👉 হিমবাহ বাহিত বিভিন্ন আকারের পাথরখণ্ড, নুড়ি, বালি, কাদা পর্বতের পাদদেশের নিম্নভূমিতে একসঙ্গে সঞ্চিত হয়ে সারিবদ্ধভাবে উলটানো নৌকা বা ডিম আকৃতির যে টিলা ইতস্তত ছড়িয়ে থাকে, তাকে ড্রামলিন বলে। এটি ৩০-৬০ মিটার উঁচু, ৪০০-৮০০ মিটার চওড়া, ১-৩কিমি দীর্ঘ হয়। স্কটল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডে দেখা যায়। কোনো স্থানে একসঙ্গে অসংখ্য ছোটোবড়ো ড্রামলিন গড়ে ওঠে এবং সমগ্র অঞ্চলটি ডিম ভরতি ঝুড়ির মতো দেখায়, একে ডিমের ঝুড়ি ভূমিরূপ বা Basket of Egg Topography বলে।

👉 ইংরেজি ‘Deccan’ শব্দের অর্থ দক্ষিণ প্রান্ত বা দাক্ষিণাত্য এবং সুইডিশ ‘Trap’ শব্দের অর্থ সিঁড়ির ধাপ। ক্রেটাসিয়াস থেকে ইয়োসিন যুগে অর্থাৎ 6 থেকে 13 কোটি বছর আগে ভূগর্ভের গুরুমন্ডল থেকে উত্তপ্ত ম্যাগমা কোন বিস্ফোরণ ছাড়াই ভূগর্ভের অসংখ্য ফাটল পথে বেরিয়ে ভারতের দাক্ষিণাত্য উপদ্বীপের উত্তর-পশ্চিম ভাগের বিস্তীর্ণ অঞ্চলটিকে ঢেকে ফেলে। উপদ্বীপীয় দাক্ষিণাত্য মালভূমির ব্যাসল্ট লাভা গঠিত ধাপযুক্ত মালভূমি অঞ্চলকে ডেকান ট্র্যাপ বলে।

👉 সূর্য থেকে নির্গত মোট শক্তির 200 কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে। এই আগত শক্তিকে যদি 100 শতাংশ ধরা হয়, তবে এর 34 শতাংশ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত না করেই মহাশূন্যে ফিরে যায়। এই 34 শতাংশ শক্তিকে অ্যালবেডো বলে।

বৈশিষ্ট্য :– (i) বায়ুমণ্ডলের উত্তাপ বাড়াতে এই শক্তি কোনো ভূমিকা গ্রহণ করে না। (ii) অ্যালবেডো সবচেয়ে বেশি মেঘ থেকে (25%) এবং সবচেয়ে কম স্থলভাগ থেকে (2%) বিক্ষিপ্ত হয়। (iii) কোনো বস্তুকে উত্তপ্ত না করে ফিরে যাওয়ায় আগত রশ্মি এবং বিকিরিত অ্যালবেডোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের কোনও তারতম্য হয় না।

👉 সাধারণত বায়ুমন্ডলে ভূপৃষ্ঠের প্রতি 1000 মিটার উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ৬.৪°C হারে উষ্ণতা হ্রাস পায়। কিন্তু কখনো কখনো উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা হ্রাস না পেয়ে বেড়ে যায়, একে বৈপরীত্য উত্তাপ বলে।

 উৎপত্তি :– সাধারণত পার্বত্য উপত্যকার শান্তি মেঘমুক্ত রাতে পর্বতের উপরের অংশে বায়ু দ্রুত তাপ বিকিরণ করে খুব ঠান্ডা ও ভারী হয় এবং মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে পর্বতের ঢাল বরাবর নিচে উপত্যকায় নেমে আসে। অন্যদিকে উষ্ণ হওয়ার পার্বত্য পাদদেশের বায়ু হালকা হয়ে উপত্যকার ঢাল বেয়ে ঊর্ধ্বগামী হয়। ফলে উপত্যকার নিচু অংশের উত্তাপ উপরের অংশের তুলনায় অনেক কম হয়, একে বৈপরীত্য উত্তাপ বলে।

👉 ভূপৃষ্ঠের উষ্ণতা সব জায়গায় সমান থাকে না। বছরের বিভিন্ন সময়, বিভিন্ন ঋতুতে এমনকি দিনের বিভিন্ন সময় উষ্ণতার তফাৎ লক্ষ্য করা যায়। ভূপৃষ্ঠের যেসব স্থানের বার্ষিক উষ্ণতা একই রকম থাকে সেই সব স্থানকে একটি কাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করে মানচিত্রে দেখানো হয়, এই রেখাটিকে সমোষ্ণরেখা বলে। Isotherms = Iso যার অর্থ সমান + Thermas যার অর্থ উষ্ণতা।

বৈশিষ্ট্য :– সমোষ্ণরেখাগুলি অক্ষরেখার সঙ্গে প্রায় সমান্তরালে ও পূর্ব থেকে পশ্চিমে বিস্তৃত। নিরক্ষরেখায় এর মান সবচেয়ে বেশি এবং মেরুতে এর মান সবচেয়ে কম। দক্ষিণ গোলার্ধে রেখা গুলির মধ্যে ফাঁক বেশি থাকে। উত্তর গোলার্ধে রেখাগুলি খুব ঘনভাবে অবস্থান করে।

👉 পশ্চিমা বায়ু উভয় গোলার্ধে 35° থেকে 60° অক্ষরেখার মধ্যে প্রবাহিত হয়। দক্ষিণ গোলার্ধে পশ্চিমা বায়ুর প্রবাহপথে স্থলভাগের বিস্তার খুবই কম। তাই, বায়ু দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগের ওপর দিয়ে বাধাহীনভাবে প্রবলবেগে সশব্দে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। তাই পশ্চিমা বায়ু দক্ষিণ গোলার্ধে সাহসিক পশ্চিমা বায়ু (Brave West Wind) বা প্রবল পশ্চিমা বায়ু নামে পরিচিত। এই গোলার্ধে 40° দক্ষিণ অক্ষরেখা বরাবর প্রবল গর্জনকারী প্রবাহিত এই বায়ুকে গর্জনশীল চল্লিশা বলে।

