Class 11 2nd Semester Philosophy Suggestion (দর্শন) একাদশ শ্রেণি ফিলোসফি লাস্ট মিনিট সাজেশন

Pralay Roy

Published on:

Class 11 2nd Semester Philosophy Suggestion Question Answer WBCHSE

উচ্চ মাধ্যমিক নতুন সেমিস্টার সিস্টেমের একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টারের দর্শন (Philosophy) বিষয়ের সম্পূর্ণ লাস্ট মিনিট সাজেশন এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর আজকের এই আর্টিকেলে শেয়ার করা হলো।

— Advertisement —

দর্শন একটি লজিক্যাল বা যুক্তিপূর্ণ বিষয়, তাই এখানে মুখস্থ করার চেয়ে বোঝার গুরুত্ব বেশি। লিখিত পরীক্ষা হবে ৪০ নম্বরের। তোমরা যারা সারা বছর লজিক প্র্যাকটিস করেছো, তাদের জন্য এই সাজেশনটি রিভিশনের কাজ করবে। আর যারা এখনো সেভাবে প্রস্তুতি নিতে পারোনি, তারা নিচের প্রশ্নগুলো তৈরি করে গেলে পরীক্ষায় ভালো ফলাফল নিশ্চিত করতে পারবে।

একাদশ দ্বিতীয় সেমিস্টার দর্শন প্রশ্ন কাঠামো (WBCHSE Class 11 2nd Sem Philosophy Question Pattern)

বিষয় (Topic)প্রশ্নের ধরন (Type of Questions)মোট নম্বর (Total Marks)
পাশ্চাত্য যুক্তিবিজ্ঞান (Western Logic)২, ৩ ও ৬ নম্বরের প্রশ্ন ও লজিক২০ নম্বর
নীতিবিজ্ঞান (Ethics: Indian & Western)২, ৩ ও ৬ নম্বরের প্রশ্ন২০ নম্বর
মোট (TOTAL)৪০ নম্বর

HS Class 11 2nd Semester Philosophy Master Plan: স্মার্ট স্ট্র্যাটেজি

দর্শন পরীক্ষাতে তোমাদের মূলত দুটি অংশ—’পাশ্চাত্য যুক্তিবিজ্ঞান’ এবং ‘নীতিবিজ্ঞান’ থেকে মোট ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হবে। অন্ধের মতো সব মুখস্থ না করে নিচের এই ‘গেম প্ল্যান’ মেনে পড়াশোনা করলে ৪০-এর মধ্যে ৩৫+ পাওয়া খুব সহজ।

টপিকপাঠ্য বিষয় ও টিপসপরীক্ষার জন্য স্মার্ট স্ট্র্যাটেজি
পাশ্চাত্য যুক্তিবিজ্ঞান (Logic)বচন, বিরোধিতা, আবর্তন-বিবর্তন, ন্যায়প্র্যাকটিস মাস্ট! এই অংশ থেকে বড় প্রশ্ন হিসেবে ‘বৈধতা বিচার’ (Validity Test) আসবেই। সংজ্ঞা মুখস্থ করার চেয়ে লজিকের নিয়মগুলো ভালো করে ঝালিয়ে নাও। বিশেষ করে ‘নিরপেক্ষ ন্যায়’ ও ‘বিরোধিতা’-র ছক প্র্যাকটিস করো।
নীতিবিজ্ঞান (Ethics)ভারতীয় (চার্বাক, বৌদ্ধ, গীতা) ও পাশ্চাত্য নীতিবিদ্যাপার্থক্য ও ব্যাখ্যা: এখান থেকে ‘পার্থক্য লেখো’ ধর্মী প্রশ্ন বেশি আসে (যেমন: সকাম ও নিষ্কাম কর্ম)। বড় প্রশ্নের জন্য ‘চার্বাক দর্শন’ এবং ‘বেন্থাম/মিল-এর উপযোগবাদ’ খুব গুরুত্বপূর্ণ।