👉 উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব আয়ন বায়ু নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় (5° উ. – 5° দ. অক্ষরেখার মধ্য) বরাবর মিলিত হয়। এই অঞ্চলকে আন্তঃক্রান্তীয় মিলন অঞ্চল বা মিলন ক্ষেত্র (Inter Tropical Convergence Zone বা ITCZ) বলে। এই অঞ্চলের বায়ু সর্বদা উয়, আর্দ্র ও হালকা হওয়ায় এই অঞ্চলের বায়ু সকল সময় ঊর্ধ্বমুখী হয়। ভূপৃষ্ঠের সমান্তরালে কোনো বায়ু প্রবাহিত হয় না বলে, এই অঞ্চল নিরক্ষীয় শান্তবলয় নামে পরিচিত।

👉 ভরা কোটালের সময় সমুদ্রের জলস্ফীতি বেশি হওয়ার নদীর মোহনার মধ্য দিয়ে জল প্রবল বেগে নদীতে প্রবেশ করে এবং নদীর অভিমুখের বিপরীতে প্রবাহিত হয়, ফলে নদীতে প্রবল জলোচ্ছ্বাস ঘটে, একে বান ডাকা বলে। যেমন – পশ্চিমবঙ্গের হুগলী, আর্জেন্টিনার লা-প্লাটা নদীতে বান ডাকা দেখা যায়।

  বর্ষাকালে এইসব নদীতে জলের পরিমাণ বেশি থাকায় সেই অবস্থায় ভোরাকোটার হলে তা অতি প্রবল আকার ধারণ করে এবং মোহনার দিকে সমুদ্রের জল প্রবল গর্জন করতে করতে এগিয়ে আসে একে ষাঁড়াষাঁড়ি বান বলে।

👉 জাপানের উপকূল বরাবর উষ্ণ কুরোশিয়ো স্রোত দক্ষিণ দিক থেকে উত্তর দিকে এবং শীতল বেরিং স্রোত উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়।

 অনুরূপভাবে, উত্তর আমেরিকার উত্তর-পূর্ব উপকূলে নিউফাউন্ডল্যান্ডের নিকট উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে এবং শীতল লাব্রাডর স্রোত উত্তর-পূর্ব দিক থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়।

   উষ্ণ সমুদ্রস্রোতের প্রভাবে সমুদ্রজলে বাষ্পীভবন বেশি হয়। ফলে এই স্রোতের প্রভাবে সেই অঞ্চলের জলবায়ু উষ্ণ ও আর্দ্র থাকে। অপরপক্ষে শীতল স্রোতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু শীতল ও শুষ্ক থাকে। এই দুই প্রকার বায়ুর মিশ্রণের ফলে উষ্ণ-আর্দ্র বায়ুর জলীয় বাষ্প শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঘনীভূত হয়ে যায়। ফলে সেই অঞ্চলে ঘন কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

👉 উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যভাগে উপসাগরীয়, উত্তর আটলান্টিক, ক্যানারি ও উত্তর নিরক্ষীয় স্রোতের ঘড়ির কাঁটার দিকে চক্রাকার আবর্তনের ফলে যে স্রোত শূন্য ও সারগাসাম শৈবাল সমৃদ্ধ উপবৃত্তাকার জলাবর্ত বা সাগর সৃষ্টি হয়েছে, তাকে শৈবাল সাগর বলে। এখানে শৈবাল ছাড়া প্ল্যাংকটন, মাছ কিছুই জন্মায় না, তাই একে জীবহীন মরুভূমিও বলা হয়। এটি পৃথিবীর এমন এক সাগর যার কোনো উপকূলরেখা নেই

👉 শীতল স্রোতের সঙ্গে ভেসে আসা হিমশৈল উষ্ণ স্রোতের সঙ্গে মিলিত হলে গলে গিয়ে হিমশৈলে জমে থাকা নুড়ি, কাঁকর, বালি, পলি ও আগাছা ওজন অনুসারে পর্যায়ক্রমে সমুদ্রতলদেশে অধঃক্ষিপ্ত হয়ে যে অগভীর ও মৃদু ঢালু নিমজ্জিত চড়ার সৃষ্টি হয়, তাকে মগ্নচড়া (Submerged Bank) বলে। যেমন– শীতল ল্যাব্রাডার ও উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের মিলনের ফলে উ.-প.আটলান্টিক উপকূলে গ্র্যান্ডব্যাংক, জর্জেস ব্যাংক।

গুরুত্ব :– (১) বাণিজ্যিক মৎস্য ক্ষেত্র :– মগ্নচড়াগুলিতে মাছ ধরার সুবিধা, প্ল্যাংকটন ও ক্রিলের প্রাচুর্যের জন্য বিভিন্ন প্রজাতির মাছেরসমাবেশ, শীতল স্রোতে সার্ডিন, বনিটো, টুনা, হেক, হ্যাডক মাছের আগমন, নাতিশীতোষ, জলবায়ুর জন্য বাণিজ্যিক মৎস্যক্ষেত্রগুলি বিকাশ লাভ করে।

(২) খনিজসম্পদ :– অগভীর মগ্নচড়াগুলিতে সাম্প্রতিক কালে খনিজতেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, ফসফেট, পটাশ, ম্যাঙ্গানিজ নুড়ি, সামুদ্রিক লবণ খনিজদ্রব্য উত্তোলন করা হচ্ছে।

👉 বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গ্যাসীয় বর্জ্য নিয়ন্ত্রণের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞান নির্ভর প্রক্রিয়া হল স্ক্রাবার। এই পদ্ধতিতে শিল্প থেকে নির্গত দূষিত বায়বীয় ও গ্যাসীয় উপাদানের অপসারণ ঘটিয়ে বায়ুকে বিশুদ্ধ করা হয়। স্ক্রাবার দুই প্রকার, যথা–

শুষ্ক স্ক্রাবার :– এই পদ্ধতির মাধ্যমে নির্গত দূষিত ধোঁয়াকে অম্ল মুক্ত করা হয়।

আর্দ্র স্ক্রাবার :– এই পদ্ধতি প্রয়োগ করে দূষণকারী গ্যাস, দূষণ কণা অপসারণ করা হয়। সাধারণত কোনো দ্রবণের মাধ্যমে দূষিত গ্যাসীয় পদার্থকে এই পদ্ধতি দ্বারা অপসারণ করা হয়। দ্রবণে গ্যাসের দ্রাব্যতার উপর এই পদ্ধতির কার্যকারিতা নির্ভর করে। যেমন– NH3 বা H2S মিশ্রিত জলীয় দ্রবণ থেকে দূষিত গ্যাস স্ক্রাবার পদ্ধতিতে দূষণমুক্ত করা হয়।

👉 ইংরেজি ‘Eutrophication’ কথাটি গ্রিক শব্দ ‘Eutrophy’ থেকে এসেছে, যার অর্থ হল- ‘Wellnourished’ বা যে বস্তুকে ভালোভাবে পুষ্টিদান করা হয়েছে। জলাশয় সংলগ্ন অঞ্চলের কৃষিজমিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সার থেকে নাইট্রোজেন, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস জাতীয় পদার্থ জলে মিশে জলজ উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

ইউট্রোফিকেশন হল এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে জলাশয়ের জলে উক্ত পুষ্টিকর পদার্থগুলি মিশ্রিত হয়ে এইভাবে জলজ উদ্ভিদ ও আগাছার পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং পরবর্তীকালে এগুলি পচে গিয়ে জলাশয়ের তলদেশের ভরাটকরণ ঘটায়। ইউট্রোফিকেশনের ফলে জলাশয়ের মাছ মরে যায়।

👉 সুপরিকল্পিত যে প্রক্রিয়াগুলির মাধ্যমে পরিবেশে আসা বিভিন্ন ক্ষতিকর বর্জ্যগুলির কুপ্রভাব থেকে পরিবেশকে মুক্ত করে এর গুণমান বজায় রাখা হয়, তাকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বলে। এই প্রক্রিয়াগুলি হল বর্জ্যের পরিমাণগত হ্রাস, পুনর্ব্যবহার, পুনর্নবীকরণ ও প্রত্যাখ্যান।

👉 ভরাটকরণ: কঠিন বর্জ্য পদার্থ দ্বারা অবনমিত ভূভাগ বা নীচু ভূভাগ উঁচু করাকে ভরাটকরণ বা ল্যান্ডফিল বলে।

ফল :– নীচু ভূভাগ উঁচু হয় এবং বিভিন্ন স্থানের কঠিন বর্জ্য একটি স্থানে এসে সঞ্চিত হয়। এই সুফলের সাথে সংলগ্ন অঞ্চলের পরিবেশ দূষণ এবং মানব শরীরে নানান রোগের প্রাদুর্ভাব প্রভৃতি কুফল দেখা যায়।

সতর্কতা :– (ⅰ) জনবসতি থেকে দূরে বড়ো গভীর জায়গায় ভরাটকরণ করা উচিত। (ii) ভরাটকরণ স্থানের থেকে দূষিত জল চুঁইয়ে যাতে ভৌমজলে না মেশে এই ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত। (iii) দুর্গন্ধ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তা দেখা উচিত। (iv) ভ্যাট থেকে ময়লা সংগ্রহকালে প্রক্রিয়াকরণের পর তা নিয়ে যাওয়া উচিত প্রভৃতি।

👉 জৈব অবশিষ্টাংশ এবং জীবদেহ নির্গত যে সমস্ত বর্জ্য জীবজগৎ ও পরিবেশের ক্ষতি না করে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মৃত্তিকার উর্বরতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, তাদের বিষহীন বা পরিবেশ মিত্র বর্জ্য বলে। উদাহরণ :– শাক-সবজি এবং ফলের খোসা, গাছের পাতা, গৃহপালিত প্রাণীদের বিষ্ঠা প্রভৃতি।

বৈশিষ্ট্য: (i) এই সকল জৈব বর্জ্যগুলি জমিয়ে রেখে পচালে এগুলি কম্পোস্ট সার হিসাবে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে। (ii) জৈব বর্জ্য মাটিতে ব্যবহার করলে মাটির উৎপাদনশীলতার স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পায়। (iii) জৈব অবশিষ্টাংশ পশু ও পাখিদের খাওয়ালে দুধ, ডিম প্রভৃতি প্রোটিন জাতীয় খাদ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি হয়।

👉 বিভিন্ন বৈদ্যুতিন সামগ্রী বা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করার পর পরিত্যক্ত যেসকল বৈদ্যুতিন সামগ্রী তথা বিভিন্ন গ্যাজেট পরিবেশে মিশে পরিবেশকে দূষিত করে, সেগুলিকে ই-ওয়েস্ট (E-Waste) বা বৈদ্যুতিন বর্জ্য বলে। যেমন- কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, রেডিয়ো, টিভি, সেলফোন, বৈদ্যুতিন খেলনা, ফ্রিজ, টেপরেকর্ডার, ইত্যাদির পরিত্যক্ত অংশ। এই সমস্ত যন্ত্রাংশের অবশিষ্ট অংশে সিসা, ক্যাডমিয়াম, বেরিলিয়াম জাতীয় ক্ষতিকারক পদার্থ থাকে। এগুলির প্রভাবে ব্ল্যাকফুট, ইতাই ইতাই, মিনামাটা ইত্যাদি রোগ হয়।

👉 পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র, পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ কেন্দ্র এবং পারমাণবিক চুল্লি থেকে প্রাপ্ত বা পারমাণবিক গবেষণার দ্বারা সৃষ্ট বিভিন্ন প্রকার তেজস্ক্রিয় পদার্থকে বলে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য। যেমন– ইউরেনিয়াম 234, নেপটুনিয়াম 237, প্লুটোনিয়াম 234, রেডিয়াম 226 ইত্যাদি।

  এই সকল তেজস্ক্রিয় বর্জ্য পদার্থের প্রভাব মানবদেহে বহুকাল স্থায়ী হয়। এই বর্জের প্রভাবে ঘটে বন্ধ্যবত্ব, স্নায়ুরোগ, পঙ্গুতা, বিকলাঙ্গ শিশুর জন্ম, লিউকোমিয়া, ক্যানসার ইত্যাদি।

👉 যে পদ্ধতিতে কঠিন জৈব বর্জ্য আণুবীক্ষণিক জীবের প্রভাবে বিয়োজিত হয়ে হিউমাস মৃত্তিকায় পরিণত হয়, তাকে কম্পোস্টিং (Composting) বলে। হিউমাস মৃত্তিকা গঠিত জৈব সার কম্পোস্ট সার নামে পরিচিত।