WBCHSE Class 11 2nd Semester Philosophy Suggestion: অধ্যায়ভিত্তিক সাজেশন

— Advertisement —

তোমাদের সুবিধার্থে আমরা সম্পূর্ণ সিলেবাস থেকে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো বেছে নিয়েছি। ঝুঁকি এড়াতে এবং ১০০% কমনের জন্য টেক্সট বই পড়ার বিকল্প নেই, তবে পরীক্ষার আগে নিচের প্রশ্নগুলো অবশ্যই তৈরি করে যাবে।

বিভাগ-ক: পাশ্চাত্য যুক্তিবিজ্ঞান (Western Logic)

মান: ২ (সংক্ষিপ্ত উত্তর)

  • বচনের বিরোধিতা কাকে বলে? বিরোধিতার শর্তগুলি কী কী?
  • বিপরীত বিরোধিতা ও অধীন-বিপরীত বিরোধিতার মধ্যে পার্থক্য লেখো।
  • অসম বিরোধিতার সত্যতার নিয়মটি লেখো।
  • অ্যারিস্টটলের বিরোধিতার চতুষ্কোণটি অঙ্কন করো।
  • ব্যবহারিক প্রশ্ন: “কোনো কোনো মানুষ নয় সৎ”—এই বচনটির বিরুদ্ধ বিরোধী বচনটি কী হবে? (অথবা E বচন সত্য হলে I বচনের সত্যমূল্য কী হবে?)
  • বাক্য ও বচনের মধ্যে দুটি প্রধান পার্থক্য লেখো।
  • প্রদত্ত বাক্যগুলিকে বচনে রূপান্তর করে গুণ ও পরিমাণ উল্লেখ করো (যেমন: কদাচিৎ, কেবলমাত্র, সব…নয় যুক্ত বাক্য)।

মান: ৩ (ব্যাখ্যামূলক উত্তর)

  • অবরোহ ও আরোহ যুক্তির মধ্যে পার্থক্য লেখো। (এটি প্রায় সব স্কুলেই এসেছে – Very Important)
  • যুক্তি কাকে বলে? যুক্তির অবয়ব বলতে কী বোঝো?
  • পদের ব্যাপ্যতা বলতে কী বোঝো? নিরপেক্ষ বচনে কোন পদ ব্যাপ্য ও কোন পদ অব্যাপ্য—তা ছকের সাহায্যে দেখাও।
  • সরল ও অসরল (সীমিত) আবর্তনের মধ্যে পার্থক্য লেখো। ‘A’ বচনের সরল আবর্তন কি সম্ভব?
  • বিবর্তনের নিয়মগুলি উদাহরণসহ লেখো।
  • ব্যবহারিক: প্রদত্ত বাক্যটির আবর্তনের বিবর্তন করো (যেমন: “সব গল্প বিশ্বাসযোগ্য নয়”)।
  • যুক্তির আকার ও উপাদানের মধ্যে পার্থক্য কী?

মান: ৬ (বড় প্রশ্ন / লজিক নির্ণয়)

  • প্রদত্ত যুক্তিগুলিকে তর্কবিদ্যাসম্মত আকারে (Logical Form) পরিণত করে তাদের মূর্তি ও সংস্থান উল্লেখ করো এবং বৈধতা বিচার করো।
    • উদাহরণ ১: সে নিশ্চয়ই কাপুরুষ, কেননা সে অসৎ এবং সব কাপুরুষই অসৎ। (অবৈধ- অব্যপ্য হেতু দোষ)।
    • উদাহরণ ২: কোনো অলস নয় শ্রমজীবী। সকল বাবুলোক হয় অলস। সুতরাং, কোনো বাবুলোক নয় শ্রমজীবী।
    • উদাহরণ ৩: রবীন্দ্রনাথ বিশ্বকবি কারণ তিনি নোবেলজয়ী…।
  • মিশ্র প্রাকল্পিক ন্যায়ের (M.T.) বৈধতার নিয়মটি কী? লঙ্ঘন করলে কী দোষ হয়?
  • বৈকল্পিক ন্যায়ে ‘বিসংবাদী’ ও ‘অবিসংবাদী’ অথবা-র পার্থক্য এবং ‘বিকল্প স্বীকার জনিত দোষ’ বা ‘বিকল্প পরিগ্রহণ দোষ’ ব্যাখ্যা করো।
  • বৈধতা বিচার: “যদি বৃষ্টি হয় তবে ফসল ভালো হবে। ফসল ভালো হয়েছে, সুতরাং বৃষ্টি হয়েছে।” (অনুগ স্বীকার জনিত দোষ)।