শ্রেণিবিভাগ :– কম্পোস্টিং দুটি পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়, যথা– (i) বায়ুর উপস্থিতিতে সবাত কম্পোস্টিং এবং (ii) বায়ুর অনুপস্থিতিতে অবাত কম্পোস্টিং।

উপযোগিতা :– (i) কম্পোস্ট সার মাটির উর্বরতা ও জলধারণ ক্ষমতা

বাড়ায়। (ii) মাটি দীর্ঘদিন উর্বরতা ধরে রাখে। (iii) কম্পোস্ট সার ফসল উৎপাদনের জন্য আদর্শ।

শিবালিক পর্বতের উত্তরে যে সমতল অনুদৈর্ঘ্য উপত্যকা সৃষ্টি হয়েছে উত্তরাখণ্ডে স্থানীয় ভাষায়, তাকে’ দুন’ বলে।

উৎপত্তি :– শিবালিকের উত্থানের ফলে হিমাদ্রি ও হিমাচল থেকে আগত নদীগুলি গতি রুদ্ধ হয়ে হ্রদ সৃষ্টি করে এবং ক্ষয়িত পদার্থ জমা হতে থাকে। পরে নদীগুলি শিবালিক কেটে দক্ষিণে প্রবাহিত হলে এদের জল সরে গিয়ে প্রশস্ত সমভূমি গঠন করে।

উদাহরণ :– দেরাদুন দেশের বৃহত্তম দুন (৭৫ কিমি দীর্ঘ, ১৫-২০ কিমি চওড়া)।

👉 ‘মালনাদ’ শব্দের অর্থ ‘পাহাড়ি দেশ’। কর্ণাটক মালভূমির পশ্চিমাংশে পশ্চিমঘাট পর্বতের পাদদেশে অবস্থিত ব্যাবচ্ছিন্ন মালভূমি অঞ্চলকে মালনাদ বলে। এটি গ্রানাইট ও নিস্ শিলা দ্বারা গঠিত।

  ‘ময়দান’ শব্দের অর্থ ‘অনুচ্চ ভুভাগ’। কর্ণাটক মালভূমির পূর্বাংশে অবস্থিত সমপ্রায় ভূমিকে ময়দান বলে। এটি ক্ষয়জাত পদার্থ দ্বারা গঠিত।

👉 নদীতে বাঁধ দিয়ে নদীর প্রবাহিত জলসম্ভারকে মানব কল্যাণের জন্য নানাবিধ উদ্দেশ্যে ব্যবহারের যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, তাকে বহুমুখী নদী পরিকল্পনা বলে। যথা- দামোদর নদী পরিকল্পনা, হীরাকুঁদ পরিকল্পনা, ভাকরা নাঙ্গাল পরিকল্পনা ইত্যাদি। বহুমুখী নদী উপত্যকা পরিকল্পনার উদ্দেশ্যগুলি হল-

বন্যা নিয়ন্ত্রণ :– বন্যাপ্রবণ অঞ্চলে নদী পরিকল্পনার সাহায্যে বন্যা নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

জলসেচ ব্যবস্থার উন্নতি :– নদী পরিকল্পনার সাহায্যে জলাধার নির্মাণ করে তা থেকে খাল কেটে কৃষিক্ষেত্রে জলসেচ করা হয়।

বিদ্যুৎ উৎপাদন :– নদী পরিকল্পনার সাহায্যে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন :– জলাধার ও বাঁধ নির্মাণ করে উক্ত স্থানে পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন করা হয়।

অন্যান্য :– ভূমিক্ষয় রোধ, অবসর বিনোদন, রোগ নিবারণ ও নিয়ন্ত্রণ করা।

👉 সংজ্ঞা :→ শরৎকালে অর্থাৎ অক্টোবর-নভেম্বর মাসে যখন দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ভারত থেকে প্রত্যাগমন করে, তখন বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন ভারত মহাসাগরের ওপর শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়, যা উত্তরমুখী হয়ে বঙ্গোপসাগরীয় উপকূলের রাজ্যগুলির ওপর প্রবল ঝড়-বৃষ্টি-সহ আছড়ে পড়ে। একে বলে সাইক্লোন। যেহেতু পশ্চিমবঙ্গে প্রধানত আশ্বিন মাসে এই সাইক্লোন তথা ঘূর্ণিঝড়ের আবির্ভাব ঘটে, তাই এখানে এটি আশ্বিনের ঝড় নামে পরিচিত।

 👉 বিষয় :→ শীতকালে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প বহন করে নিয়ে আসা দুর্বল নাতিশীতোয় ঘূর্ণবাতের প্রভাবে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম ভারতের জম্মু-কাশ্মীর, রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ড রাজ্যের শীতকালীন রোদ ঝলমলে আবহাওয়া বিঘ্নিত হয় এবং মাঝে মাঝে এই অঞ্চলে হালকা বৃষ্টিপাত ও পার্বত্য অঞ্চলে তুষারপাত হয়। 25°-35° উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ধেয়ে আসা এই ঘূর্ণবাতকেই পশ্চিমি ঝঞ্ঝা বলা হয়।

প্রভাব :– এই ঘূর্ণবাতের প্রভাব কখনো-কখনো গাঙ্গেয় উপত্যকা দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত আসে। শীতকালীন রবিশস্য চাষের পক্ষে এই বৃষ্টি খুব উপযোগী।

👉 গ্রীষ্মকালের শেষে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর আরব সাগরীয় শাখা সমুদ্র থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প সংগ্রহ করে জুন মাসের

প্রথম সপ্তাহে কেরালের মালাবার উপকূলে পৌঁছোয়। পরবর্তী সময়ে পশ্চিমঘাট পর্বতে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে এই বায়ু হঠাৎ ঊর্ধ্বমুখী হয় এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। একেই মৌসুমি বিস্ফোরণ বলে।

👉 তেলুগু শব্দ ‘Regada’ থেকে ‘রেগুর’ শব্দের উৎপত্তি। এর অর্থ কৃষ্ণবর্ণ। দাক্ষিণাত্যের মালভূমির উত্তর-পশ্চিমাংশে এই মাটি দেখা যায়। এই অঞ্চল ক্রিটেশাস যুগের লাভা দ্বারা গঠিত। এই লাভা জমাট বেঁধে ব্যাসল্ট শিলার সৃষ্টি হয়। ব্যাসল্ট শিলা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে যে মাটির সৃষ্টি হয়েছে, তাতে টাইটেনিয়াম অক্সাইডের পরিমাণ বেশি থাকে। এই কারণেই এই মাটির রং কালো।