বিভাগ-খ: নীতিবিজ্ঞান (Ethics)

মান: ২ (সংক্ষিপ্ত উত্তর)

  • ‘পুরুষার্থ’ শব্দের অর্থ কী? কয়টি পুরুষার্থ স্বীকার করা হয় ও কী কী?
  • নীতিবিদ্যা বা ‘Ethics’-এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ কী?
  • নৈতিক ও অনৈতিক ক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য কী?
  • ‘মোক্ষ’ বা ‘ধর্ম’ বলতে কী বোঝো?
  • বৌদ্ধ দর্শনে ‘নির্বাণ’ বলতে কী বোঝায়?
  • চার্বাক নীতিতত্ত্বকে ‘জড়বাদী’ বা ‘অসংযত আত্মসুখবাদ’ বলা হয় কেন?

মান: ৩ (ব্যাখ্যামূলক উত্তর)

  • সকাম কর্ম ও নিষ্কাম কর্মের মধ্যে পার্থক্য করো। (Very Important)
  • স্বধর্ম ও পরধর্মের মধ্যে পার্থক্য কী? “পরধর্মের তুলনায় স্বধর্ম শ্রেষ্ঠ”—ব্যাখ্যা করো।
  • বৌদ্ধ দর্শনে চারটি ‘আর্যসত্য’ কী কী? সংক্ষেপে লেখো।
  • ‘অষ্টাঙ্গিক মার্গ’ কী? যে-কোনো চারটি মার্গের নাম লেখো (যেমন: সম্যক দৃষ্টি, সম্যক সংকল্প)।
  • স্থিতপ্রজ্ঞ ব্যক্তির লক্ষণগুলি কী কী?

বড় প্রশ্ন (মান ৬):

  • উদ্দেশ্য ও অভিপ্রায়ের মধ্যে সম্পর্ক ও পার্থক্য আলোচনা করো। নীতিবিদ্যার বিষয়বস্তু হিসেবে কোনটি গুরুত্বপূর্ণ?
  • নৈতিক বিচারের মানদণ্ড হিসেবে ‘উদ্দেশ্যমূলক মতবাদ’ (Teleological Theory) বা উপযোগবাদ সংক্ষেপে আলোচনা করো।
  • কান্টের ‘কর্তব্যবাদ’ বা ‘নৈতিক কর্তব্যবাদ’ সংক্ষেপে আলোচনা করো।
  • শাস্তি সম্পর্কে সংশোধাত্মক মতবাদটি ব্যাখ্যা করো।
  • চার্বাক সুখবাদ বা ‘স্বভাববাদ’ বিস্তারিত আলোচনা করো। “ভস্মীীভূতস্য দেহস্য পুনরাগমনং কুতঃ”—উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।

বিঃদ্রঃ: লজিক অংশের জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রশ্ন কমন হয় না, নিয়ম জানা থাকলে যেকোনো লজিক সলভ করা যায়। তাই নিয়মগুলো ভালো করে দেখে যেও। তোমাদের পরীক্ষার জন্য অনেক শুভকামনা রইল!

(১) যুক্তিবিজ্ঞান ও যুক্তির প্রকৃতি

  1. যুক্তি কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
  2. যুক্তির কয়টি অংশ আছে ও কী কী?
  3. সিদ্ধান্ত কাকে বলে?
  4. অনুমান ও যুক্তির মধ্যে পার্থক্য লিখ।
  5. অবরোহ যুক্তি কাকে বলে?
  6. আরোহ যুক্তি কাকে বলে?
  7. অবরোহ ও আরোহ যুক্তির মধ্যে পার্থক্য লিখ।
  8. যুক্তির উপাদান কী কী?
  9. যুক্তিবিদ্যাকে আদর্শ বিদ্যা বলা হয় কেন?
  10. যুক্তির আকার বলতে কী বোঝায়? উদাহরণসহ আলোচনা কর।

(২) বচন, বাক্য ও সত্যতা

  1. বচন কাকে বলে?
  2. নির্দেশ বচন বলতে কী বোঝানো হয়?
  3. বাক্য ও বচনের মধ্যে পার্থক্য লিখ।
  4. সত্য ও বৈধতার মধ্যে পার্থক্য লিখ।
  5. নির্দেশ বচনের শ্রেণীবিভাগ কী কী? উদাহরণ দাও।
  6. নির্দেশ বচনে পদের ব্যাপকতা বলতে কী বোঝায়?