👉 অবস্থান :– ভারতের প্রায় 5.50 লক্ষ বর্গ কিমি বা 17% অঞ্চল জুড়ে কৃষ্ণ মৃত্তিকা বিস্তৃত। মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশের পশ্চিম অংশ, গুজরাটের দক্ষিণ অংশ, অন্ধ্রপ্রদেশের উত্তর-পশ্চিম অংশ, কর্ণটিকের উত্তর ও তামিলনাড়ুর উত্তর অংশ জুড়ে কৃয় মৃত্তিকা বিস্তৃত। উৎপত্তি: স্বল্প বৃষ্টিপাতের প্রভাবে ব্যাসল্ট শিলা থেকে কৃষ্ণ মৃত্তিকা সৃষ্টি হয়।

বৈশিষ্ট্য :– (i) টাইটেনিয়াম অক্সাইডের পরিমাণ বেশি থাকায় এই মাটির রং কালো। (ii) পলি ও কাদার ভাগ বেশি হওয়ায় (50-80%) এই মাটির জলধারণ ক্ষমতা বেশি। (iii) এই মাটিতে অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড 10%, লৌহ অক্সাইড 9-10%, ম্যাগনেশিয়াম কার্বনেট 6-8% অনুপাতে থাকে।

উৎপাদিত শস্য :– কৃষ্ণ মৃত্তিকার প্রধান ফসল কার্পাস। তাই এই মাটিকে কৃষ্ণ কার্পাস মৃত্তিকা বা ‘Black Cotton Soil’ বলে। এছাড়া মিলেট, তৈলবীজ, তামাক, পেঁয়াজ, যব, আলু ইত্যাদি এই মাটির প্রধান ফসল।

👉 গ্রীষ্মকালে উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে সাথে সমগ্র ভারতে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশে তা প্রবল নিম্নচাপে পরিণত হয়। এরপর জলীয় বাষ্পপূর্ণ দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন পরিমাণে বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন

অঞ্চলে তাপমাত্রা হ্রাস পায়। তখন সর্বত্র বায়ুচাপেরও পরিবর্তন ঘটে। এ সময় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর গতিও হ্রাসপ্রাপ্ত হয়। ইহার প্রবেশের পথে বাধার সৃষ্টি হয়। তখন মাঝে মাঝে বৃষ্টিপাতের সাময়িক বিরতি ঘটে। একেই বলে’মৌসুমি বৃষ্টিপাতের ছেদ’ বা ‘Break of Monsoon’ ।

👉 লু : গ্রীষ্মকালে অর্থাৎ মে-জুন মাসে সকাল ১০টার পর উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম ভারতে ভূপৃষ্ঠের সমান্তরালে যে উষ্ণ ও শুষ্ক বায়ু প্রবাহিত হয়, তাকে স্থানীয় ভাষায় ‘লু’ বলে।

বৈশিষ্ট্য :– (i) এটি একটি স্থানীয় বায়ু। (ii) বায়ুর উন্নতা 40°সে.-50° সে. পর্যন্ত হয়। (iii) দুপুরবেলা লু-এর গতিবেগ বেশি হয় (30-40 কিমি/ঘণ্টা)। (iv) বায়ুতে জলীয় বাষ্প থাকে না বললেই চলে।

প্রভাব :– (i) স্বাভাবিক উদ্ভিদ ঝলসে যায়। (ii) অনেক সময় অনেক গবাদি পশু ও মানুষ মারা যায়।

  আঁধি : আঁধি একটি স্থানীয় বায়ু। গ্রীষ্মকালে রাজস্থানের পশ্চিমাংশে (মরু অঞ্চলে) ভয়ানক ধূলিঝড় সৃষ্টি হয়। একে স্থানীয় ভাষায় আঁধি বলে। এর গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় 50-60 কিমি। । এই সময় দিনের বেলা বায়ুর তাপমাত্রা প্রায় 40°- 47° সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত হয়। এর ফলে এখানে গভীর নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়।

প্রভাব :– বাতাসে জলীয় বাষ্প কম থাকায় মেঘের সঞ্চার হয় না। ফলে আঁধির প্রভাবে বৃষ্টিপাত হয় না। তবে বায়ুর তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পায়। এই ঝড়ের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর পরিমাণ ধূলিকণা ও বালুকণা বাতাসে ভেসে থাকে। এই ধূলিঝড়ের প্রভাবে রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, কৃষিক্ষেত্র ধুলোবালিতে ঢেকে যায়। প্রচুর সম্পত্তি নষ্ট হয় এবং এমনকি প্রাণহানি পর্যন্ত হয়ে থাকে।

👉 গ্রীষ্মকালে তামিলনাডু ও অন্ধ্রপ্রদেশে বজ্রবিদ্যুৎসহ বজ্রঝঞ্ঝার (Thunderstorm) প্রভাবে যথেষ্ট বৃষ্টিপাত হয়। তাই একে আম্রবৃষ্টি বলে। এই বৃষ্টির প্রভাবে এখানে আমের ফলন ভালো হয়। তাই একে আম্রবৃষ্টি বলে। কণটিকে এই বৃষ্টিতে কফি চাষের সুবিধা হয়, তাই সেখানে ইহা Cherry Blossoms নামে পরিচিত।

👉 World Commission on Environment and Development অর্থাৎ ব্রুন্টল্যান্ড কমিশনের দেওয়া সংজ্ঞা অনুসারে – “ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রয়োজন মেটানোর ক্ষেত্রে কোন বাধা সৃষ্টি না করে বর্তমান প্রজন্মের চাহিদা মেটানোর জন্য যে উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় তাকে স্থিতিশীল উন্নয়ন বলা হয়।” Sustainable Development কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন এভাবেলফোর।

▶️ ভারতের যে সকল শহরের জনসংখ্যা ১০ লক্ষ থেকে ৫০ লক্ষের কম, সেই শহর গুলিকে মহানগর বলা হয়। এই প্রকার শহরকে “মিলিয়ন সিটি”-ও বলা হয়। ২০১১ সালের সেনসাস অনুযায়ী ভারতের মিলিয়ন শহরের সংখ্যা ৫৩ টি।