(৩) বিরোধিতা ও অনুমান

  1. বচনের বিরোধিতা কাকে বলে?
  2. বিপরীত বিরোধিতা ও অসম বিরোধিতার মধ্যে পার্থক্য লিখ।
  3. “কোনো মানুষ নয় সৎ”—এই বচনের অসম বিরোধী বচন নির্ণয় কর।
  4. বিপরীত বিরোধানুমানের সত্যমূল্যের নিয়ম কী?
  5. অধীন বিপরীত বিরোধিতার উদাহরণ দাও।
  6. অসম বিরোধিতার সত্যতার নিয়ম কী?

(৪) অমাধ্যম অনুমান ও ন্যায়

  1. অমাধ্যম অনুমান কাকে বলে? কয়টি প্রকার ও কী কী?
  2. আবর্তন কাকে বলে? এর কয়টি প্রকার ও কী কী?
  3. বিবর্তন কাকে বলে? উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর।
  4. আবর্তন ও বিবর্তনের মধ্যে পার্থক্য লিখ।
  5. O-বচনের আবর্তন বিধিসম্মত নয় কেন?
  6. নির্দেশ ন্যায়-এর সংস্থান কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
  7. শাখিক নির্দেশ ন্যায় কয় প্রকার ও কী কী?
  8. যৌগিক যুক্তির বৈশিষ্ট্য কী?

(৫) ভারতীয় নীতিশাস্ত্র

  1. ভারতীয় নীতিশাস্ত্রে পুরুষার্থ বলতে কী বোঝানো হয়?
  2. ধর্ম ও অর্থ বলতে কী বোঝায়?
  3. কাম ও মোক্ষ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
  4. গৃহস্থ ধর্ম কাকে বলে?

(৬) শ্রীমদ্‌ভগবদ্‌গীতা

  1. শ্রীমদ্‌ভগবদ্‌গীতায় নিষ্কাম কর্ম বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
  2. সকাম ও নিষ্কাম কর্মের মধ্যে পার্থক্য লিখ।
  3. প্রবৃত্তি মার্গ ও নিবৃত্তি মার্গ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
  4. গীতায় চার ধরনের যোগবিধি কী কী?

(৭) বৌদ্ধ ও চার্বাক দর্শন

  1. বৌদ্ধ দর্শনে চারটি আর্য সত্য কী কী?
  2. বৌদ্ধ নীতিতে সম্যক দৃষ্টি ও সম্যক ব্যায়াম বলতে কী বোঝানো হয়?
  3. চার্বাকদের মতে নৈতিক আদর্শ কী?
  4. চার্বাকরা কেন ইন্দ্রিয় সুখের পরিপূর্ণতায় বিশ্বাস করেন?
  5. চার্বাকরা ধর্মকে পুরুষার্থ হিসেবে স্বীকার করেন না কেন?
  6. চার্বাকরা জন্মান্তর স্বীকার করেন না কেন?

(৮) পাশ্চাত্য নীতিবিদ্যা

  1. নীতিবিদ্যার বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা কর।
  2. উদ্দেশ্যমূলক নীতিবিদ্যা কাকে বলে?
  3. আত্মসুখবাদ ও পরসুখবাদের মধ্যে পার্থক্য লিখ।
  4. নৈতিক কর্তব্যবাদ কাকে বলে? কান্তের দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা কর।
  5. নীতিবিজ্ঞানকে আদর্শবাদী বিজ্ঞান বলা হয় কেন?
  6. নৈতিক সুখবাদ কাকে বলে?
একাদশ শ্রেণি দ্বিতীয় সেমিস্টার প্রস্তুতি (টার্গেট একাদশ ’হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ)Join Group

Join Group

Telegram