▶️ ভারতের প্রধান চারটি মেট্রোপলিটন শহর – মুম্বাই, দিল্লি, চেন্নাই ও কলকাতাকে ৫৮৪৬ কিমি দীর্ঘ ৪-৬ চ্যানেল বিশিষ্ট জাতীয় সড়ক দ্বারা যুক্ত করা হয়েছে একে ‘সোনালী চতুর্ভুজ’ বলে।  এই চতুর্ভুজের চারটি বাহু হলো– কলকাতা-দিল্লি বা NHI9 (১৪৫৩ KM), দিল্লি-মুম্বই বা NH8 (১৪১৯ KM), মুম্বই-চেন্নাই বা NH48 (বাহু সর্বনিম্ন ১,২৯০ কিমি) এবং চেন্নাই-কলকাতা বা NH16 (দীর্ঘতম বাহু, ১৬৮৪ কিমি) দৈর্ঘ্যযুক্ত।

গুরুত্ব :– এর মাধ্যমে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলির মধ্যে অতি দ্রুত পরিবহন সম্ভব হয়। দ্রুত ট্রাক চলাচলের জন্য কৃষি যাতে পণ্য সহজে দেশের বিভিন্ন শহর ও বন্দর গুলোতে পাঠানো যায়। যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হয় যা শিল্পায়ন ও কর্ম সংস্থানের পক্ষে সহায়ক।

▶️ সোনালী চতুর্ভুজ প্রকল্পের দেশের বৃহৎ ৪টি মেট্রোপলিটান শহর দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই ও কলকাতা সংযোগকারী অতি দ্রুতগামী রেল যোগাযোগ প্রকল্পকে ‘হীরক চতুর্ভুজ’ বলে। ২০১৪-১৫ রেল বাজেটে ঘণ্টায় ৩২০ কিমি গতিসম্পন্ন ৭টি পথে এই স্ট্যান্ডার্ড গেজ রেল প্রকল্প গৃহীত হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এই চারটি শহরের মধ্যে যাতায়াত ব্যবস্থায় অনেক সময় ও অর্থের আশ্রয় হয়।

👉 কোনো বৃহদায়তন শিল্প থেকে যেসব শিল্পজাত দ্রব্য উৎপাদিত হয় সেইসব শিল্পজাত দ্রব্যকে ব্যবহার করে যেসব ছোটো ছোটো শিল্প গড়ে ওঠে তাদের অনুসারী শিল্প বা ডাউন স্ট্রিম ইন্ডাস্ট্রি বলে। যেমন- পেট্রো-রসায়ন শিল্প থেকে উৎপন্ন প্লাস্টিক বা PVC শিটকে ব্যবহার করে বহু রকমের প্লাস্টিক শিল্প গড়ে উঠেছে।

👉 শিল্পে ব্যবহৃত বিভিন্ন কাঁচামালের মধ্যে যে-সকল কাঁচামাল ব্যবহার করে শিল্পজাত দ্রব্য প্রস্তুত করলে উৎপন্ন দ্রব্যের ওজন একই থাকে, সেই সকল কাঁচামালকে বলে বিশুদ্ধ কাঁচামাল। কার্পাস একটি বিশুদ্ধ কাঁচামাল। কারণ, 1 টন তুলো থেকে 1 টন সুতো তৈরি হয়। আবার 1 টন সুতো থেকে 1 টন সূতিবস্ত্র তৈরি হয়। এক্ষেত্রে কাঁচামাল ও শিল্পজাত পণ্যের ওজনের অনুপাত থাকে 1: 1, বা পণ্যসূচক 1.

   তাই কার্পাস শিল্পকেন্দ্রগুলি কাঁচামালের উৎস স্থানের কাছে, বা বাজারের কাছে বা অন্য কোনো সুবিধাজনক স্থানে (যেখানে উন্নত পরিবহণ ব্যবস্থা, জলের সরবরাহ, বিদ্যুৎ সরবরাহ, শ্রমিকের সরবরাহ, আর্দ্র জলবায়ু বর্তমান) গড়ে উঠতে পারে। এ কারণে কার্পাস শিল্পকে শিকড়-আলগা শিল্প বলে।

👉 কৃত্রিম উপগ্রহে আটকানো থাকে এমন একটি বিশেষ যন্ত্র বা Device হল সেন্সর। যা মহাকাশ থেকে ভূ-পৃষ্ঠের বস্তু দ্বারা প্রতিফলিত আলো সংগ্রহ করে তার বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে। সেন্সর দুই প্রকারের–

সক্রিয় সেন্সর :– এগুলি নিজের দেহের আলো বস্তুর উপর প্রতিফলন করে দিন বা রাত্রি যে-কোনো সময়ের তথ্য সংগ্রহ করে। যেমন- র‍্যাডার, অ্যাকটিভ রেডিয়োমিটার।

নিষ্ক্রিয় সেন্সর :– এগুলি সূর্যের আলো বস্তুর উপর প্রতিফলিত করে তথ্য সংগ্রহ করে। তাই কেবলমাত্র দিনের আলোতেই এগুলি তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। যেমন ফটোগ্রাফিক ক্যামেরা, টিভি ক্যামেরা ইত্যাদি।

👉 ভূপৃষ্ঠের কোনো লক্ষ্য বস্তুকে স্পর্শ না করে, দূর থেকে বিশেষ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সাহায্যে বস্তু সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করার ব্যবস্থাকে দূর সংবেদন বা ‘Remote Sensing’ বলে।

বৈশিষ্ট্য :– i) এই চিত্র সাধারণত দুটি পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা হয়। যথা- (a) উপগ্রহ চিত্র (b) বিমান চিত্র

(ii) উপগ্রহ চিত্রে সেন্সরের সাহায্যে ডিজিটাল পরিসংখ্যান গ্রহণ করে ভূপৃষ্ঠের নিয়ন্ত্রক কেন্দ্রগুলিতে সংরক্ষিত হয়, পরে তা বিভিন্ন পদ্ধতিতে বিশ্লেষণ করা হয়।

👉 সাধারণ মানচিত্রে ভূপৃষ্ঠের উপাদানগুলির প্রকৃত রং ব্যবহার করা হয়। উপগ্রহ চিত্রের ক্ষেত্রে ভূপৃষ্ঠের উপাদানগুলির প্রকৃত রঙের পরিবর্তে অন্য রং বা ছদ্ম রং ব্যবহার করা হয়, একেই F.C.C. বলা হয়। এক্ষেত্রে লাল, সবুজ ও নীল রঙের উপাদানগুলিকে যথাক্রমে NIR Band, লাল ও সবুজ রং দিয়ে দেখানো হয়।

👉 সংজ্ঞা :– যে মানচিত্রে ভূপৃষ্ঠের প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক উপাদানগুলি বিভিন্ন প্রচলিত প্রতীক-চিহ্ন ব্যবহারের মাধ্যমে চিত্রায়িত করা হয় সেই মানচিত্রকে ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র বলে। বৃহৎ স্কেলের এই মানচিত্র সুনির্দিষ্ট স্কেলে ও সুনির্দিষ্ট অভিক্ষেপের মাধ্যমে অঙ্কন করা হয়। ভারতীয় সর্বেক্ষণ বিভাগ (Survey of India) এই মানচিত্র প্রস্তুত ও প্রকাশ করে। ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রের বৈশিষ্ট্যগুলি হল-

(i) ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র কতকগুলি সুনির্দিষ্ট স্কেলে অঙ্কন করা হয়। (ii) মানচিত্রগুলির দ্রাঘিমা ও অক্ষাংশগত বিস্তার সুনির্দিষ্ট থাকে। (iii) নিখুঁত জরিপকার্যের মাধ্যমে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করে এই মানচিত্র অঙ্কন করা হয়।

👉 মানচিত্রে কোনো দুটি স্থানের মধ্যে দূরত্ব এবং ভূমিভাগে সেই দুটি স্থানের মধ্যে দূরত্বের অনুপাতকে যখন ভগ্নাংশের সাহায্যে প্রকাশ করা হয় তখন তাকে বলা হয় ভগ্নাংশসূচক স্কেল বা R.F. (Representative Fraction)

অর্থাৎ R.F = মানচিত্রে দূরত্ব ÷ ভূমিভাগে দূরত্ব

ব্যবহার :– (i) এক্ষেত্রে ভগ্নাংশের লব = মানচিত্রে দূরত্ব এবং হর = ভূমিভাগে দূরত্ব নির্দেশ করে। লব বা হরের কোনো নির্দিষ্ট একক থাকে না। ইহা একটি এককবিহীন স্কেল। (ii) R.F-এর লব এর মান সর্বদা 1 হয়। (iii) লব ও হরের একই একক ধরা হয়। তাই এই স্কেলের ব্যবহারিক গুরুত্ব খুব বেশি। যে কোনো দেশে যে কোনো এককে ইহা কার্যকরী হয়। (iv) এই স্কেলকে বিবৃতিমূলক স্কেলে বা রৈখিক স্কেলে সহজে রূপান্তরিত করা যায়।

বিষয় ভিত্তিক ৩ নম্বরের ভূগোলের প্রশ্ন সাজেশন

নিজে প্রাকৃতিক ভূগোল আঞ্চলিক ভূগোল এবং পরিবেশ ভূগোল সবথেকে মিলিয়ে মিশিয়ে বেস্ট পাঁচ নম্বর প্রশ্ন আসা যে সুযোগ রয়েছে সেগুলো তোমাদের সামনে দেওয়া হল। এগুলোর উত্তর তোমাদের যে পাঠ্য বই রয়েছে সেখানে খুব ভালো করে দেওয়া রয়েছে, তাই আলাদা করে আর এগুলোর উত্তর দেওয়া হচ্ছে না তোমরা এগুলো বই থেকে পড়ে নিও তোমাদের সাজেশনের জন্য নিচে প্রশ্নগুলো দেওয়া থাকলো।

  • মন্থকূপ ও প্রপাত কূপের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
  • সব নদীর মোহনায় বদ্বীপ গড়ে ওঠে না কেন?
  • অথবা, বদ্বীপ সৃষ্টির অনুকূল ভৌগোলিক পরিবেশ গুলি আলোচনা করো।
  • গিরিখাত ও ক্যানিয়নের মধ্যে পার্থক্য করো।
  • রসে মতানে ও ড্রামলিনের মধ্যে তিনটি পার্থক্য লেখো।
  • নদী উপত্যকা ও হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য লেখো।
  • মরু সম্প্রসারণের তিনটি কারণ সংক্ষেপে আলোচনা করো।
  • স্থলবায়ু এবং সমুদ্র বায়ুর মধ্যে পার্থক্য লেখো।
  • ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘূর্ণবাতের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
  • ওজোন স্তর বিনাশের তিনটি ফলাফল লেখো।
  • জোয়ার ভাটার সুফল ও কুফল উল্লেখ করো।
  • সমুদ্র স্রোত সৃষ্টির তিনটি কারণ উল্লেখ করো।
  • শিল্প বর্জ্যের ব্যবস্থাপনার পদ্ধতিগুলি সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো।
  • পরিবেশের উপর বর্জ্যের প্রভাব আলোচনা করো।
  • বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীদের ভূমিকা।
  • জৈব ভঙ্গুর বর্জ্য এবং জৈব অভঙ্গর বর্জ্যের মধ্যে পার্থক্য লেখ
  • বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় স্ক্রাবারের ভূমিকা কী?
  • বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় 4R কী?
  • ভারতে কৃষ্ণ মৃত্তিকার বণ্টন ও বৈশিষ্ট্য লেখো।
  • টিকা লেখো – ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা।
  • ভারতে মৃত্তিকা সংরক্ষণের তিনটি পদ্ধতি আলোচনা কর
  • ভারতের কৃষিতে কেন জল সেচের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে?
  • ভারতের কৃষিতে সবুজ বিপ্লবের তিনটি ফলাফল লেখো।
  • কৃষি ও সামাজিক বনসৃজনের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
  • মৌসুমী বায়ুর ওপর জেট বায়ুর প্রভাব সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো।
  • পূর্ব ঘাট ও পশ্চিমঘাট পর্বতমালার পার্থক্য আলোচনা করো।
  • ভারতের দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণগুলি আলোচনা করো।
  • উপগ্রহ চিত্রের প্রধান তিনটি ব্যবহার লেখো।
  • উপগ্রহ চিত্র ও ভূবৈচিত্র সূচক মানচিত্রের পার্থক্য আলোচনা করো।
  • অথবা, মানচিত্র ও উপগ্রহ চিত্রের পার্থক্য লেখো।
  • জিওস্টেশনারি ও সানসিনক্রোনাস উপগ্রহের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
  • ভূবৈচিত্রসূচক মানচিত্রে ব্যবহৃত বিভিন্ন স্কেলগুলি উল্লেখ করো।
  • ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রের সুবিধা ও অসুবিধাগুলি লেখো।
  • স্কেলভেদে বিভিন্ন প্রকার ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রের শ্রেণিবিভাগ করো।

5 Marks Suggestion: মাধ্যমিক ভূগোল পাঁচ নম্বরের প্রশ্ন সাজেশন

  • হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপগুলির পরিচয় দাও।
  • হিমবাহ ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ গুলির পরিচয় দাও।
  • উষ্ণতার তারতম্যের ভিত্তিতে বায়ুমণ্ডলের স্তর বিন্যাস করো।
  • পৃথিবীতে বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাব বা ফলাফল আলোচনা করো।
  • বায়ুচাপ বলের সঙ্গে নিয়ত বায়ুর সম্পর্ক আলোচনা করো।
  • অথবা, নিয়ত বায়ুর গতিপথ ও প্রভাব আলোচনা করো।
  • সমুদ্রস্রোতের প্রভাব গুলি আলোচনা করো।
  • জোয়ার ভাটা সৃষ্টির কারণগুলি আলোচনা করো।
  • ভারতের পূর্ব উপকূল ও পশ্চিমবঙ্গ কুলের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
  • প্রশ্ন বরাবর হিমালয় এর শ্রেণীবিভাগ আলোচনা করো।
  • ভারতে গম চা আখ চাষের অনুকূল ভৌগোলিক পরিবেশ গুলি আলোচনা করো।
  • পশ্চিম ভারতে কার্পাস বয়ন শিল্পের কেন্দ্রীভবনের কারণ গুলি লেখো।
  • পূর্ব ও মধ্য ভারতের লৌহ ইস্পাত শিল্পের কেন্দ্রীভবনেরকারণ গুলি লেখো।
  • ভারতের নগরায়নের সমস্যা গুলি আলোচনা করো।

ম্যাপ পয়েন্টিং ১০ নম্বর সাজেশন: Map Pointing Suggestion

পাহাড়-পর্বতআরাবল্লী পর্বত, সাতপুরা পর্বত, শিবালিক পর্বত, বিন্ধ্যপর্বত, নীলগিরি
নদ-নদীনর্মদা নদী, কৃষ্ণা নদী, মহানদী, গোদাবরী নদী, কাবেরী নদী
ভূ-প্রকৃতিবছরে দুবার বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চল (করমণ্ডল উপকূল )
ভারতের অত্যধিক বৃষ্টিপাতযুক্ত স্থান (মৌসিনরাম)
একটি ম্যানগ্রোভ অরণ্য অঞ্চল (সুন্দরবন)
ভারতের চিরহরিৎ অরণ্য অঞ্চল (পশ্চিমঘাট পর্বতের পশ্চিম ঢাল)
ভারতের  কৃষ্ণমৃত্তিকা অঞ্চল (গুজরাট, মহারাষ্ট্র)
ভারতের একটি লবণাক্ত মৃত্তিকা অঞ্চল (সুন্দরবন)
ভারতের একটি লোহিত মৃত্তিকা অঞ্চল
কৃষি অঞ্চলভারতের একটি কফি উৎপাদক অঞ্চল ( কর্ণাটকের চিকমাগালুর, তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুর)
পূর্ব ভারতে চা উৎপাদক অঞ্চল (পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং)
একটি আখ উৎপাদক অঞ্চল (উত্তর প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক)
পশ্চিম ভারতের একটি মিলেট উৎপাদক অঞ্চল ( হরিয়ানা, কর্ণাটক, উত্তরাখন্ড)
শিল্প কেন্দ্রপশ্চিম ভারতের একটি কার্পাস বয়ন শিল্পকেন্দ্র (মুম্বাই ,নাগপুর, আমেদাবাদ, সুরাট)
ভারতের বৃহত্তম জাহাজ নির্মাণ কেন্দ্র (বিশাখাপত্তনম)
পশ্চিমবঙ্গের একটি তৈলরসায়ন শিল্পকেন্দ্র (হলদিয়া)
পশ্চিমবঙ্গের একটি রেলইঞ্জিন নির্মাণ কেন্দ্র (চিত্তরঞ্জন)
ভারতের বৃহত্তম তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পকেন্দ্র (বেঙ্গালুরু)
ভারতের বৃহত্তম পেট্রোরসায়ন শিল্প কেন্দ্র (জামনগর)
বন্দরভারতের শুল্কমুক্ত বা করমুক্ত বন্দর (কান্ডালা)
ভারতের সর্বোত্তম স্বাভাবিক ও পোতাশ্রয়যুক্ত বন্দর (বিশাখাপত্তনম)
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণকলকাতা
পক্ প্রণালী
ইন্দিরা পয়েন্ট।
ভারতের সর্বাধিক জনঘনত্বপূর্ণ কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল (দিল্লী)
ভারতের প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র (দিল্লী)
ভারতের একটি জীবন্ত আগ্নেয়গিরি (আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের ব্যারেন)
মালাবার উপকূল
কঙ্কন উপকূল
ভেম্বানাদ কয়াল
লোকটাক হ্রদ
চিল্কা হ্রদ
কচ্ছের রণ অঞ্চল
ভারতের ডেট্রয়েট (চেন্নাই)
পূর্ব ভারতের একটি আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর (কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু  আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বা দমদম বিমানবন্দর)

মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2024 (PDF Download)

মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন1 MB
PDF Download ↓

উপরে সাজেশন ছাড়াও তোমরা নিজেরা বই থেকে এবং সহায়িকা বইয়ের সাহায্য নেবে, শিক্ষক-শিক্ষিকার যে প্রশ্নগুলো প্র্যাকটিস করাবে সেগুলো খুব ভালো করে পড়ে যাবে।

আমাদের হোয়াটসঅ্যাপটেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হোন -

Join Group

Telegram